পিএনবি কেলেঙ্কারিতে জড়িত ব্যাঙ্ক-কর্তাদের ইতিমধ্যেই জেরা করতে শুরু করেছে কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রকের তদন্ত সংস্থা এসএফআইও (সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস)। বড়সড় অপরাধ সংক্রান্ত অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা এই সংস্থা বুধবার জেরা করল ভূষণ স্টিলের চেয়ারম্যান ব্রজ ভূষণ সিংগলকে। সংস্থা থেকে ১,০০০ কোটি টাকার বেশি তছরুপের যে অভিযোগ উঠেছে, সেই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজধানীতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর। তবে এ নিয়ে ভূষণ স্টিলের অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
গত বছর থেকেই এসএফআইও ভূষণ স্টিল থেকে ওই পরিমাণ টাকা সরানোর ঘটনার তদন্তে নেমেছে। বিভিন্ন ঋণদাতার কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা বাকি রাখার অভিযোগে যে ১২টি সংস্থার ঋণ অ্যাকাউন্টকে অনুৎপাদক হিসেবে চিহ্নিত করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, সেই তালিকায় রয়েছে ভূষণ স্টিল। ঋণদাতা ব্যাঙ্কগুলির কাছে তাদের বকেয়া ৪৪ হাজার কোটি টাকা।
অভিযুক্ত হিসেবে নয়। সংস্থার ব্যবসায়িক লেনদেন ও অন্যান্য তথ্য জানতেই এসএফআইও ডেকে পাঠাচ্ছে বিভিন্ন শিল্প-কর্তা ও ব্যাঙ্ক কর্ণধারকে। পিএনবি-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৩১টি ব্যাঙ্ককে চিঠি লিখেছে এসএফআইও।
বকেয়ার দাবিতে মামলা: ভূষণ স্টিলের কাছ থেকে বকেয়া চেয়ে জাতীয় কোম্পানি আইন ট্রাইব্যুনালে গেল লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। তাদের দাবি, পণ্য সরবরাহ বাবদ ইস্পাত সংস্থাটির কাছে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা পায় তারা। তাই তাদের পাওনাদারদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখতে অনুরোধ করেছে এলঅ্যান্ডটি। উল্লেখ্য, বুধবারই ভূষণ স্টিল অধিগ্রহণের জন্য টাটা স্টিল সর্বোচ্চ দরপত্র দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।