E-Paper

শীর্ষ কোর্টের প্রশ্ন ধৃতদের রাজনৈতিক যোগ বিষয়ে

রাজ্য পুলিশ এর আগে মালদহের ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলাম ও মৌলানা মহম্মদ শাহজাহান আলি কাদরিকে গ্রেফতার করে তাদের মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২৯
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত বিচারকদের ঘেরাওয়ের ঘটনায় এনআইএ যাদের গ্রেফতার করেছে, তাদের রাজনৈতিক সংযোগ জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

গত ১ এপ্রিল মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের ঘেরাও এবং তাঁদের উপরে হামলায় ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এনআইএ তদন্ত করছে। আজ কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাট্টি এনআইএ-র তরফে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট দিয়ে জানান, তদন্তে আরও তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক জন মূল যড়যন্ত্রকারী ও উস্কানিদাতা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “এর পরের ধাপে আমরা নির্দিষ্ট ভাবে জানতে চাই, এদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে কি না।” প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ বলেছে, এই তদন্তকে তার ‘যুক্তিসঙ্গত পরিণতি’-তে নিয়ে যেতে হবে।

রাজ্য পুলিশ এর আগে মালদহের ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলাম ও মৌলানা মহম্মদ শাহজাহান আলি কাদরিকে গ্রেফতার করে তাদের মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল। এনআইএ জানিয়েছে, তারা যে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে, তাদের মধ্যে এক জন তৃতীয় ষড়যন্ত্রকারী। প্রসঙ্গত, এনআইএ রবিবারই মোথাবাড়ি পঞ্চায়েত সদস্য আইএসএফের গোলাম রব্বানি, কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদের সভাপতি আসিফ শেখ ও কংগ্রেস নেতা শাহদাত হোসেনকে গ্রেফতার করেছিল।

বিচারকদের ঘেরাওয়ের সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিপি তাঁদের ‘নিষ্ক্রিয়তা’র জন্য সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়েছিলেন। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ক্ষমা চাইতে বলে। মুখ্যসচিব, ডিজি-র হয়ে আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা জানান, তাঁরা কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এনআইএ-কে সমস্ত সহযোগিতা করা হচ্ছে স্বরাষ্ট্রসচিবের তরফে। এনআইএ-ও জানায়, রাজ্য প্রশাসন সহযোগিতা করছে।

সুপ্রিম কোর্ট আজ কেন্দ্র, রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা এখনই উঠবে না। তাঁদের নিরাপত্তার ঝুঁকি খতিয়ে দেখে তার পরে নিরাপত্তা তোলা হবে। অন্তত ভোট পর্যন্ত বিচারকদের নিরাপত্তা থাকবে। সুপ্রিম কোর্টকে না জানিয়ে নিরাপত্তা উঠবে না।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Supreme Court of India

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy