চিকেন তন্দুরি সহযোগে প্রতিবাদ! বিজেপি সাংসদ শেহজাদ পুনাওয়ালার দাবি তেমনই। অধিবেশন চলাকালীন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ১৯ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁদের ‘অনৈতিক’ ভাবে সাসপেন্ড করার প্রতিবাদে গাঁধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন বিরোধী সাংসদরা। দলগুলির তরফে পালা করে মধ্যাহ্নভোজ, নৈশভোজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিজেপি সাংসদ পুনাওয়ালা চিকেন তন্দুরির প্রসঙ্গ এনে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদদের। অবশ্য পুনাওয়ালার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব। তাঁর কথায়, “এটি সর্বৈব মিথ্যা। শাসকদল নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই ধরনের রাজনৈতিক প্রচার করছে।”
কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অবস্থান-বিক্ষোভে বসা সাংসদদের একাংশ গাঁধীমূর্তির সামনে চিকেন তন্দুরি খেয়েছেন। এই প্রতিবেদনগুলিকে উদ্ধৃত করে পুনাওয়ালা প্রশ্ন তুলেছেন, এটি কি আদৌ প্রতিবাদ, নাকি পিকনিক? পুনাওয়ালার জানিয়েছেন, সকলেই জানে যে পশুহত্যার বিরুদ্ধে গাঁধী বার বার সরব হয়েছেন। অথচ তাঁর মূর্তির সামনে বসেই মাংস খাচ্ছেন বিরোধী সাংসদরা।
সুস্মিতার দাবি, বিজেপি, সঙ্ঘ পরিবারের নেতারা বন্ধ দরজার ওপারে সবই খান। তাই আমরা কী খাচ্ছি বা না খাচ্ছি, তা নিয়ে তাঁদের প্রশ্ন তোলা উচিত নয়। সুস্মিতার দাবি, নিলম্বিত সাংসদদের ধর্না-বিক্ষোভকে সামনে রেখে যে ভাবে বিরোধী দলগুলি এককাট্টা হচ্ছে, তাতে আতঙ্কিত হয়েই বিজেপি এ সব অভিযোগ করছে।