Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

চিৎকার করেও সাড়া মিলছে না, দ্বিতীয় সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের নিয়ে বাড়ছে আশঙ্কা

সংবাদ সংস্থা
হরিদ্বার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৯:০৫
চলছে উদ্ধারকাজ।

চলছে উদ্ধারকাজ।
ছবি—পিটিআই।

উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠের কাছে ধউলিগঙ্গাতে হিমবাহ ফেটে তীব্র জলোচ্ছ্বাসের জেরে রবিবার ভেসে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। রেনি গ্রামে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প-সহ ওই এলাকার ৪টি ‘ঝুলা পুল’ অর্থাৎ ঝুলন্ত সেতু ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। একটি সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের সঙ্গে এখনও যোগাযোগই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়াত। মুখ্যমন্ত্রী এই বক্তব্যের পর ওই শ্রমিকদের জীবিত থাকা সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করছেন অনেকে।

১৩.২ মেগাওয়াটের ওই বিদ্যুৎপ্রকল্পে ২০২০ সাল থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছিল। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সেই প্রকল্পে প্রভূত ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘‘এই বন্যার জেরে প্রকল্পটির ১০০ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে। আমরা যদি ৫ কিলোমিটার নীচের দিকে আসি, তা হলে তপোবন বলে একটি জায়গা আছে। সেখানেই তৈরি হচ্ছিল এনটিপিসি-র ওই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। সেখানে দু’টি সুড়ঙ্গে প্রচুর শ্রমিক কাজ করছিলেন। তার মধ্যে একটি সুড়ঙ্গে আটকে থাকা সকলকে উদ্ধার করা হয়েছে।’’

ইন্ডিয়া টুডে-কে তিনি জানিয়েছেন, অপর সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ এখনও সে ভাবে শুরুই করা যায়নি। আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ ওই সুড়ঙ্গ কাদায় ভর্তি হয়ে গিয়েছে। যে কারণে আইটিবিপি-র জওয়ানরা সুড়ঙ্গের বেশি ভিতরে ঢুকতেই পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাত্র ১৫০-২০০ মিটার ভিতর অবধি যেতে পেরেছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। সোমবার সকাল থেকে ওই সুড়ঙ্গে আইটিবিপি, সেনা ও রাজ্য সরকারের উদ্ধারকারী দল ফের কাজ শুরু করবেন।

Advertisement

ওই সুড়ঙ্গে আটকে থাকা ব্যক্তিদের কাছে খাবার-জল পৌঁছনো গিয়েছে কি না, সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা আটকে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ অবধি করতে পারেননি। তিনি বলেছেন, ‘‘উদ্ধারকারীরা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আটকে থাকে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বহু চিৎকার করা সত্ত্বেও কারও সাড়া মেলেনি। হতে পারে তাঁরা এক দম ভিতরে আটকে আছেন। তাই কারও কথা শুনতে পাচ্ছেন না। তাই আন্দাজে কিছু বলা সম্ভব নয়।’’ কিন্তু এই যোগাযোগ না হওয়ায় ভিতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও চেষ্টার খামতি রাখছেন না উদ্ধারকারীরা।

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন অবধি প্রাণ গিয়েছে ১৪ জনের। ১৭০ জন এখনও অবধি নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন

Advertisement