Advertisement
E-Paper

‘খারাপ ভাবে স্পর্শ করতেন প্রফেসর, অশ্লীল কথাও বলতেন’! মৃত্যুর আগে ভিডিয়োবার্তায় কী কী দাবি করেন হিমাচলের ছাত্রী

গত ২৬ ডিসেম্বর পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রীর। মৃত্যুর আগে করা ভিডিয়োয় তাঁকে লাগাতার যৌনহেনস্থা এবং র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রী।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:২৩
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় কলেজছাত্রীকে র‌্যাগিং এবং যৌন হেনস্থার ঘটনায় নয়া তথ্য প্রকাশ্যে এল। মৃত্যুর আগে একটি ভিডিয়োবার্তায় কলেজের এক অধ্যাপক এবং তিন সিনিয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।

গত ২৬ ডিসেম্বর পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রীর। মৃত্যুর আগে করা ভিডিয়োয় তাঁকে লাগাতার যৌন হেনস্থা এবং র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রী। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত অধ্যাপক (যাঁকে ওই ছাত্রী ‘অশোক স্যর’ বলে উল্লেখ করেছেন) এবং তিন সিনিয়র হর্ষিতা, আকৃতি এবং কমলিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ছাত্রীর বাবা। ভিডিয়োবার্তায় ছাত্রী দাবি করেন, ‘‘স্যর সব সময় আমাকে উত্ত্যক্ত করতেন। আমার শরীরে খারাপ ভাবে স্পর্শ করতেন। অশ্লীল কথা বলতেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘অধ্যাপক আমার সঙ্গে অদ্ভুত আচরণ করতেন। এবং বার বার একই রকম কাজ করতেন তিনি।’’

যদিও ছাত্রীর সমস্ত অভিযোগ খণ্ডন করেছেন অভিযুক্ত অধ্যাপক। তাঁর সমর্থনে দাঁড়িয়েছেন অন্য অধ্যাপকেরাও। কলেজের অধ্যক্ষ দাবি করেছেন, ‘‘ফার্স্ট ইয়ারে পাশ করতে না পারায় ছাত্রী অবসাদে ভুগছিলেন। ওই অধ্যাপকের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে জানানো হয় আবার ফার্স্ট ইয়ারেই ভর্তি হতে হবে। সেকেন্ড ইয়ারে ভর্তি হতে গেলে আবার পরীক্ষা দিতে হবে। সেই পরীক্ষাতেও পাশ করতে পারেননি ছাত্রী। তা ছাড়া গত ২৯ জুলাই থেকে কলেজেই আসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি।’’

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ২০২৪ সালে ধর্মশালার সরকারি ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ওই ছাত্রী। ভর্তি হওয়ার মাসখানেক পরেই তিন সিনিয়র তাঁকে র‌্যাগিং করা শুরু করেন। টানা র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়ে বিএ ফার্স্ট ইয়ারের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে কলেজে আসা বন্ধ করে দেন ছাত্রী। ২১ অগস্ট কলেজ থেকে তাঁর নাম কেটে দেওয়া হয়। লাগাতার র‌্যাগিংয়ের শিকার হওয়ায় ভয়ে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন ছাত্রীর বাবা। সেপ্টেম্বরে আবার কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য যান। কিন্তু তাঁকে জানানো হয়, সেকেন্ড ইয়ারে ভর্তি হতে গেলে পরীক্ষা দিতে হবে। কিন্তু পরীক্ষায় পাশ না করায় আবার ফার্স্ট ইয়ারেই ভর্তি হতে হয় তাঁকে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শুক্রবার জানিয়েছে, ধর্মশালার কলেজছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা তারা গুরুত্ব সহকারে দেখছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে এটাও জানানো হয়েছে, কলেজেপড়ুয়াদের নিরাপত্তা সবচেয়ে আগে। এই ঘটনার জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

Ragging Molestation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy