Advertisement
E-Paper

নিগ্রহ নিয়ে মন্তব্য, খুনের হুমকি মহিলা সাংবাদিককে

মাদ্রাসায় শিশু নিগ্রহের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কেরলের এক মহিলা সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি দিল চরমপন্থীরা। ছেলেবেলার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রাজিনা নামে বছর সাতাশের ওই তরুণী রবিবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে কাজ করেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ০৩:৩২

মাদ্রাসায় শিশু নিগ্রহের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কেরলের এক মহিলা সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি দিল চরমপন্থীরা।

ছেলেবেলার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রাজিনা নামে বছর সাতাশের ওই তরুণী রবিবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে কাজ করেন তিনি। শিক্ষাজীবনের প্রথম ক’টা বছর মাদ্রাসাতে় কেটেছিল তাঁর। রাজিনার দাবি, মাদ্রাসার কিছু শিক্ষক তখন ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সমস্ত পড়ুয়াকে নানা ভাবে যৌন হেনস্থা করত। রাজিনার পোস্টটি সামনে আসার পরেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। রাজিনার বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্মকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আক্রমণের অভিযোগ জানাতে থাকে চরমপন্থীরা। যার জেরে রবিবার রাতে ব্লক করে দেওয়া হয় রাজিনার ফেসবুক প্রোফাইল। ২৪ ঘণ্টা পর তা তুলেও নেওয়া হয়। বুধবার রাতে ফের প্রোফাইল ব্লক হওয়ার ঘটনা ঘটলে সামনে আসে খবরটা।

রাজিনার পোস্টটি ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। রাজিনা জানাচ্ছেন, কোঝিকোড়ের যে মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষা নিতেন সেখানকার এক ‘উস্তাদ’ পড়ুয়াদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করত। ছেলেদের গোপনাঙ্গ স্পর্শ করত, অকারণে নগ্ন করে রাখত। আরও এক প্রৌঢ় ‘উস্তাদ’-এর কথা লেখেন রাজিনা। জানান, লোডশেডিং হলেই মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করত। পড়ুয়ারা একাধিকবার অভিযোগ জানালেও কাজ হয়নি। অভিযোগ যারা করত, উল্টে প্রতিষ্ঠান ছাড়তে হতো তাদেরই। রাজিনা বলেন, ‘‘কোনও ধর্ম বা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমার যুদ্ধ নয়। শিশু নিগ্রহ নির্দিষ্ট কোনও ধর্ম বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, শুধু এ কথাটা জানাতে চেয়েছিলাম।’’ ওই পোস্টের জেরে রবিবার রাত থেকে বিভিন্ন চরমপন্থী সংগঠন হুমকি দিচ্ছে তাঁকে। পুলিশে যাওয়ার কথাও ভেবেছেন রাজিনা। তবে বক্তব্য থেকে অবশ্য সরেননি। বলছেন, ‘‘কিছু বাড়িয়ে বলিনি। সত্যিটা সামনে এনেছি শুধু।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy