চার মাস ধরে চলা প্রতিবাদ-আন্দোলনে কালই প্রথম গুলি চলেছিল। সেই আহত হাইস্কুল ছাত্রের স্কুলের সামনে আজ ধর্না দিলেন কয়েকশো পড়ুয়া। হংকংয়ের পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে আজও আন্দোলনকারীদের স্লোগান চলেছে । 

গুলি চালনা নিয়ে এমনিতেই কাঠগড়ায় হংকংয়ের পুলিশ। পুলিশ প্রধান স্টিফেন লো অবশ্য তাঁর বাহিনীর অফিসারদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। যে অফিসার ওই ছাত্রটির বুকে গুলি করেন, তিনি অন্যায় করেননি বলে দাবি লো-র। তিনি আজ জানান, যে ছাত্রটি গুলিতে আহত হয়েছেন, তিনি ওই অফিসারের দিকে অস্ত্র নিয়ে তেড়ে যান। নিজের ও সহকর্মীদের জীবন বিপন্ন বুঝেই গুলি চালান ওই অফিসার। মোট ছ’রাউন্ড গুলিতে ওই ছাত্র ছাড়া আর কেউ জখম হননি বলে দাবি করেছেন লো। বিক্ষোভকারীদের একাংশ পুলিশকে আক্রমণের বিষয়টি মানেননি। পুলিশের দাবি, তাদের কাছে ঘটনার ভিডিয়ো ফুটেজ রয়েছে।

কালকের বিক্ষোভকে সব চেয়ে ভয়াবহ আর হিংস্রতম দিন বলে চিহ্নিত করে হংকং পুলিশ। তাদের দাবি, শেষ দু’মাসে যেখানে মোট ১০০০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস চালাতে হয়েছিল, সেখানে শুধু কালই ১৪০০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস চলেছে। কাল রবার বুলেটও চলেছে ৯০০ রাউন্ড।

পুলিশ জানায়, কাল হংকংয়ের বিস্তীর্ণ অংশে গোলমালের জন্য প্রায় ২৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের একটা বড় অংশ ছাত্র। বেশির ভাগের বিরুদ্ধেই দাঙ্গা বাধানো ও সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের ৩০ অফিসার আহত হন। যদিও গণতন্ত্রকামী নেতাদের দাবি, পুলিশের হামলায় শতাধিক বিক্ষোভকারীও আহত হন।