বাংলাদেশের কুলাউড়ায় রেল ব্রিজ ভেঙে খালে উল্টে গেল যাত্রীবাহী ট্রেন। তাতে তিন মহিলা-সহ চার জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মনোয়ারা পারভিন, ফাহমিদা ইয়াসমিন, সঞ্জিদা আখতার এবং নুর হোসেন বলে শনাক্ত করা গিয়েছে। এর পাশাপাশি আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

রবিবার রাতে দক্ষিণ-পশ্চিম সিলেটের মৌলবিবাজার জেলার কুলাউড়া  উপজেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাত ১১টা নাগাদ বরমচাল স্টেশন ছেড়ে ঢাকা অভিমুখে রওনা দিয়েছিল আন্তনগর উপবন এক্সপ্রেস। কুলওয়াড়া ঢোকার মুখে একটি খাল পেরোতে গিয়ে বিপত্তি বাধে। রেলব্রিজ ভেঙে ট্রেনের পিছনের দিকের কয়েকটি বগি খালে পড়ে যায়।

সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এলাকার পুলিশ সুপার রশিদুল হাসান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ এবং দমকল বাহিনী।  তাঁদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় মানুষও। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে পড়া মানুষকে টেনে তোলার কাজ শুরু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আহতদের মধ্যে ২১ জনকে।

আরও পড়ুন: অখিলেশ ‘মুসলিম বিরোধী’! নয়া তোপ দেগে একলা চলার পথেই মায়াবতী​

আরও পড়ুন: ৭২ ঘণ্টা কোনও অশান্তি নেই কাঁকিনাড়ায়, ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত​

এই দুর্ঘটনায় ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্ব অংশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে বলে জানান স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিক তোফায়েল ইসলাম। সিগন্যাল এবং রেললাইনে ত্রুটির জন্য প্রায়শই ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে বাংলাদেশে। এই দুর্ঘটনার জন্য সরকারকেই দায়ী করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এ রকম বহু নড়বড়ে রেলব্রিজ রয়েছে দেশে। ট্রেনের ভার বহন করার ক্ষমতা নেই সেগুলির। অবিলম্বে সেগুলি পরীক্ষা করে দেখার দাবি তুলেছেন তাঁরা।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।