মুুসুর ডাল যেমন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তেমনই এটি ত্বক ভাল রাখতেও সাহায্য করে। এই ডাল দিয়ে ফেস প্যাক বা স্ক্রাব বানিয়ে যদি মুখে মাখা যায়, তবে তা ত্বকের নানা উপকারে লাগে। আর তার যথেষ্ট কারণও রয়েছে।
মুসুর ডালে রয়েছে ভিটামিন সি, বি৬, জ়িঙ্ক এবং প্রোটিনের মতো পুষ্টিগুণ। যা ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে মেরামত করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা, কালচে ছোপ পড়ে না। টানটান ভাব নষ্ট হতে দেয় না। মুসুর ডাল দিয়ে ত্বকের পরিচর্যা করার তিনটি কার্যকরী উপায় নিচে দেওয়া হলো:
ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করতে
ত্বকের কালচে ছোপ কমাতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে।
উপকরণ: ২ টেবিল চামচ মুসুর ডাল গুঁড়ো বা বাটা, ১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ বা সাধারণ দুধ।
ব্যবহারের পদ্ধতি: মুসুর ডালের গুঁড়ো বা বাটার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে ও গলায় ভালো করে লাগান। প্রায় ২০ মিনিট রেখে শুকিয়ে গেলে সাধারণ বা হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার এটি ব্যবহার করতে পারেন।
রোদে পোড়া ভাব দূর করতে
মুসুর ডাল, বেসন ও মধুর স্ক্রাব রোদে পোড়া দাগ দূর করতে এবং ত্বককে মৃতকোষ মুক্ত করতে সাহায্য করে।
উপকরণ: ১ চা চামচ মুসুর ডাল বাটা, ১ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ মধু।
ব্যবহারের পদ্ধতি: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে পেস্ট তৈরি করুন। এটি মুখে হালকা হাতে স্ক্রাব করে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম জল দিয়ে আলতো করে ঘষে ঘষে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করা যেতে পারে।
ব্রণ ও রুক্ষতা দূর করতে
ত্বকের জেল্লা ফেরাতে, রুক্ষতা দূর করতে এবং ব্রণ-ফুস্কুড়ি বা যে কোনও সংক্রমণ কমাতে মুসুর ডাল ও হলুদের ফেস মাস্ক অত্যন্ত কার্যকর।
উপকরণ: মুসুর ডাল বাটা বা গুঁড়ো, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো বা বাটা, ৩ চা চামচ টক দই, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য।
ব্যবহারের পদ্ধতি: মুসুর ডাল বাটার সঙ্গে হলুদ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দই মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখে মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে উষ্ণ গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।রুক্ষ ত্বক মসৃণ করতে সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করতে পারেন।