Advertisement
E-Paper

‘ত্বকের একটা স্তর পুড়ে গিয়েছিল!’ ঘরোয়া টোটকা প্রয়োগ করতে গিয়ে বিপদ সোহার, কোন ভুলে এই হাল

ত্বকচর্চায় ভেষজ উপাদান ব্যবহার করে যেমন উপকার মিলতে পারে, তেমনই হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি সকলেরই। তেমনই এক ঘটনার কথা বললেন বলিউড অভিনেত্রী সোহা আলি খান।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:০৬
অভিনেত্রী সোহা আলি খান।

অভিনেত্রী সোহা আলি খান। ছবি: সংগৃহীত।

ঘরোয়া উপাদান মানেই ‘ধোয়া তুলসিপাতা নয়’। ভেষজ, উদ্ভিজ্জ, প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে যেমন উপকার মিলতে পারে, তেমনই ক্ষতিও হতে পারে। তাই পরামর্শ বা পরীক্ষা না করে ঘরোয়া টোটকা নৈব নৈব চ। কারণ, সেগুলিও কারও কারও ত্বকের গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। তেমনই এক উদাহরণ দিলেন বলিউড অভিনেত্রী সোহা আলি খান।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে রূপচর্চা নিয়ে আলোচনার সময়ে শর্মিলা ঠাকুরের ছোটকন্যা জানান, মাথার ত্বকে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করতে গিয়ে তিনি পরিমাপে গণ্ডগোল করে ফেলেছিলেন। তার ফলে মাথার ত্বক লালচে হয়ে যায়। তাঁর কথায়, ‘‘মাথার ত্বকে একটু বেশি অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ঢেলে ফেলেছিলাম। লাল হয়ে যায় মাথার ত্বক। সম্ভবত ত্বকের একটি স্তরও পুড়িয়ে ফেলেছিলাম।’’

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার। ছবি: সংগৃহীত

এই ঘটনা কেবলমাত্র একটা ব্যক্তিগত ও বিচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নয়। ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি সকলেরই। কারণ, কোনও উপাদান প্রাকৃতিক হলেই যে তা সকলের ত্বকের জন্য নিরাপদ হবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাই ঘরোয়া টোটকা ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিত। নয়তো হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকিই বেশি।

তা ছাড়া সব ঘরোয়া টোটকা সকলের জন্য কার্যকরী নয়। চুল ও ত্বকের ধরন এক এক জনের এক এক রকমের। যে উপাদান এক জনের জন্য উপকারী হতে পারে, অন্য কারও ক্ষেত্রে সেটিই জ্বালা, অ্যালার্জি বা প্রদাহের কারণ হতে পারে। সমাজমাধ্যমে রূপচর্চার রিল ও পোস্টগুলি আকর্ষণীয় হতে পারে। কিন্তু তা আপনার জন্য নিরাপদ কি না, আপনি জানেন না। সমস্যার কারণ স্পষ্ট না হলে সমাধানের রাস্তা পাবেন কী ভাবে!

চুলের জন্য ঘরোয়া টোটকা কতটা কার্যকরী?

চুলের জন্য ঘরোয়া টোটকা কতটা কার্যকরী? ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

অ্যাপ্‌ল সাইডার ভিনিগারের জনপ্রিয়তা কেন?

অনেকেই মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে বা খুশকি কমানোর আশায় অ্যাপ্‌ল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করেন। এটি মাথার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে, চুলের কিউটকল কোমল করতে পারে। কিন্তু এটি প্রাকৃতিক ভাবে অ্যাসিডিক। অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। জ্বালা ভাব, লালচে ভাব এবং শুষ্কতা দেখা দিতে পারে। স্পর্শকাতর ত্বকে প্রদাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ত্বক পুড়ে যাওয়ার মতো অনুভূতিও হতে পারে। চর্মরোগ চিকিৎসকেরা বলছেন, ভিনিগার সরাসরি বা বেশি ঘনত্বে ব্যবহার করা বিপজ্জনক হতে পারে।

একই ভাবে লেবুর রস, রসুন, দারচিনি, ভিনিগার, বেকিং সোডা বা কিছু ভেষজ উপাদান প্রাকৃতিক হলেও সেগুলি ত্বকে জ্বালা, অ্যালার্জি কিংবা পুড়ে যাওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিষাক্ত উদ্ভিদও প্রাকৃতিক। তাই শুধু প্রাকৃতিক হওয়ার কারণে কোনও উপাদানকে নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

সে ক্ষেত্রে কী করা উচিত?

যে কোনও উপাদান প্রয়োগ করার আগে কনুইয়ে অল্প করে মেখে দেখতে হবে, সেটি কোনও প্রকার অস্বস্তি তৈরি করছে কি না। সেই অনুযায়ী ত্বকে বা মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে হবে। তবে সবচেয়ে ভাল উপায় হল, কোনও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জেনে নেওয়া, কোন কোন উপাদান আপনার জন্য উপযুক্ত, কোনটি নয়।

Soha Ali Khan apple cider vinegar Hair Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy