প্রতি দিন চুল পরিষ্কার করা, মাঝেমধ্যে তেল মাখা, চুলের পরিচর্যা যতটা জরুরি, ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু পুষ্টিও। চুলের গোড়া মজবুত হওয়ার জন্য, চুলের বৃদ্ধির জন্য বাইরে থেকে যত্ন যেমন দরকার, তেমনই প্রয়োজন ভিটামিন এবং খনিজের, যা চুলকে পুষ্টি জোগাবে। সেই পুষ্টিতে ফাঁক থাকলেই কিন্তু সমস্যা।
কোন খনিজ বা ভিটামিনের অভাবে কোন সমস্যা হতে পারে?
বায়োটিন চুল ঘন ও শক্ত করে।
আয়রন চুল পড়া বন্ধ করে। শরীরে আয়রনের মূল উপাদান হল হিমোগ্লোবিন, যা কোষে অক্সিজেন সংবহণে সাহায্য করে। চুলের গোড়ায় অক্সিজেন এবং পুষ্টি না পৌঁছলেই চুল ঝরতে পারে।
ভিটামিন সি আয়রন শোষণ ও কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। কোলাজেন হল এক রকম প্রোটিন। তার মাত্রা কমে গেলেই চুল পাতলা হয়ে ঝরে পড়তে পারে।
কোন খাবার খেলে চুল ভাল হবে?
ডিম
ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং বায়োটিন থাকে। বায়োটিন কেরাটিন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা চুল ঘন এবং মজবুত করে।
মাছ
ইলিশ, টুনা, পমফ্রেট, রুই, কাতলার মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। সামুদ্রিক মাছেই অবশ্য এটি বেশি থাকে। এ ছাড়া মাছে থাকে প্রোটিন, যা চুলের গোড়া মজবুত করে এবং মাথার ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর করে চুল উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
পালংশাক
শরীরে আয়রনের অভাব হলে চুল দ্রুত পড়ে যায়। পালং শাকে প্রচুর আয়রন, ফোলেট এবং ভিটামিন এ ও সি থাকে, যা রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
বাদাম ও বীজ
কাঠবাদাম, ওয়ালনাট, তিসি বা কুমড়োর বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, জ়িঙ্ক এবং সেলেনিয়াম থাকে। এগুলিও চুল পড়া বন্ধ করতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। এটি মাথার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব বজায় রাখে, ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় না।