Advertisement
E-Paper

স্কুল শিক্ষা দফতরের নয়া নির্দেশিকায় স্বস্তি শিক্ষকদের, বসতে হবে না টেট-এ, বদল হচ্ছে না পদমর্যাদা

এত দিন পর্যন্ত ‘নরমাল সেকশন’-এর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আইও এসএমএস পোর্টালে নরমাল সেকশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উচ্চ প্রাথমিক ও সেকেন্ডারি সেকশন এই দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। কমিশনারের এই নির্দেশে পর তা আর থাকছে না। পদমর্যাদা সংশোধন করার কথা বলা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৬
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

আপাতত স্বস্তি পশ্চিমবঙ্গের কর্মরত শিক্ষকদের। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল কর্মরত শিক্ষক, যাঁরা টেট উত্তীর্ণ নন, তাঁদের টেট দিতেই হবে। এতেই আতান্তরে পড়েছিলেন সরকার পোষিত ‘নরমাল সেকশন’-এর শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

শিক্ষা দফতরের নয়া নির্দেশিকায় জানিয়েছে, ২০১৬-র আগে নিযুক্ত সব শিক্ষকই ‘নরমাল সেকশন’-এর শিক্ষক হিসাবে দেখানো হবে। তাঁদের অন্য কোন‌ও সেকশন বা পদমর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করা হবে না। ফলে তাঁদের টেট দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এত দিন পর্যন্ত ‘নরমাল সেকশন’-এর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আইও এসএমএস পোর্টালে নরমাল সেকশনের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উচ্চ প্রাথমিক ও সেকেন্ডারি সেকশন এই দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। কমিশনারের এই নির্দেশে পর তা আর থাকছে না। পদমর্যাদা সংশোধন করার কথা বলা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে ২০১৬ সালের পর যাঁরা উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক পদে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের ওই সেকশন বা পদমর্যাদায় কোন‌ও পরিবর্তন হবে না। তাঁদের উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক হিসাবেই দেখাতে হবে।এ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে শারীরিক শিক্ষা ও কর্মশিক্ষা বিষয়ে যাঁরা নিযুক্ত হয়েছেন, তাঁদের সেখানেই রাখতে হবে।

২০১৬ সাল থেকে নতুন নিয়মে নিয়োগ করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। নিয়োগকে সেখানে উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ভাগ করা হয়েছে। তার আগে পর্যন্ত এই ধরনের কোন‌ও সেকশন বা পদমর্যাদার ভাগ ছিল না। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সকলকে দেখানো হত ‘নরমাল সেকশন’-এর শিক্ষক হিসাবে।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “শিক্ষা দফতরের এই নির্দেশিকা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ নরমাল সেকশনের শিক্ষক-শিক্ষিকা যারা ছিলেন তাদের উচ্চ প্রাথমিক দেখানোর ফলে তাঁরা আশঙ্কায় ছিলেন তাঁদের টেট দিতে হবে। এই নির্দেশের ফলে তাঁরা যেমন স্বস্তি পাবেন। তেমনই সরকারের সারপ্লাস ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।”

উল্লেখ্য, শিক্ষার অধিকার আইন, আরটিই ২০০৯ এবং এনসিটিই-র ২০১০ নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতার জন্য টেট পাস করা ন্যূনতম এবং বাধ্যতামূলক যোগ্যতা। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, টেট আবশ্যিক যোগ্যতা। কিন্তু সমস্যা হয়েছে ২০১১ পর্যন্ত শিক্ষকতায় নিযুক্তদের নিয়ে। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য রায়ে জানিয়েছে, পাঁচ বছরের কম যাঁদের চাকরি রয়েছে, প্রবীণ সেই শিক্ষকদের আর টেট পরীক্ষায় বসতে হবে না।

TET
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy