একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির চাকরিপ্রার্থীদের প্রথম পর্বের সুপারিশ পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হল বুধবার। দ্বিতীয় দিন সুপারিশ পত্র পেলেন ১০৪ জন।
মঙ্গল ও বুধবার মিলিয়ে প্রথম দফায় সাতটি বিষয়ে ১৮২ জন প্রার্থীকে ডাকা হয়েছিল। এর মধ্যে দু’দিনে সুপারিশ পত্র পেলেন প্রায় ১৬৮ জন। আগামী দিনে এই প্রার্থীদের নিয়োগপত্র হাতে তুলে দেবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “প্রথম পর্বের সুপারিশপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দিনে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সকল প্রার্থীকে সুপারিশ পত্র দেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সুপারিশপত্র পেয়েছেন ৬৪ জন। ডাকা হয়েছিল ৬৭ জনকে। বাকি তিনজন অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল শ্রেণির প্রার্থী। কিন্তু সে সংক্রান্ত প্রামাণ্য নথিতে কিছু গরমিল থাকায় সুপারিশপত্র দেয়নি এসএসসি। আর বুধবার ১১৪ জন প্রার্থীকে হয়েছিল। তার মধ্যে সুপারিশপত্র হাতে পেল ১০৪ জন চাকরিপ্রার্থী। এসএসসি সূত্রের খবর, ১০ চাকরিপ্রার্থীর কৃষিবিদ্যা বিষয়ে বিএড ছাড়াও অতিরিক্ত ডিগ্রি থাকা দরকার ছিল। কিন্তু তা না থাকায় তাঁদের সুপারিশ পত্র দেওয়া হয়নি।
প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির দায়ে ২০১৬ এসএসসি-র প্যানেল বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছিল ২৬০০০ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। অবশেষে ফের পরীক্ষা দিয়ে নিয়োগ পত্র হাতে পেলেন চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকারা। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সুপারিশপত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। মোট ১২,৪৪৫ শূন্যপদের মধ্যে প্রথম ধাপে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে ৫০০টি শূন্যপদ পাঠানো হয়েছে।