জিনিসটি খানিকটা ঝোলার মতোই, তবে ঠিক পুরনো দিনের ঝোলা নয়, বরং খানিক কেতাদুরস্ত। এই যুগের ফ্যাশনে তারই নাম টোট ব্যাগ। যাঁরা সঙ্গে একটু বেশি জিনিসপত্র রাখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্যই এমন ব্যাগ। প্রয়োজন এবং ফ্যাশন— দুই দিক একসঙ্গে সামলানো যায় তা দিয়েই।
কাপড় থেকে চামড়া, ফোম— নানা জিনিস দিয়েই তৈরি হয় ব্যাগটি। যাবতীয় জিনিস ভরে ফেলা যায় এক ব্যাগে। তবে এর সমস্যা অন্য দিকে। একটি খাপ থাকায় মোবাইল থেকে টিফিন বাক্স, পার্স থেকে রোদচশমার খাপ, মুখশুদ্ধির লবঙ্গে সবই রাখতে হয় একই জায়গায়। ফলে, চট করে হাতের কাছে প্রয়োজনের জিনিস পাওয়াটাই ঝক্কি হয়ে ওঠে।
এই সমস্যার সমাধান সম্ভব অন্য ভাবে। জেনে নিন কী ভাবে জিনিস রাখলে প্রয়োজনের সব কিছুই মিলবে নিমেষে?
১। এমন ব্যাগে জিনিস রাখতে হলে পাউচ বা ছোট ছোট ব্যাগে ভরে রাখাই সুবিধাজনক, কারণ সেটাই খাপের কাজ করবে। ঢাউস ব্যাগে এমনি একটি কাজল পেনসিল বা লিপস্টিক ফেলে রাখলে তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু সমস্ত মেকআপের জিনিস ছোট্ট একটি চেনটানা ব্যাগে ভরে রাখলে, চট করেই হাতের কাছে পাওয়া যাবে।
টিস্যু থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার ভরে রাখুন অন্য একটি ব্যাগে। চার্জার, ইয়ার ফোনের জন্য থাক আলাদা ব্যাগ। তা হলে জিনিসপত্র ঘেঁটে এক হয় থাকবে না বড় খাপের ভিতরে।
২। যে জিনিসগুলি সবসময়েই লাগে, সেগুলি রাখতে হবে একটু উপরের দিকে। টিফিন বাক্স বা মেকআপের জিনিস নীচের দিকে থাকলেও অসুবিধা নেই। কিন্তু টাকার ব্যাগ, ফোন, লিপ বাম— যেগুলি সবসময়ে দরকার সেগুলি রাখতে হবে হাতের কাছে।
টোট ব্যাগের ভিতরে রাখতে পারেন এমন জিনিস, যেখানে জিনিস গুছিয়ে রাখা যায়। ছবি:সংগৃহীত।
৩। টোট ব্যাগে জিনিস রাখার সমস্যার সমাধান করতে পারে ব্যাগ অর্গানাইজ়ার। বড় ব্যাগের মধ্যে অনায়াসে ভরে ফেলা যায় এটি। এতে থাকে নানা ধরনের ছোট বড় খাপ। কোনওটিতে রোদচশমা রাখা যায়, কোনটিতে লিপস্টিক থেকে চার্জার। এই জিনিসটি কিনেও টোট ব্যাগের ভিতরে বসিয়ে রাখতে পারেন।
৪। কিছু কিছু টোট ব্যাগের বাইরের দিকে চেন টানা অপেক্ষাকৃত ছোট খাপ থাকে। তার মধ্যে টাকা-পয়সা-সহ প্রয়োজনের ছোটখাটো জিনিস রাখতে পারেন।