ঝালে-ঝোলেই বাঙালির রান্না। তাই রোজের হেঁশেলে কাঁচালঙ্কার অবারিত ব্যবহার।

ঝাল খেতে পারলে তো কথাই নেই, চেরা লঙ্কা থেকে শুরু করে বাটা লঙ্কা— রান্নার মশলায় যোগ করে আলাদা মাত্রা। কম ঝাল খান কিংবা ঝাল খেতে পারেন না, এমন মানুষও রান্নায় আলাদা গন্ধ ও ঝাঁজ আনতে নিদেনপক্ষে একটা গোটা কাঁচালঙ্কা দেন।  অর্থাৎ লঙ্কা-বিনা রান্নাঘর প্রায় নেই বললেই চলে। আবার রোজের লঙ্কা রোজ কিনে আনাও মুশকিলের। তাই অনেকেই বাজারে গিয়ে অনেকটা লঙ্কা একসঙ্গে কিনে আনেন।

কিন্তু লঙ্কা দীর্ঘ দিন ঘরে জমিয়ে রাখার অনেক সমস্যা। সহজেই লঙ্কা শুকিয়ে যায়। নষ্টও হয়ে যায় সহজে। ফ্রিজে রাখলে সাময়িক তাজা থাকলেও একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে তা শুকিয়েই যায়। দীর্ঘ দিন লঙ্কা মজুত রাখতে চাইলে কিছু উপায় অবলম্বন করুন। এতে লঙ্কাকে রাখতে পারবেন সতেজ।  জেনে নিন সে সব উপায়—

আরও পড়ুন: যে আইসক্রিমটা খান সেটা ভ্যানিলাই তো?

বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনো সন্তানকে এ সবও বলেন না কি? তা হলে সাবধান

লঙ্কার বৃন্ত ছিঁড়ে সঞ্চয় করলে সহজে শুকোয় না। ছবি: আনস্প্ল্যাশ।

  • বায়ুরুদ্ধ কোনও ঢাকা পাত্র থাকলে তাতে রাখুন কাঁচালঙ্কা। রাখার আগে পাত্রের নীচে হালকা নরম কাপড় বিছিয়ে দেবেন। লঙ্কার বৃন্ত ছিঁড়ে রাখুন। এতে লঙ্কা সহজে পচে না। এ বার মুখ বন্ধ পাত্রটি অন্য আর একটি নরম কাপড়ে ঢেকে নিন। বাড়ি থেকে দীর্ঘ দিনের জন্য কোথাও বেড়াতে গেলেও এই ভাবে রেখে যেতে পারেন কাঁচালঙ্কা। এর পর এই পাত্র ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখতেও পারেন।
  • আরও ভাল ফল পেতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেঁচিয়ে রাখুন লঙ্কা। অনেকেই বাড়িতে অ্যালুমিনিয়ামের ফয়েলে টিফিন প্যাক করেন। তেমন ফয়েলে বৃন্তহীন লঙ্কা রাখুন। ভাল করে মুড়ে দিন তার দু’দিক।  এর পর তাকে চালান করে দিন ফ্রিজে। ৫ ঘণ্টা রাখার পর ফ্রিজ থেকে বার করে বায়ুরোধক পাত্রে ঢুকিয়ে ফের রেখে দিন প্রিজে। এই উপায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কাঁচালঙ্কাকে তাজা রাখবে।
  • চেন টানা ছোট ব্যাগে রাখতে পারেন লঙ্কা। এ ক্ষেত্রেও লঙ্কার বৃন্ত ছিঁড়ে নেবেন। এই ব্যাগ ফ্রিজে রাখুন।

তবে মনে রাখবেন, যে উপায়ই অবলম্বন করুন না কেন, তাতে দিন দশেকের বেশি লঙ্কাকে তাজা রাখা যায় না। তাই দিন দশেক ব্যবহার করার মতোই লঙ্কা কিনুন এক বারে।