নতুন প্রজন্মের জীবনে প্রেম সরস্বতী পুজো বা দুর্গাপুজোর হাত ধরে আসে না। কোচিং ক্লাসে গিয়ে প্রেমে পড়াও অতীত। এখন প্রেম হয় ডেটিং সাইটে বা সমাজমাধ্যমে। কফি ডেট, গল্প, হাত ধরা— সব কিছুই হয় বড় তাড়াতাড়ি। সেই তাড়াহুড়োতেই কিন্তু পিছলে যেতে পারে পা।
সম্পর্কের বাঁধন মজবুত হওয়ার আগে বেশি প্রেম প্রদর্শনেই হতে পারে বিপত্তি! প্রেমে হাবুডুবু খেলেও কিছু বিষয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি, মনে করেন আমেরিকান ডেটিং কোচ কেলসি ওয়ান্ডারলিন। কী সেই পরামর্শ?
নিজের গুরত্ব না কমানো: সাক্ষাতের জন্য সময় নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে একটু নমনীয় হওয়াই যায়, তবে দেখা করার জন্য নিজের কাজ পণ্ড করা অর্থহীন। নিজের কাজের সময় বজায় রেখেই দেখা করা, ঘোরাঘুরির পরিকল্পনা করা ভাল। এতে কাজ এবং নিজের ভাবনার গুরুত্বের জায়গাটা স্পষ্ট করে দেওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
বার্তালাপ হোক সীমাবদ্ধ: প্রেমে পড়লে সময়জ্ঞানের হুঁশ থাকে না। কথার পিঠে কথা চলতে থাকে। বার্তালাপ বা ভয়েস মেসেজেও কথোপকথন চলে। তবে দিনভর মেসেজ না করে দিনের কিছুটা সময় নির্দিষ্ট করে নেওয়া যায়।
ধীরে চলো নীতি: দু'তিন বার সাক্ষাতের পরে যখন ভাললাগা জন্মাতে শুরু করেছে, তখন দিনভর একসঙ্গে না কাটিয়ে বরং কিছুটা সময় নির্দিষ্ট করে নেওয়া যায়। ধীরে সুস্থে একে-অপরকে বুঝে নেওয়া জরুরি। সম্পর্ক পোক্ত হলে দীর্ঘ সময় কাটানোর জন্য আরও দিন থাকবেই।
মনের সংযোগ: মনের সংযোগ কতটা গভীর হচ্ছে, বুঝে নেওয়া জরুরি। মনের যোগ না হলে সেই সম্পর্ক ভবিষ্যতে কত দূর এগোতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। ঘনিষ্ঠতার আগে মন বোঝা জরুরি, মত ডেটিং কোচের।
আচরণ: কারও কথায় মুগ্ধ না হয়ে, বর্তমানে তিনি কী করছেন, সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর দিক থেকে কতটা আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে ভাল কিছুর আশায় অনেক সময় প্রেমে ভেসে যান এক পক্ষ। কিন্তু বর্তমানের সাপেক্ষেই তা বিচার্য হওয়া জরুরি।