সম্পর্কে থাকা আর প্রেমে পড়ার মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। প্রেমে পড়ার সময়গুলো যতটা পেলব, একটা সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া মোটেই তেমন নয়। প্রেমে পড়লেই যে সম্পর্কে তা পরিণতি পাবে, তারও কোনও মানে নেই। আবার প্রেম চলতে চলতে হঠা়ৎ ছন্দপতন হলে অনেক সময়ই যোগাযোগ কমে, দেখা সাক্ষাতও তলানিতে এসে ঠেকে। এতেও সব সময় বোঝা যায় না আদৌ সম্পর্কটা আর আছে কি না। তবে সম্পর্ক নিয়ে সকলের স্বচ্ছ ধারণা থাকা উচিত বইকি।

অনেক সময়ে দেখা যায়, এক পক্ষ মনে করেন যে সম্পর্কে রয়েছে, কিন্তু অন্য পক্ষের ব্যবহার বুঝিয়ে দেয় প্রেম-প্রেম ব্যাপার থাকলেও সেটা আদতে সম্পর্ক নয়। দু’জনের মধ্যে বোঝাপড়া থাকলে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু এক জনের স্পষ্ট করে জানানোর অভাবে সম্পর্ক যদি ঝুলে থাকে তা হলে তা মোটেই সুখের হয় না।

আপনাকেও কি এমন কোনও পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে? কয়েকটি লক্ষণ খতিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন, সঙ্গী ঠিক কী চাইছেন। দেখে নিন সঙ্গীর মনোভাব জানার কৌশল।

আরও পড়ুন: সিগারেটে আসক্তি? ক্যানসার বা হার্টের অসুখ ছাড়াও রয়েছে এ সব ভয়

আরও পড়ুন: আম খাচ্ছেন? ডায়াবিটিস বা ওবেসিটি থাকলে কতটা খাওয়া যায় জানেন?

  • ঝুলিয়ে রাখার মানসিকতা থাকলে সঙ্গী কখনও তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আপনার পরিচয় করাবেন না। কারণ আপনার সঙ্গী এই সম্পর্ক নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান, এমনকি, এটা আদৌ সম্পর্ক কি না তা নিয়েও তিনি ধন্দে আছেন।

  • এরা নিজেদের খুবই স্বাধীনচেতা ও ভবঘুরে হিসেবে দেখাতে চান। যাঁরা ঝুলিয়ে রাখতে পছন্দ করেন সম্পর্কে তাঁরা কখনওই কোনও কমিটমেন্টের প্রসঙ্গে সোজাসাপটা উত্তর দেন না। নানা ভাবে এই ধরনের প্রশ্ন উদাসীন হয়ে এড়িয়ে যান। মনোবিদদের মতে, এঁরা জেনেবুঝেই সবটা করেন। কিন্তু এই নিয়ে প্রশ্ন তুললে এঁরা দুর্ব্যবহার করতে শুরু করে দেন।

  • সম্পর্কে থাকলে পরস্পরের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে নিশ্চয়ই থাকবে। লক্ষ্য করে দেখবেন এঁরা নিজেদের সুবিধা মতো ছাড়া আপনার সঙ্গে কখনওই দেখা করবেন না।

  • এদেরকে আপনি প্রয়োজনে সঙ্গে সঙ্গে খুব কমই পাবেন। এঁরা এই সম্পর্কটায় অসম্পূর্ণ ভাবে জুড়ে থাকছেন কারণ আপনাকে হয় একটা বিকল্প হিসাবে তিনি ভেবে রাখছেন, অথবা সন্দিহান রয়েছেন বলেই এমন ব্যবহার করছেন।

  • সম্পর্কে ঝুলিয়ে রাখার অন্যতম লক্ষণ হল, এঁরা কখনওই আপনার মেসেজ বা ফোনের উত্তর একবারে দেবেন না। আপনাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখবেন।

  • এঁরা নিজের মর্জি অনুযায়ী আপনার সঙ্গে কথা বলবেন। নিজের মেজাজ ভাল হলে আপনার সঙ্গে এত গদগদ হয়ে কথা বলবেন, যে আপনি ভাববেন এই তো আমার স্বপ্নের মানুষ। কিন্তু আবার দেখবেন ২-৩ দিন তাঁর কোনও পাত্তা নেই। অর্থাৎ বুঝবেন ব্যাপারটা মোটেই সিরিয়াস সম্পর্ক নয়।