Advertisement
E-Paper

একটি কালো ডিম খেলেই আয়ু বেড়ে যাবে ৭ বছর! স্রেফ গুজব, না কি কোনও রহস্য?

জাপানের ওয়াকুদানি উপত্যকার কালো ডিমগুলি কেবল স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প নয়! ওই ডিম খেলে না কি আয়ু বেড়ে যায়। কালো ডিমের নেপথ্যে লুকিয়ে কোন রহস্য?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫১
কালো ডিমের নেপথ্যে লুকিয়ে কোন রহস্য?

কালো ডিমের নেপথ্যে লুকিয়ে কোন রহস্য? ছবি: সংগৃহীত।

ডিমের মতো পুষ্টিকর খাবার খুব কমই আছে। কিন্তু ডিমের কি আয়ু বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতাও আছে? জাপানের ওয়াকুদানি উপত্যকার কালো ডিমগুলি কেবল স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প নয়, ওই ডিম খেলে নাকি আয়ুও বেড়ে যায়।

বিষয়টি শুনলে গল্প মনে হতে পারে। আসলে পুরোটাই জাপানের হাকোনে অঞ্চলের ওয়াকুদানি উপত্যকার স্থানীয় লোকেদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া এক ধারণা। তবে বিষয়টির কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মেলেনি। কিন্তু ধারণাটি এতটাই প্রচলিত যে হাজার হাজার পর্যটক ওয়াকুদানি উপত্যকায় এসে ভিড় করেন শুধুমাত্র এই কালো ডিম এক বার চেখে দেখার জন্য। কথিত আছে ওয়াকুদানি উপত্যকার উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করলে নাকি নানা অসুখ-বিসুখ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, ফলে আয়ুও বাড়ে। পরবর্তী কালে সেই লোককথার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে ডিম। যার আদৌ কোনও সত্যতা নেই। একটির বদলে দু’টি ডিম খেয়ে নিলেই নাকি প্রথম ডিমের গুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে— স্থানীয়দের মধ্যে এমন ধারণাও প্রচলিত।

ডিম কালো হওয়ার নেপথ্যে লুকিয়ে কোন রহস্য?

ওয়াকুদানি উপত্যকার ডিমের গুণাগুণ আর পাঁচটা মুরগির ডিমের মতোই। কিন্তু এই ডিমগুলিকে উষ্ণ প্রস্রবণের জলে সেদ্ধ করা হয়। এই জলে সালফার আর আয়রনের মাত্রা অনেকটাই বেশি। এই যৌগগুলি ডিমের খোসার সঙ্গে বিক্রিয়া করে আয়রন সালফাইড তৈরি করে। আয়রন সালফাইডের কারণেই ডিমের খোসাগুলি একে বারে কালচে হয়ে যায়। তবে ডিমর ভিতরের অংশের রঙের কোনও পরিবর্তন হয় না। শুধু ডিম সেদ্ধ খাওয়ার সময় নাকে আসে সালফারের তীব্র গন্ধ। তবে এই ডিম খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। ডিমের খোসা ছাড়ানোর পর তাতে কোনও রকম টক্সিন, ধাতু আর রাসায়নিকের প্রভাব থাকে না।

Bizarre
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy