পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রোজকার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিজেকে ও ঘরকে পরিষ্কার রাখতে জামা কাপড়ের পরিচ্ছন্নতার দিকটিতেও নজর দেওয়া উচিত।

ব্যস্ততা যতই থাক, যে পোশাক পরছেন বা আলমারিতে রাখছেন তা কতটা পরিষ্কার, তা দেখে নেওয়া উচিত। অনেকেই আছেন, যাঁরা ছাড়া পোশাক জড়ো করে রাখেন। জমতে জমতে সেই পোশাকের পাহাড় হয়ে যায়। আর তখন একবারে এত পোশাক কাচা পাহাড় কাটার মতোই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

পোশাকে বিশেষ করে কোনও কিছুর দাগ লেগে গেলে, সেই পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করা আরও কঠিন হয়ে যায়। তবে সব সমস্যারই সমাধান রয়েছে। জেনে নিন জামা কাপড় কাচার ক্ষেত্রে কী করবেন, কী করবেন না-

আরও পড়ুন: ফ্লু-এর সময়ে মুখে স্বাদ নেই! এই খাবারগুলি ডায়েটে রেখে সুস্থ থাকুন​

কী করবেন

১) সব ডিটারজেন্টই এক রকমের কার্যকরী হয় না। মালটিপারপস ডিটারজেন্ট কিনুন, যাতে সেই ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় কাচলে দাগও ওঠে আবার পোশাকের ক্ষতিও না হয়। বিশেষ করে জামার কলারের দাগ পরিষ্কার হচ্ছে কি না দেখুন।

২) কতটা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন, তার উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেকে মনে করেন, বেশি ডিটারজেন্ট ব্যবহার করলেই পরিষ্কার বেশি হয়। এ ধারণা ভুল। বরং এতে পোশাকের ক্ষতি হতে পারে।

৩) জিন্স বা কালো টি শার্ট বা যে ধরনের কাপড়ের রং মলিন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেগুলি উল্টো করে কাচুন। এতে কাপড় ও রং দুটোই ভাল থাকে।

৪) ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ারে ভিজে পোশাক ঢোকানোর আগে সেগুলিকে ভাল করে ঝাঁকিয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এতে কাপড়ের মান ভাল থাকবে। কুঁচকে যাবে না।

আরও পড়ুন: সস্তার এই ফলেই আছে গরম থেকে শরীরকে বাঁচানোর উপায়​

কী করবেন না

১) পোশাকে কোনও দাগ লেগে গেলে অপেক্ষা করবেন না। সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলুন। না হলে দাগ বসে যাবে।

২) ওয়াশিং মেশিনে কাচলে ওভারলোড করবেন না। একসঙ্গে অনেক পোশাক কাচলে তা ঠিক মতো পরিষ্কার হয় না।