• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মরকজে এত দিন ধরে এত লোক কেন? বিপর্যয় এলে দায় কার?

Corona
ছবি পিটিআই।

এতটা কড়া মন্তব্য অরবিন্দ কেজরীবাল করবেন, ভাবতেই পারছেন না মরকজ নিজামউদ্দিনের মাথারা। করোনা সংক্রমণ নিয়ে প্রশাসন বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও হাজার দু’য়েক লোককে দিনের পর দিন একটা সাততলা বাড়ির মধ্যে রেখে দেওয়ার ঘটনাকে ‘সাংঘাতিক দায়িত্বজ্ঞানহীনতা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। মরকজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের নির্দেশও দিয়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু কেজরীবালের নিজের প্রশাসন কি যথেষ্ট সতর্ক ছিল? কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা দিল্লি পুলিশও কি কাঙ্খিত ভূমিকা নিয়েছিল? তবলিগ জামাত ফেরত ৭ জনের মৃত্যুর পরে সে সব প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

মরকজ নিজামউদ্দিন অবশ্য ‘দায়িত্বজ্ঞানহীনতা’র অভিযোগ এখনও অস্বীকার করছে। সেখানে করোনা আক্রান্ত রোগীরা ছিলেন বা সেখান থেকে রোগ সংক্রমণের কারণেই ফিরে গিয়ে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে— এ সব খবরকে মঙ্গলবারও ‘গুজব’ আখ্যা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবলিগ জামাতের এই কর্মসূচি প্রতি বছরই অনুষ্ঠিত হয়, সে কথা ঠিক। এই অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ প্রায় এক বছর আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে, সে কথাও মিথ্যা নয়। ওই ধর্মীয় সমাবেশে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, আচমকা লকডাউন ঘোষিত হওয়ায় তাঁরা আর ফিরে যেতে পারেননি বলে মরকজের তরফ থেকে এখন দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু লকডাউনের অন্তত দিন দশেক আগেই যে কর্মসূচি মিটে গিয়েছিল, সেই কর্মসূচির লোকজন কেন ২৪ মার্চ পর্যন্ত মরকজ নিজামউদ্দিনে ভিড় জমিয়ে রেখেছিলেন? এই প্রশ্নের জবাব তবলিগ জামাতের আয়োজকদের কাছে নেই। লকডাউন ঘোষণার আগেই মরকজ নিজামউদ্দিনের ওই জমায়েত খালি করার ব্যবস্থা কেন করা হল না, সে প্রশ্নের জবাব আবার প্রশাসনের কাছে নেই। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে, প্রশাসন এবং মরকজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে দায় ঠেলাঠেলি শুরু হয়ে গিয়েছে। মরকজ নিজামউদ্দিনের জমায়েত দেশের করোনা পরিস্থিতিকে এক ধাক্কায় কতটা জটিল এবং আশঙ্কাজনক করে তুলেছে, এই দায় ঠেলাঠেলিই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আরও পড়ুন: বিদেশ থেকে আসা ধর্মপ্রচারকদের মাধ্যমেই করোনা পৌঁছয় নিজামউদ্দিনে

দিল্লি সরকারের সূত্রে এ দিন দাবি করা হয়েছে, ৮ মার্চ থেকে ১০ মার্চের মধ্যে তবলিগ জামাতের ধর্মীয় সমাবেশ শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউন ঘোষণা করেছেন ২৪ মার্চ। এর মাঝে যে ১৪ দিন, সেই সময়টায় হাজার দুয়েক লোক কেন ঘাঁটি গেড়ে থাকলেন মরকজ নিজামউদ্দিনে? প্রশ্ন তুলছে প্রশাসন। তবে তবলিগ বা মরকজের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা, তাঁদের কেউ কেউ বলছেন, ১০ মার্চ নয়, কর্মসূচি শেষ হয়েছিল ১৪ মার্চ নাগাদ।

আরও পড়ুন: নিজের আয় থেকে ১০ লক্ষ, করোনাযুদ্ধে মোদীর তহবিলেও টাকা দিলেন মমতা

যদি ১৪ মার্চও শেষ হয়ে থাকে তবলিগ জামাতের কর্মসূচি, তা হলেও পরবর্তী ১০ দিন ধরে দিল্লিতেই ওই হাজার দুয়েক লোকের পড়ে থাকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তার কয়েক দিন আগেই ছিল হোলি। করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষিতে এ বার হোলি না খেলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। কেন্দ্র হোক বা রাজ্য, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরই হোলির জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছিল। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন যে, এ বার হোলি খেলবেন না। চিন, ইটালি-সহ বিভিন্ন দেশে যখন করোনা আতঙ্কে হাহাকার শুরু হয়ে গিয়েছে, ভারত সরকারও যখন সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেছে, তখন এত বড় একটা জমায়েত কেন করা হল? এই প্রশ্ন তুলছে কেজরীবালের সরকার। প্রশ্ন তুলছে কেন্দ্রও। যত দিন আগেই কর্মসূচি নির্ধারিত হোক, পিছিয়ে দেওয়া উচিত ছিল বলে প্রশাসনিক কর্তা মন্তব্য করছেন। পরীক্ষা স্থগিত হচ্ছে, সর্বভারতীয় স্তরের টুর্নামেন্ট স্থগিত হচ্ছে, অলিম্পিক গেমস পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়েও তখন চৰ্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একটা ধর্মীয় জমায়েত পিছিয়ে দেওয়া গেল না? পিছিয়ে যদি না-ও দেওয়া যায়, তা হলে অন্তত কর্মসূচি শেষ হতেই সকলকে দিল্লি ছাড়তে বলা উচিত ছিল— মত দিল্লির প্রশাসনের। কেন কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরেও এত দিন মরকজ নিজামউদ্দিনে ভিড় জমিয়ে রাখা হল? প্রশ্ন প্রশাসনের।

কিন্তু সরকার বা প্রশাসন কি নিজেদের দায় পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারবে? মরকজ নিজামউদ্দিনের পাশেই কিন্তু হজরত নিজামউদ্দিন থানা। বড় জমায়েত নিয়ে যখন গোটা দেশকে সতর্কবার্তা দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে, তখনও যে মরকজের সাততলা বাড়িতে কয়েক হাজার লোক জমায়েত করে রয়েছেন, সে দিকে কি পুলিশের নজর পড়েনি? শুধু তো দেশের নাগিরকরা নন, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা-সহ বিভিন্ন দেশের নাগিরকরা তো এই তবলিগ জামাতে হাজির হয়েছিলেন। এত জন বিদেশি নাগরিক যেখানে একসঙ্গে জমা হচ্ছেন, সেখানে কি পুলিশ এবং অন্যান্য সরকারি এজেন্সির নজরদারি আরও বেশি করে থাকা উচিত ছিল না? কত জন রয়েছেন, তাঁরা কী কাজে এসেছেন, কাজ মিটে গিয়েছে কি না, মিটে গিয়ে থাকলে কেন এখনও রয়ে গিয়েছেন? এ সব দিকে প্রশাসনের লক্ষ্য থাকা উচিত ছিল না? প্রশ্ন তুলছেন দিল্লিবাসীদের অনেকেই। করোনা ঠেকাতে বিদেশি নাগরিকদের আনাগোনার উপরে যখন সতর্ক নজর রাখা হচ্ছিল পৃথিবীর নানা দেশে, তখন ভারত সরকার কী করছিল? এত জন বিদেশি নাগরিক যে ঢুকেছিলেন দিল্লিতে, তাঁদের কি যথাযথ পরীক্ষা করে ঢোকানো হয়েছিল? তাঁরা কেউ করোনার বাহক বা করোনা আক্রান্ত হয়ে ঢুকছেন কি না, দেখে নেওয়া হয়েছিল? এ সব প্রশ্নও তোলা হচ্ছে।

দিল্লির যে এলাকায় এই কাণ্ড হয়েছে, সেই এলাকা কিন্তু কোনও পিছিয়ে পড়া এলাকা নয়। ওই অঞ্চলের এক দিকে ঝুপড়ি এলাকা রয়েছে ঠিকই। কিন্তু মরকজ নিজামউদ্দিন সংলগ্ন একটা বড় অংশই উচ্চবিত্ত এলাকা। দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর বাড়ি ওই এলাকায়। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের পুত্র তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সন্দীপ দীক্ষিতও ওই এলাকারই বাসিন্দা। এই রকম হাইপ্রোফাইল লোকজনের বাস যেখানে, সেখানেই যদি প্রশাসন এত ঢিলেঢালা আচরণ করে, তা হলে মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত এলাকায় প্রশাসনিক কর্তাদের আচরণ কেমন হবে? এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে কোনও কোনও মহলে।

মরকজ থেকে যাঁরা ফিরে গিয়েছেন নিজের নিজের রাজ্যে, তাঁদের মধ্যে ছ'জনের মৃত্যু হয়েছে তেলঙ্গানায়। একজনের মৃত্যু হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল জানিয়েছেন, মরকজ থেকে যাঁদের বার করে আনা হয়েছে, তাঁদের অন্তত ৪১১ জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা গিয়েছে। পরীক্ষা করে ইতিমধ্যেই ২৪ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ফলে হাজার দেড়েক লোককে মরকজ থেকে বার করে কোয়রাণ্টিনে পাঠানো হয়েছে। দিল্লির বিভিন্ন এলাকাতেই তাঁদের রাখা হয়েছে।

কিন্তু যাঁদের কোয়রাণ্টিনে পাঠানো যায়নি, মরকজ থেকে বেরিয়ে যাঁরা নিজের নিজের এলাকায় ফিরেছেন, তাঁদের কী হবে? তাঁরা কতজনকে সংক্রামিত করতে করতে গিয়েছেন, নিজেদের এলাকায় তাঁরা কাদের সঙ্গে মিশছেন, সে সব এখনও জানা যায়নি। পরিস্থিতি ভাবলে শিউরে উঠতে হচ্ছে বলে কেজরীবাল এ দিন মন্তব্য করেছেন।

মরকজ নিজামউদ্দিন কিন্তু উল্টো কথা বলছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের দীর্ঘ প্রেস বিবৃতি সামনে এসেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে যে, কোনও বিধি তবলিগ জামাত ভাঙেনি। স্থানীয় এসডিএম কতবার তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, কবে ডিএম তাঁদের বৈঠকে ডেকেছিলেন, লকডাউন ঘোষণা হতেই পুলিশ কী ভাবে মরকজ নিজামউদ্দিন চত্বরে তালা লাগাতে বলেছিল, কী ভাবে তার পরেও প্রশাসনের সঙ্গে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন, কী ভাবে চিকিৎসকদের ঢুকতে দিয়েছেন— এমন নানা ফিরিস্তি মরকজ নিজামউদ্দিন কর্তৃপক্ষ তুলে ধরেছেন নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে। লকডাউনের মাঝেই যাতে মরকজ নিজামউদ্দিন খালি করা যায়, তার জন্য কিছু গাড়ি চলতে দেওয়ার অনুরোধ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছিল, কিন্তু অনুমতি এখনও মেলেনি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অর্থাৎ আচমকা লকডাউন ঘোষণা এবং তার পরে প্রশাসনের অসহযোগিতা— এর জেরেই বহু লোককে মরকজ নিজামউদ্দিনে আটকে থাকতে হয়েছিল বলে ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজকদের দাবি। সুতরাং কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লির সরকার, উভয়ের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছে মরকজ।

কিন্তু সত্যিই কি ঘটনা সে রকম? তবলিগ জামাত বা মরকজ নিজামউদ্দিন কি কোনও ভাবেই দোষী নয়?

ওয়াকিবহাল মহল কিন্তু তা বলছে না। সিপিএমের সর্বভারতীয় স্তরের নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ মহম্মদ সেলিমের কথায়, "দু'তরফেই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা রয়েছে। একটা সাংঘাতিক কাণ্ড হল। এবং কোনও পক্ষই এর দায় এড়াতে পারবেন না।"

মরকজ নিজামউদ্দিনের ভূমিকা নিয়েই প্রথমে প্রশ্ন তুলছেন সেলিম। তিনি বলছেন, "মার্চের ১৩-১৪ তারিখ নাগাদ করোনা নিয়ে গোটা বিশ্বে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক তখনও হেল্থ ইমার্জেন্সি ঘোষণা করেনি, সে কথা ঠিক। কিন্তু তা হলেও ওই সময়ে অত বড় জমায়েত করা উচিত হয়নি।"

এর পরে কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লির সরকারের ভূমিকা নিয়ে মুখ খুলেছেন সেলিম। আগে থেকে কাউকে কিছু না জানতে দিয়ে আচমকা লকডাউন ঘোষণা করলে এ রকম হতে বাধ্য বলে তাঁর মত। সেলিম বলছেন, "প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল আগে থেকে লকডাউনের তারিখ ঘোষণা করে, ৪-৫ দিনের একটা সময় দেওয়া। সবাই যাতে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন। এটা তো নোটবন্দি নয় যে, আগে থেকে ঘোষণা করলে লোকে টাকা মেরে দেবে। কত মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে বাইরে রয়েছেন, একটানা লকডাউন চললে তাঁদের কী সমস্যা হতে পারে, আর কোথায় কোথায় কাদের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, প্রতিদিন কতজন যাতায়াতের পথে থাকেন--- এ সব জেনে নিয়ে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।"

প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় নেই বলেও সেলিমের দাবি। যদি দিল্লির সরকার আর কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে ঠিক মতো সমন্বয় থাকত, যদি পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকত, যদি সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরকারকে জানাত যে, কোথায় কাদের আটকে পড়ার আশঙ্কা থাকছে, তা হলে এ রকম হত না। সেলিমের কথায়, "কারও সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে এমনই হয়।"

সেলিম যা বলছেন, দিল্লিবাসীদের একাংশও কিন্তু সে কথাই বলছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগ নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করল না বলে তাঁদেরও মত।

কিন্তু মরকজ নিজামউদ্দিন কর্তৃপক্ষ যা বলছেন, তা আরও দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং বিভ্রান্তিকর। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যে বিবৃতি তাঁরা প্রকাশ করেছেন, তাতে করোনা প্রসঙ্গ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। মরকজ নিজামউদ্দিনের থেকে করোনা আক্রান্ত লোকজনকে পাওয়া গিয়েছে বলে যা শোনা যাচ্ছে, তা আসলে সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব, দাবি মরকজ নিজামউদ্দিনের। ওই ধর্মীয় জমায়েত থেকে ফিরে ইতিমধ্যেই ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মরকজ নিজামউদ্দিন থেকে যাঁদের বার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৪১১ জনের করোনার উপসর্গ রয়েছে ও ২৪ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার খবর এসেছে বলে দিল্লি সরকার জানাচ্ছে। কারা মরকজ নিজামউদ্দিন থেকে ফিরলেন, প্রত্যেকটা রাজ্য প্রশাসন হন্যে হয়ে খুঁজতে শুরু করেছে। কিন্তু মরকজ এখনও বলে যাচ্ছে, ও সব গুজব। এই বিভ্রান্তি যে আরও বড় ক্ষতি তথা বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে, সে কথা কি বোঝেন মরকজ নিজামউদ্দিনের কর্তারা? নাকি সে দায়ও ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা চলছে?

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন