• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাড়ছে স্ক্রিনটাইম, অনলাইন ক্লাসের সময় বেঁধে দিল কেন্দ্র

Online Class
প্রতীকী ছবি। —শাটারস্টক

করোনাভাইরাসের জন্য বন্ধ স্কুল। চলছে অনলাইন ক্লাস। কিন্তু বহু স্কুল বহুক্ষণ ধরে অনলাইন ক্লাস নিচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই প্রবণতা আটকাতেই এ বার স্কুল স্তরে অনলাইন ক্লাসের সময়সীমা বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ মন্ত্রক। ‘প্রাজ্ঞতা’ নামে ওই গাইডলাইনে পড়ুয়াদের ‘স্ক্রিন টাইম’ কমিয়ে আনার কথা বলেছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ মন্ত্রক।

গাইডলাইন প্রকাশ করে মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক বলেছেন, ‘‘অতিমারির মোকাবিলায় স্কুলগুলিকে ক্লাস শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণের পন্থা পরিমার্জন করতে হবে এবং নতুন ভাবে ভাবতে হবে এবং সেগুলি প্রয়োগ করতে হবে। বাড়ি ও স্কুলের সংমিশ্রণে সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে উচ্চমানের শিক্ষাদান করতে হবে।’’ তিনি আরও বলেছেন, শিক্ষার্থীদের দিকটিকে প্রাধান্য দিয়েই এই গাইডলাইন তৈরি হয়েছে।

নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী প্রাক প্রাথমিক স্তরে দিনে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের বেশি অনলাইন ক্লাস নেওয়া যাবে না। প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত দু’টি সেশনে ক্লাস করানো যাবে। প্রতিটি সেশনের মেয়াদ ৪৫মিনিটের বেশি হবে না। অন্য দিকে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি সেশনের কথা বলা হয়েছে নয়া গাইডলাইনে। এক একটি সেশনের মেয়াদ ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শৃঙ্খল আটকাতে ২৫ মার্চ থেকে সারা দেশে লকডাউন জারি হয়েছিল। তারও আগে ১৬ মার্চ থেকেই গোটা দেশে স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্কুল খোলেনি। কত দিনে খুলবে, সে বিষয়েও এখনও কোনও স্পষ্ট দিশা নেই। এই পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের পঠনপাঠনে যাতে ক্ষতি না হয়, তার জন্য অনলাইন ক্লাস শুরু করেছে অধিকাংশ স্কুল।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিকে পাশের হারে রেকর্ড, প্রথম পূর্ব বর্ধমানের অরিত্র পাল

আরও পড়ুন: জেলা ৮৪, কলকাতা ০, দেখে নিন সম্পূর্ণ মেধাতালিকা

মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের হিসেবে সারা দেশে প্রায় ২৪ কোটি স্কুলপড়ুয়া রয়েছে। কিন্তু এই পডু়য়াদের অনলাইন ক্লাস নিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠছিল, বহুক্ষণ ধরে ক্লাস নেওয়ার। অনেক স্কুল নিয়মিত স্কুলের মতোই ৬-৭ ঘণ্টা পর্যন্ত ক্লাস করাচ্ছিল। তাতে স্ক্রিনটাইম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতি হচ্ছিল পড়ুয়াদের। এই নিয়ে অভিভাবক মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকেও বিষয়টি নিয়ে নড়াচড়া শুরু হয়। তার পরেই এই নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রক।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন