• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মেয়াদ পূর্তির আগেই পদত্যাগ করতে পারেন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা

Ashok Lavasa
—ফাইল চিত্র।

মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে পারেন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা। ফিলিপিন্সের এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)-র ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হয়েছেন তিনি। সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বুধবার তাঁর নিযুক্তির কথা জানানো হয়েছে। সেই দায়িত্ব বুঝে নিতে খুব শীঘ্র নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন লাভাসা।

গতবছর লোকসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ থেকে নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকে ছাড় দেওয়ায় আপত্তি জানান অশোক লাভাসা। তার পর তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার একাধিক অভিযোগ ওঠে। তাঁর ছেলে যে সংস্থার ডিরেক্টর, সেখানেও হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।    

তাঁকে সততার মূল্য দিতে হচ্ছে বলে সে সময় মন্তব্য করেছিলেন লাভাসা। তিনি বলেন, ‘‘সততার মূল্য দিতেই হয়। তার জন্য তৈরি থাকতে হবে। তাতে সরাসরি ব্যক্তিবিশেষের বা  পারিপার্শ্বিক ক্ষতি হতে পারে। এ সবই সততারই অঙ্গ।’’

আরও পড়ুন: করোনা: সচেতনতা বাড়াতে বেশি কার্যকরী সেলেবদের ভিডিয়ো, বলছে সমীক্ষা​

তার পরেও নির্বাচন কমিশনারের পদ ছাড়েননি তিনি। ২০২২-এর অক্টোবরে অবসর নেওয়ার আগে ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন করানোর কথা ছিল তাঁর। আগামী দু’বছরে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, মণিপুর, গোয়া-সহ আরও বেশ কিছু রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্বও ছিল তাঁর হাতে। তার আগেই ফিলিপিন্সের ওই ব্যাঙ্কে তাঁর নিযুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।

ফিলিপিন্সের ওই ব্যাঙ্কটিতে এই মুহূর্তে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে রয়েছেন আর এক ভারতীয়, দিবাকর গুপ্ত। আগামী ৩১ অগস্ট তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে ভারত সরকারের তরফে লাভাসার নাম সুপারিশ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি লাভাসা। তিনি ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করে দিয়েছেন কি না, তা-ও নির্দিষ্ট ভাবে জানা যায়নি।

আরও পড়ুন: বিধায়ক খুন হননি, অপপ্রচার চলছে: রাষ্ট্রপতিকে চিঠি মমতার​

তবে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে যাতে কোনও বাধার মুখে না পড়তে হয়, তার জন্যই পরিকল্পনামাফিক লাভাসাকে নির্বাচন কমিশনারের পদ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে বলে ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এডিবি-তে ভাইস প্রেসিডেন্টের মেয়াদ কমপক্ষে তিন বছর। প্রয়োজনে তা বাড়ানোও হয়। অর্থাৎ দায়িত্ব হাতে নিলে আগামী কয়েক বছর দেশের বাইরেই থাকতে হবে তাঁকে।

এর আগে, ১৯৭৩ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নাগেন্দ্র সিংহ। আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে মেয়াদের আগেই ইস্তফা দেন তিনি।   

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন