দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ( জেএনইউ)-এর ছাত্র সংসদ দখলে এবিভিপির আশায় বড় ধাক্কা।সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক-চারটি পদেই জিতল বাম ছাত্র সংগঠনের জোট প্রার্থীরা। উল্লেখ্য, এ বার চারটি বাম ছাত্র সংগঠন (এসএফআই-এআইএসএ-এআইএসএফ-ডিএসএফ) একজোট হয়ে লড়াই করেছে ভোটে। অনেকটাই পিছিয়ে এবিভিপি।

সভাপতি পদে এবিভিপির ললিত পান্ডে পেয়েছেন ৯৭২টি ভোট। সেখানে বাম প্রার্থী এন সাই বালাজি পেয়েছেন ২১৫১ টি ভোট, জিতলেন ১১৭৯ ভোটে। অন্য দিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে বাম প্রার্থী অ্যায়জাজ ২৪২৬টি ভোট পেয়েছেন। এবিভিপি প্রার্থী গণেশ পেয়েছেন ১২৩৫ টি ভোট। বাম প্রার্থী জিতলেন ১১৯৩ ভোটে।

জেএনইউ-এর ছাত্র সংসদের ভোট ঘিরে দিন কয়েক ধরেণই তপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। তাদের সদস্যদের উপরে এবিভিপি দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে বলে শনিবারই অভিযোগ তুলেছিল বাম ছাত্র জোট। ক্যাম্পাসে দুষ্কৃতী ঢুকছে বলে দাবি করেছে তারা। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে এবিভিপি।

আরও পড়ুন: ‘চোখের মণিই’ নাটের গুরু! দাবি রাহুলের

জেএনইউয়ে ভোট হয়েছে ব্যালটে। চারটি বাম ছাত্র সংগঠন (এসএফআই-এআইএসএ-এআইএসএফ-ডিএসএফ) একজোট হয়ে লড়ছে এ বার। গণনা শুরুর পরে ভোররাতে গণনাকেন্দ্রে এবিভিপি হামলা চালায় বলে অভিযোগ তুলেছিল বামেরা। ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিভাগের দরজার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়েরও চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি। বামেদের দাবি, বিরোধী ছাত্র নেতা থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিটির সদস্যেরা— কেউই রেহাই পাননি এবিভিপি-র হামলা থেকে।

আরও পড়ুন: ‘অনার’ কিলিং তেলঙ্গানায়, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর সামনেই যুবককে খুন, ধরা পড়ল সিসিটিভিতে

অশান্তির জেরে শনিবার ভোর চারটে থেকে সন্ধে সাড়ে ছ’টা পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ ছিল ভোট গণনা। পরে ফের শুরু হয় গণনা। 

(কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাত থেকে মণিপুর - দেশের সব রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের দেশ বিভাগে ক্লিক করুন।)