ভেবেছিলেন, গ্রামের মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করবেন। সে জন্য আগে থেকেই প্রশাসনের অনুমতি নিয়েছিলেন। তবে বিয়ের দিন মন্দিরে ঢুকতেই পারলেন না মধ্যপ্রদেশের এক যুবক। দেখলেন, গেটে ঝুলছে তালা। ওই যুবকের অভিযোগ, দলিত সম্প্রদায়ের হওয়ার জন্যই তাঁকে মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মহকুমাশাসক কাশীরাম বড়োলে। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটেছে বুরহানপুরের বিরোদা গ্রামে। সেখানকার এক মন্দিরে বিয়ে করার জন্য সপরিবার হাজির হয়েছিলেন সন্দীপ গবালে। তবে বিয়ের দিন ওই মন্দিরের গেটে তালা ঝুলতে দেখা যায়। সন্দীপের অভিযোগ, তাঁকে মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেওয়ার জন্যই এ কাজ করা হয়েছে। এর পিছনে মন্দিরের ট্রাস্টির হাত রয়েছে বলেও দাবি তাঁর। সন্দীপের অভিযোগ, ‘‘গ্রামের একটা অংশের মানুষ মন্দিরে আমাদের ঢুকতে দিতে চায় না। আমি নিচু জাতের বলেই এমনটা করেছে ওরা।’’

সংবাদমাধ্যমের কাছে সন্দীপ জানিয়েছেন, ওই মন্দিরে বিয়ের অনুষ্ঠান করার জন্য আগে থেকেই জেলাশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। তার জন্য জেলাশাসকের অনুমতিও মিলেছিল।

আরও পড়ুন: পরকীয়ার জেরে আইনজীবী স্বামীকে খুন! স্ল্যাবের নীচে পুঁতে মাসখানেক সেখানেই রান্নাবান্না

আরও পড়ুন: সংস্কৃত পড়ান রমজান আলি, শামিম বেদান্ত দর্শন, বারাণসী শিক্ষা নেবে কি বেলুড়ের কাছে?

এই ঘটনার অভিযোগ করে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন সন্দীপ। জেলাশাসকের নির্দেশে এর তদন্তে নেমেছে স্থানীয় লালবাগ থানার পুলিশ। ওই থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিক্রম সিংহ বোমানিয়া জানিয়েছেন, ওই ঘটনায় জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল গিয়েছে। তা ছাড়া, ওই পরিবারের সুরক্ষারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’