উদ্বোধনের পর থেকেই মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি করেছে প্রায় ১৮২ মিটার উঁচু ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’। উদ্বোধনের তিন মাস পরের এক রিপোর্ট বলছে, প্রবল জনসমাগমের কারণে ইতিমধ্যেই পর্যটন দফতরের কাছে লাভজনক হয়ে দেখা দিয়েছে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের এই মূর্তি। সে জন্য গুজরাত পর্যটন বিভাগের আয় এক লাফে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে।

বিজেপি সাংসদ বরুণ গাঁধী সম্প্রতি সংসদে প্রশ্ন করেন যে, ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ ঘিরে যে কর্মসংস্থান এবং উন্নয়নের কথা বলা হয়েছিল, তার অগ্রগতি কতখানি হয়েছে? তারই জবাবে কেন্দ্রীয় পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী কে জে. আলফন্স জানান যে, ২০১৮-র নভেম্বর থেকে ২০১৯-এর জানুয়ারি অবধি প্রায় ২০ কোটি টাকা লাভ হয়েছে। এই তিন মাসে প্রায় ৭ লক্ষ পর্যটক এসেছেন ওই মূর্তিটি দেখতে। অথচ সামগ্রিক ভাবে এর আগে ওই অঞ্চলে এক বছরে পর্যটকদের আনাগোনার সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ লক্ষ।

ইতিমধ্যেই সেখানে পর্যটকদের আমোদ-প্রমোদের জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী। এ ছাড়াও খুব সম্প্রতি সেখানে জঙ্গল সাফারি, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ফুড কোর্ট, নৌকা বিহার-সহ আরও নানা ব্যবস্থা চালু হবে বলেও জানান তিনি। গুজরাত পর্যটন দফতরের তরফেও জানানো হয়েছে যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই অঞ্চলে সি-প্লেন চালানোর জন্য চেষ্টা করছেন তাঁরা। সবুজ সঙ্কেত পেলে ওই সি-প্লেন ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে। এই সুবিধা চালু হলে পর্যটকদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে  ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’।

আরও পড়ুন: ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ দেখতে আসা দর্শকদের সুরক্ষায় ঘর হারাচ্ছে ৩০০ কুমির

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ল্যাম্পপোস্টে আটকে রইল ৬ বছরের শিশু, খেয়াল করল না কেউ!