তা হলে কেউ কেউ জানতেন, কী হতে চলেছে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আশপাশে থাকা অন্তত ৬ জন তা হলে আগেভাগেই জানতেন ৮ নভেম্বর আচমকাই নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

তেমনটাই দাবি সংবাদ মাধ্যমের। খবর, কালো টাকার বিরুদ্ধে অভিযানে নামতে তাঁর বাড়িতে বসে মোট ৬ জনের সঙ্গে শলা-পরামর্শ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর তাঁর বাড়ির সেই আলোচনা ‘চক্রে’র মধ্যমণি ছিলেন মোদীর অনেক দিনের বিশ্বস্ত আমলা হাসমুখ আধিয়া। যিনি এখন অর্থ মন্ত্রকের অন্যতম শীর্ষ কর্তা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্থ মন্ত্রকেরই আরও পাঁচ জন। ওই ৬ জনের পিছনে ছিল তরুণ গবেষকদের নিয়ে গড়া একটি ‘ব্যাকআপ টিম’ও! যাঁরা আগেভাগেই বিস্তর গবেষণা করে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, আচমকা ঘোষণা করলে বাজার-চলতি নগদের (ক্যাশ) ৮৬ শতাংশই বাজার থেকে তুলে নেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন- নোট বাতিলের রাতে মাত্র সাত ঘণ্টায় কত সোনা বিক্রি হয়েছে, জানেন?

আর তাতেই কালো টাকার ভরসায় চলা ‘সমান্তরাল অর্থনীতি’ সজোরে ধাক্কা খাবে। যে কথা, সেই কাজ! তার পর আর নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে দ্বিধা করেননি প্রধানমন্ত্রী মোদী। আর তাঁর যে আধিয়া সহ গবেষকদলের প্রতি ভরসা রয়েছে একশো ভাগ, তা বোঝাতে প্রধানমন্ত্রী ওই ঘোষণার পর বলেছিলেন, ‘‘আমি গবেষণা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাতে যদি কোনও ভুল-ভ্রান্তি ঘটে থাকে, তা হলে তার দায় নিতে আমি রাজি আছি।’’


হাসমুখ আধিয়া

২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মোদী যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, ৫৮ বছর বয়সী আধিয়া তখন ছিলেন তাঁর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। শোনা যায়, অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ আঅধিয়ার কাছেই যোগ-শিক্ষা নিয়েছিলেন মোদী।