• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বেঙ্গালুরুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে পুলিশ

Bengaluru riots
ছবি: পিটিআই।

একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে কর্নাটকের রাজধানী শহরে যে ভাবে হিংসা ছড়ানো হয়েছে, সংগঠিত উপায়ে যে ভাবে গেরিলা কায়দায় পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে, তাতে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে পুলিশ। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু পুলিশ মনে করছে, দেশের সাইবার রাজধানীতে তছনছ করার পরিকল্পনা নিয়েই হিংসা ছড়ানো হয়েছে। দেশের বাইরের মাথাও এর পিছনে থাকতে পারে।

পুলকেশীনগরের বিধায়ক এ শ্রীনিবাসমূর্তির এক আত্মীয়ের একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে গন্ডগোলের শুরু। প্রায় ১০ হাজার লোক হইহই করে বুধবার রাস্তায় নেমে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ করতে থাকেন। বিধায়কের বাড়ি ও তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অজস্র গড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগানো হয়। ডিজি হাল্লি ও কেজি হাল্লি থানা দু’টির ভিতরে ঢুকে পুলিশকে আক্রমণ করা হয়। থানায় ভাঙচুর চলে। মারের হাত থেকে বাঁচতে পুলিশ গুলি চালালে ৩ জন প্রাণ হারান। অন্তত ৭০ জন পুলিশ জখম হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। 

কিন্তু পুলিশকে ভাবাচ্ছে আক্রমণ ও হিংসার গতিপ্রকৃতি। কর্নাটক পুলিশের এক কর্তা জানাচ্ছেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিক ক্ষোভ থেকে হলে কখনওই এই মাত্রা পেতে পারত না। যে ভাবে গেরিলা কায়দায় পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে, তার পিছনে পূর্ব পরিকল্পনার ছাপ দেখছেন তাঁরা। ওই পুলিশ কর্তার কথায়, বেঙ্গালুরু শুধু কর্নাটকের রাজধানী নয়। ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের স্নায়ুকেন্দ্রও। তাকে অচল করা, সেখানে অশান্তি সৃষ্টি করার একটি প্রয়াস বলেই বুধবারের ঘটনাকে মনে করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, পড়শি দেশের গুপ্তচরেরা এই হিংসা ছড়ানোর কাজে যুক্ত থাকতেই পারে। তদন্তে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসবে।

সিসিটিভি-র ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই দেড়শোর উপরে লোককে আটক করেছে পুলিশ। বেঙ্গালুরু নগর পুলি‌শের ডেপুটি কমিশনার জি এন শিবমূর্তির নেতৃত্বে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছে ইয়েদুরাপ্পা সরকার। তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। কংগ্রেস বিধায়ক শ্রীনিবাসমূর্তি এ দিন প্রশ্ন তোলেন— তিনি তো কোনও অপরাধ করেননি, তাঁর বাড়ি কেন ভাঙচুর করা হল? এ ঘটনার পিছনে অন্য উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনিও।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন