Advertisement
E-Paper

পথের সাথী

জীবনের সফরে জীবন বিমার গুরুত্ব যতটা, পথের সফরে গাড়ি বিমার গুরুত্ব তার চেয়ে কম নয়। কারণ, এই বিমা না-থাকলে রাস্তায় গড়াবে না চাকাই। লিখছেন দেবপ্রিয় সেনগুপ্তজীবন এক বৈচিত্রপূর্ণ সফর। আবার সেই জীবন অনিশ্চিতও বটে। তাই জীবন বিমার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তবে তা আপনি কিনবেন কি কিনবেন না সেটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। কিন্তু গাড়ির ক্ষেত্রে অন্তত এক ধরনের বিমা বাধ্যতামূলক।

শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৪:৪৭

ছোটবেলায় বড় চাকরি, বাড়ি-গাড়ির খোয়াব দেখা। পরে সন্তানকে বড় করতে গিয়ে খুব জোর দু’চাকা। আর চারচাকার স্বপ্নটা তুলে রাখা ছেলেমেয়ের জন্য। ২০-৩০ বছর আগে পর্যন্ত এমনই ছিল গড়পরতা মধ্যবিত্ত বাঙালির স্বপ্ন পূরণের ছবি। গত দু’তিন দশকে আর্থিক দিক থেকে খানিকটা হলেও বদলেছে মধ্যবিত্তের সংজ্ঞা। মধ্যবিত্তের সঙ্গে চারচাকার দূরত্বটা এখন আর স্বপ্নের নয়। গাড়ি কিনছেন অনেকেই। কিন্তু গাড়ি কেনার পাশাপাশি তার বিমার বিষয়গুলিও তো মোটামুটি ভাবে জেনে রাখতে হবে! অতীতে বিষয় আশয়ে গাড়ি বিমা নিয়ে আলোচনা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সম্প্রতি এর বিধিতে কিছু রদবদলও হয়েছে। সে কারণেই আজ এক বার গোটাটা ঝালিয়ে নেওয়া।

জীবন এক বৈচিত্রপূর্ণ সফর। আবার সেই জীবন অনিশ্চিতও বটে। তাই জীবন বিমার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তবে তা আপনি কিনবেন কি কিনবেন না সেটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। কিন্তু গাড়ির ক্ষেত্রে অন্তত এক ধরনের বিমা বাধ্যতামূলক। কারণ, সংশ্লিষ্ট গাড়ি অন্য কোনও ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি করলে তার বহর হতে পারে মারাত্মক। সেই সুরক্ষা কবচ না থাকলে গাড়ি রাস্তাতেই নামানো যাবে না।

তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নতুন ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কেনা গাড়ির বিমার সময়সীমায় কিছু বদল এসেছে। ফলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে খরচের কিছুটা হেরফের হয়েছে।

প্রয়োজনের ফারাক অনুযায়ী গাড়ি বিমা দু’ধরনের। নতুন হোক বা হাতফেরতা, সব রকম গাড়ির ক্ষেত্রেই সেগুলি প্রযোজ্য।

থার্ড পার্টি লায়াবিলিটি কভার

গাড়ি কিনলে এই বিমা বাধ্যতামূলক। বিমা শিল্পের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘অ্যাক্ট ওনলি কভার’।

গাড়ির ধাক্কায় অন্য কোনও গাড়ি বা সম্পত্তির ক্ষতি হতে পারে। হতে পারে জখম কিংবা মৃত্যুও। সে কথা মাথায় রেখেই এই বিমার জন্ম। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট গাড়ি যাঁর বা যে সম্পত্তির ক্ষতি করবে, তাঁকে বা সেই বস্তুকে আর্থিক সুরক্ষা দেবে এটি। বিমার প্রথম দু’টি পক্ষ বিমাকারী ও বিমা সংস্থা। আর তৃতীয় পক্ষ হলেন যিনি বা যাঁর সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। তাই এর নাম থার্ড পার্টি লায়াবিলিটি। মনে রাখবেন, আপনার গাড়ির ক্ষতিপূরণ দেওয়া এই বিমার কাজ নয়। কী ধরনের সুবিধা রয়েছে এই বিমায়?

• তৃতীয় পক্ষের ক্ষতিপূরণ: গাড়ির ধাক্কায় কেউ জখম হলে বা কারও মৃত্যু হলে সে ক্ষেত্রে বিমার কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই। তবে অন্য কোনও গাড়ি বা সম্পত্তির লোকসান হলে বিমার (চারচাকা) ঊর্ধ্বসীমা ৭.৫০ লক্ষ টাকা। বিমাকারী চাইলে অবশ্য তা ৬,০০০ টাকায় সীমাবদ্ধ রাখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে প্রিমিয়ামও কম হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, বিমা সংস্থা তখন ওটুকু টাকাই দেবে। ক্ষতিপূরণের অঙ্ক তার চেয়ে বেশি হলে তা আপনাকে ভরতে হবে নিজের পকেট থেকেই।

• ব্যক্তিগত সুরক্ষা: যাঁর নামে গাড়ি, তাঁর নামেই ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলে প্রিমিয়ামের সঙ্গে অল্প কিছু টাকা যোগ করে বাড়তি একটি সুরক্ষা নেওয়া বাধ্যতামূলক। যেখানে দুর্ঘটনায় বিমাকারীর ব্যক্তিগত ক্ষতি হলেও বিমার সুবিধা মিলবে। এ ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বিমার অঙ্ক হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। ফলে প্রিমিয়ামও কিছুটা বেড়েছে। আগে দু’চাকার ক্ষেত্রে বিমার অঙ্ক ছিল ১ লক্ষ টাকা। চার চাকায় ২ লক্ষ টাকা। তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখুন। ধরা যাক স্বামীর ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু গাড়ি স্ত্রীয়ের নামে। তাঁর লাইসেন্স নেই। সে ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি লায়াবিলিটি কভারে মূল গাড়ি বিমার সঙ্গে এই বাড়তি সুবিধা স্ত্রী পাবেন না।

প্রিমিয়াম: থার্ড পার্টি লায়াবিলিটি কভারে প্রিমিয়ামের অঙ্ক নির্ভর করবে আপনার গাড়ির ধরনের উপরে। চার চাকা বা দু’চাকার পাশাপাশি প্রিমিয়ামের হিসেব হবে গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতার বিচারে। নীচের ছকে সেই হিসেবে প্রিমিয়ামের শ্রেণিগুলি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

• বাড়তি: কফি খেতে ঢুকে কখনও সখনও বাড়তি ক্রিম বা মধু যোগ করেন নিশ্চয়ই? খরচ কিছুটা বেশি হলেও মনটা ভাল হয়ে না কি? বিমার ‘অ্যাড অন’ ঠিক তেমনই। যা মূল বিমার সঙ্গে বিমাকারীকে দেয় বাড়তি কিছু সুবিধা। তবে এটা বাধ্যতামূলক নয়। গুনতে হয় বাড়তি টাকা। এই তালিকায় রয়েছে ব্যক্তিগত দুর্ঘটনাজনিত বিমার কিছু সুবিধা।

চালকের জন্য: একে বলে ওয়াইডার লিগাল লায়াবিলিটি। যেখানে বেতনভুক চালক ডিউটিতে থাকাকালীন দুর্ঘটনায় পড়ে শারীরিক ভাবে পঙ্গু হলে বা মারা গেলে বিমার টাকা মিলবে।

কর্মীর জন্য: গাড়ি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত না হলেও, যদি তাতে চেপে বিমাকারীর নিজস্ব ব্যবসা বা দফতরের কর্মী কোনও কাজে যান এবং গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে, তা হলে ওই কর্মীর জন্য বিমার সুবিধা মেলে। ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায় ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

সওয়ারির জন্য: গাড়িতে চালক-সহ যে ক’জন যাত্রী চাপতে পারেন তাঁদের সকলের জন্য দুর্ঘটনা বিমার সুরক্ষা নেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে যাত্রী সংখ্যার ভিত্তিতে বিমা করানো যেতে পারে। আবার তা করানো যায় পরিবারের যে সদস্যেরা চাপবেন তাঁদের নামেও।

কম্প্রিহেনসিভ পলিসি

ধরা যাক রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছেন। সাইড ডিশ ছাড়া মূল খাবার ভাবা যায় কি? কম্প্রিহেনসিভ পলিসিও খানিকটা সে রকম। বাধ্যতামূলক নয়। তবে না কিনলে পস্তাতেও পারেন। কারণ, এটি নিজের গাড়ির জন্য বাড়তি সুরক্ষাকবচ (ওন ড্যামেজ)। গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে বা তা চুরি হয়ে গেলে যে ক্ষতি হবে, তা পূরণের কথা ভেবেই এই বিমা। ভূমিকম্প, বন্যা, ঝড়, সাইক্লোনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ধর্মঘট, সন্ত্রাসবাদজনিত ঘটনা-সহ অন্য কোনও কারণে গাড়ির ক্ষতি হলেও বিমার সুরক্ষা মিলবে। চাইলে আলাদা করে যাত্রী সুরক্ষাও নেওয়া যায়। থার্ড পার্টি লায়াবিলিটির সঙ্গে এই ধরনের নানা বাড়তি সুরক্ষা নিয়ে বিমার প্রকল্পটি তৈরি করা যায়।

• পুরো গাড়ির ক্ষতিপূরণ: ধরা যাক, নতুন গাড়ির দাম (শো-রুম থেকে কেনার সময়) ৫ লক্ষ টাকা। এই দামকে বলা হয় ইনশিওর্ড ডিক্লেয়ার্ড ভ্যালু (আইডিভি)। কেনার পরে প্রথম বছরেই পুরো গাড়ির কোনও ক্ষতি হলে বা হারালে দামের থেকে ৫% বাদ দিয়ে (ডেপ্রিসিয়েশন) গাড়ির বিমামূল্য ধরা হবে ৪.৭৫ লক্ষ টাকা। সে ক্ষেত্রে এই বিমামূল্য দাবি করতে পারবেন বিমাকারী।

তার পরের বছর থেকে প্রতি বছর গাড়িটির বাজারমূল্য থেকে যথাক্রমে ২০%, ৩০%, ৪০% ও ৫০% করে বাদ দিয়ে বিমামূল্য ধরা হবে। গাড়িটি পাঁচ বছরের পুরনো হওয়ার পরে পুরো বাজার দরের হিসেবেই ধরা হবে বিমামূল্য। তবে তার পর আর কত দিন বিমার সুবিধা নেওয়া যাবে তা নির্ভর করবে গাড়িটি অবস্থার উপর। যা মূল্যায়ন করবে বিমা সংস্থা।

• আংশিক ক্ষতিপূরণ: গাড়ির আংশিক ক্ষতি হলে তা পূরণেরও ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন, দুর্ঘটনায় কাচ ভাঙলে তার পুরো খরচ পাওয়া যায়। রবার, এয়ারব্যাগ, টায়ার, ব্যাটারির মতো কিছু যন্ত্রাংশ মেরামতের ক্ষেত্রে মেলে মোট খরচ বা দামের ৫০%। বাকি ধাতব যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে গাড়ি কেনার ছ’মাসের মধ্যে ক্ষতি হলে কোনও ডেপ্রিসিয়েশন নেই। তবে ছ’মাসের পর থেকে এক বছরের মধ্যে হলে খরচের ৫% বাদ দিয়ে বাকি টাকা পাওয়া যায়। দুই থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে তা ঘটলে প্রতি বছর ডেপ্রিসিয়েশনের হার হবে আলাদা আলাদা। ১০ বছরের পরে মিলবে ৫০% বিমার সুবিধা।

প্রিমিয়াম: থার্ড পার্টি লায়াবিলিটি কভারের মতোই গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতার নিরিখে ঠিক হবে প্রিমিয়ামের অঙ্ক। তবে সেই সঙ্গে তা নির্ভর করবে আরও কয়েকটি বিষয়ের উপর। দেখা হবে গাড়ির বয়স, দাম, কোন রিজিয়োনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসে (আরটিও) সেটি নথিভুক্ত ইত্যাদি।

• বাড়তি: কম্প্রিহেনসিভ পলিসিতেও আছে টাকার বিনিময়ে বাড়তি কিছু সুবিধার ব্যবস্থা। যা অ্যাক্ট ওনলি প্রকল্পে দাবি করা যায় না।

ব্যক্তিগত ক্ষতিপূরণ: আপনার গাড়ির ক্ষতি হলে তা পূরণের আশ্বাস দেয় কম্প্রিহেনসিভ প্রকল্প। কিন্তু দুর্ঘটনায় গাড়ির সওয়ারির শারীরিক অক্ষমতা বা মৃত্যুর মতো ব্যক্তিগত ক্ষতিকে বিমার আওতায় আনতে পারেন আপনি। এর আওতায় রয়েছে:

জিরো ডেপ্রিসিয়েশন: এ ক্ষেত্রে ইনশিওর্ড ডিক্লেয়ার্ড ভ্যালু বা আইডিভি একই থাকবে। তবে গাড়ি কেনার পাঁচ বছর কেটে যাওয়ার পরে ষষ্ঠ বছর থেকে তা আর মিলবে না। কেউ যদি কেনার দু’বছর পরে গাড়ি বিক্রি করেন, তখন হাতফেরতা হলেও গাড়িটির ক্রেতা বাকি তিন বছরের জন্য এই সুবিধা পাবেন। আবার পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পরে বেচলে ক্রেতা সেই সুবিধা পাবেন না।

ইনভয়েস প্রোটেক্ট: ধরা যাক গাড়ির দাম ৫ লক্ষ টাকা। বিমামূল্য ৪.৭৫ লক্ষ। কিন্তু পুরো গাড়ির কোনও ক্ষতি হলে বা সেটি চুরি গেলে ফের নতুন গাড়ি কেনার দরকার হতে পারে। এই বাড়তি সুরক্ষাটি নেওয়া থাকলে সে ক্ষেত্রে আর্থিক সুরাহা হবে। গাড়িটির প্রথম বারের রেজিস্ট্রেশনের খরচ, বিমার প্রিমিয়াম বাবদ খরচ, রোড ট্যাক্স সবই ফেরত পাওয়া যাবে।

ইঞ্জিন প্রোটেক্ট: বৃষ্টির জল বা জমা জল ঢুকে ইঞ্জিনের ক্ষতি হতে পারে। সে সমস্যার বাড়তি সুরক্ষাকবচ এটি।

নো ক্লেম বোনাস: যে বছর বিমা করা হবে, সেই বছর ক্ষতিপূরণ দাবি করা না-হলে পরের বছর বোনাসের সুবিধা মেলে। ২০% থেকে শুরু করে পরের বছরগুলিতে সর্বোচ্চ ৫০% ছাড় মেলে প্রিমিয়ামে। তবে যে বছর বিমার দাবি করা হয়, তার পরের বছর তা মেলে না। দাবি জানানোর পরে ফের এই সুবিধা পাওয়ার শর্তও রয়েছে। এক সংস্থা থেকে অন্য সংস্থায় গাড়ি বিমা সরালেও প্রমাণপত্র দাখিল করে সুবিধা বজায় রাখা যায়।

নতুন বিধি

দু’ধরনের বিমার মেয়াদই আগে ছিল এক বছর। কিন্তু নতুন ও ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে তার কিছু বদল হয়েছে। থার্ড পার্টি লায়াবিলিটি কভারের ক্ষেত্রে এখন শুরুতেই চার চাকার গাড়ির জন্য তিন বছর ও দু’চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের বিমা এক সঙ্গে করাতে হয়। তবে নিজের গাড়ির জন্য যে বাড়তি সুরক্ষা কবচ (ওন ড্যামেজ) রয়েছে তা করা যায় এক বছর বা তিন বছরের জন্য। দু’চাকার ক্ষেত্রে তা এক কিংবা পাঁচ বছর। ফলে নতুন গাড়ি কেনার সময়ে খরচ কিছুটা বেড়েছে।

কেন এমন নির্দেশ? মূলত ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে বিমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও গাড়ি চালানোর অভিযোগ উঠত। সে ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটলে কোনও সুরক্ষা কবচ থাকত না। সে কারণেই নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে বিমার মেয়াদ বাড়ানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। পুরনো গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ম অবশ্য আগের মতোই। তিন চাকা এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নিয়ম একই থাকছে।

মনে রাখতে হবে, গাড়ি হাত বদলের ক্ষেত্রে বিমার পলিসিরও হাতবদল করা যায়। তবে তার জন্য নতুন ক্রেতাকে বাড়তি কিছু টাকা খরচ করতে হয়। যদিও সাধারণত নো ক্লেম বোনাসের সুবিধার হাত বদল হয় না।

সিএনজি বা এলপিজি

পেট্রল-ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি হিসেবে অনেকেই এখন গাড়িতে সিএনজি বা এলপিজি কিট লাগাচ্ছেন। বিমা নিয়ন্ত্রক আইআরডিএ-র নিয়ম অনুযায়ী, তা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের (আরটিও) ও বিমা সংস্থাকে জানাতে হবে। কারণ, আরটিএ বদল করবে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন অব সার্টিফিকেট। আবার নতুন ব্যবস্থাটি বিমার আওতায় আনবে বিমা সংস্থা।

হারিয়ে গেলে

বিমার পলিসি হারিয়ে গেলে বিমা সংস্থাকে লিখিত আর্জি জানান। সে ক্ষেত্রে ‘ডুপ্লিকেট’ পলিসি পাবেন। সংস্থা সামান্য কিছু ফি নিতে পারে।

আগের কাজ আগে

দুর্ঘটনায় গাড়ির ক্ষতি হলে বা গাড়ি চুরি হয়ে গেলে দ্রুত বিমা সংস্থাকে জানাতে হবে। গাড়ি সারাইয়ের আগে সার্ভে হওয়ার কথা। মেরামত করুন তার পরে। গাড়ি চুরি গেলে সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর করতে হবে। দেরি না-করে সংশ্লিষ্ট আরটিও-কেও জানান। যাতে কেউ বেআইনি ভাবে সেই গাড়ি হস্তান্তর করতে না পারে।

Safety Car Insurance
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy