Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

চিত্র সংবাদ

Women Missing: দেশের এই শহর থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন শয়ে শয়ে মহিলা! নেপথ্যে কী কারণ?

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা ০৪ অগস্ট ২০২২ ১৬:১০
থানায় একের পর এক নিখোঁজ ডায়েরি জমা পড়ছে। শহর জুড়ে শয়ে শয়ে মহিলা নিখোঁজ। গ্রামীণ এলাকায় যে থানাগুলি রয়েছে সেখানকার পুলিশের দাবি, চলতি বছরেই প্রায় সাড়ে সাতশো নিখোঁজ-ডায়েরি জমা পড়েছে।

পুণের পিঁপরী চিঁচড়ের পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, শহর জুড়ে নিখোঁজ ৮৮৫ জন মহিলা। গত সাত মাস ধরে পাল্টে যেতে শুরু করেছে পুণে শহরের চিত্র।
Advertisement
মে মাসে ১৩৫ জন মহিলা নিখোঁজ হলেও পুলিশ জানিয়েছেন, গত জুন মাসে নিখোঁজের সংখ্যা সর্বোচ্চ। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, ১৮৬ জন মহিলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

নেপথ্যে কোনও মহিলা পাচারকারীর হাত রয়েছে ভেবে তল্লাশি শুরু করে পুণে শহরের পুলিশ। সকলের খোঁজ না মিললেও ৩৯৬ জন মহিলাকে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।
Advertisement
জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন একই প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশ আধিকারিকেরা। এত দিন কোথায় ছিলেন? প্রতি বার এই প্রশ্নের উত্তর একই পেতেন পুলিশ। তাঁরা নাকি ‘স্বেচ্ছায় নিখোঁজ’ হয়েছেন।

তবে, এত জন মহিলা নিজের ইচ্ছাতেই হারিয়ে যাবেন তা বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছিল না পুলিশের। কয়েক জন তাঁদের নিখোঁজ হওয়ার পিছনে বিয়ের পর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার সহ্য করতে না পারার কথাও বলেন।

বাড়ি থেকে চাকরি করার অনুমতি না দেওয়ায় অনেকে চাকরির খোঁজে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বলেও জানান। কেউ আবার ভালবাসার মানুষের হাত ধরে একসঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে নিজেদের বাড়ি ছেড়েছেন। কেউ মানসিক ভারসাম্যহীন তাই বাড়ি থেকে বেরোনোর পর আর বাড়ি ফিরতে পারেননি।

তবে, তল্লাশি চলাকালীন কয়েক জন মহিলার মৃতদেহও খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। শিশু ও মহিলাদের অধিকার রক্ষা আন্দোলনের কর্মী যামিনী আবাদে জানিয়েছেন, যে মহিলারা পারিবারিক সমস্যার কারণে বাড়ি ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁরা সকলেই পরিবারের কোনও সদস্য অথবা নিজের কোনও বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন।

কিন্তু যে মহিলাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এর নেপথ্যে কী রহস্য রয়েছে তার এখনও সমাধান হয়নি। অপহরণ এবং মহিলা-পাচারেরও শিকার হয়েছেন কয়েক জন। যদিও এই সংখ্যা খুব কম বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, বেশির ভাগ মহিলার বয়স ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে। যাঁদের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি তাঁদের নিয়ে চিন্তিত আবাদে।

মহারাষ্ট্র আইন পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান নীলম গোর্হে জানান, তিনি ২০২০ সাল থেকে মহিলা নিখোঁজের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। ‘মুসকান’ নামের একটি প্রকল্পও শুরু করা হয়েছিল।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁরা শহরের সমস্ত স্ত্রী আধার কেন্দ্রের সদস্যের সঙ্গে একটি বৈঠকে আলোচনা করেন। মহিলারা কী কারণে নিখোঁজ হচ্ছেন সেই বিষয়েও সতর্ক করা হয় তাঁদের।

গোর্হে জানিয়েছেন, যে মহিলারা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কোনও হদিস পাওয়া যায়নি। তাই সেই মহিলাদের ছবি নিয়ে একটি এক্সহিবিশন করার পরিকল্পনা করছেন তিনি।