Advertisement
E-Paper

ইরান যুদ্ধে দুই শিবিরে বিভক্ত বিশ্ব, মার্কিন ও ইহুদিদের পাশে কারা? কী অবস্থান নিচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান?

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে দুই শিবিরে ভাগ হয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। সঙ্কট পরিস্থিতিতে কোন কোন ‘বন্ধু’কে পাশে পাচ্ছে তেহরান? আমেরিকা ও ইহুদিদের পাশে আছে কারা? ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান ঘিরেও তুঙ্গে জল্পনা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ০৮:০৬
Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০১ / ২০

আলি খামেনেই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে পশ্চিম এশিয়া। একাধিক আরব রাষ্ট্রে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। শুধু তা-ই নয়, পারস্য ও ওমান উপসাগরের সংযোগকারী হরমুজ় প্রণালী ‘বন্ধ’ করে পণ্যবাহী জাহাজ ধ্বংসের হুঁশিয়ারিও দিতে শোনা গিয়েছে তেহরানকে। সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে কাদের পাশে পাচ্ছে শিয়া ফৌজ? কোন দিকে ঝুঁকে ভারতের পাল্লা? কী করবে পাকিস্তান? এই সমস্ত প্রশ্নে বাড়ছে জল্পনা।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০২ / ২০

ইরান যুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই হাত ধরাধরি করে আছে ইজ়রায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক পারস্য দেশে যৌথ সামরিক অভিযান চালায় এই দুই রাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট হামলার পোশাকি নাম ‘অপারেশন লায়ন্স রোর’ (সিংহগর্জন) রেখেছে ইহুদি সেনা। অন্য দিকে অভিযানের সাঙ্কেতিক নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (মহাকাব্যিক ক্রোধ) দিতে দেখা গিয়েছে আমেরিকাকে। সুদৃঢ় বোঝাপড়ার উপর ভিত্তি করে আক্রমণে ঝড় তুলছে ওয়াশিংটন এবং তেল আভিভ।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৩ / ২০

পশ্চিম এশিয়ার একাধিক উপসাগরীয় রাষ্ট্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাছাউনি। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন তার মধ্যে অন্যতম। সংশ্লিষ্ট আরব দেশগুলির ওই সমস্ত সেনাঘাঁটি, সমুদ্রবন্দর এবং শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। নিশানা করেছে সেখানকার মার্কিন দূতাবাসকেও। তালিকায় নাম আছে ওমানেরও। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের পক্ষ নিচ্ছে তারা।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৪ / ২০

জনপ্রিয় মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের ষড়যন্ত্রে জড়িত আছে রিয়াধ ও আবু ধাবি। সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান আক্রমণের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমানে উস্কানি দিচ্ছিলেন সৌদির যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমন (এমবিএস)। সেই লক্ষ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বেশ কয়েক বার ফোনে কথা বলেন তিনি। ইহুদি ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৫ / ২০

তবে আরব দেশগুলি এককাট্টা হলেও ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর মতো সামরিক দক্ষতা তাদের নেই। আর তাই এদের কেউই সরাসরি তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি। বিশ্লেষকদের দাবি, সংঘাত পরিস্থিতিতে গোয়েন্দা তথ্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজ়রায়েলকে সরবরাহ করতে পারে তারা। জোগাতে পারে জ্বালানির সংস্থানও। অন্য দিকে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষে পরোক্ষ ভাবে জড়িয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৬ / ২০

আরব দুনিয়া এবং তার আশপাশের এলাকায় এই তিন ইউরোপীয় রাষ্ট্রের বেশ কিছু কৌশলগত সম্পত্তি রয়েছে। উদাহরণ হিসাবে, ইংরেজদের কথা বলা যেতে পারে। ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে তাদের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে একটি পাইলটবিহীন যান রানওয়েতে আছড়ে পড়ে। এর পরই পশ্চিম এশিয়ায় ‘বন্ধু’দের স্বার্থরক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ করবে বলে জানিয়ে দেয় ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৭ / ২০

মনে করা হচ্ছে, তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন উৎক্ষেপণের ক্ষমতা হ্রাস করতে ইরানি আধাসেনা আইআরজিসির (ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর) বিভিন্ন ঘাঁটিকে নিশানা করতে পারে ওই তিন ইউরোপীয় দেশ। সূত্রের খবর, পারস্য উপসাগরের দিকে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পরমাণু শক্তিচালিত ফরাসি বিমানবাহী রণতরী। ওই এলাকায় আসতে পারে ইংরেজদের ডুবোজাহাজও।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৮ / ২০

এ ছাড়া ইরান যুদ্ধে নীতিগত ভাবে কানাডাকে পাশে পাচ্ছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। তাদের যৌথ হামলায় তেহরানের শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হতেই বিবৃতি দেয় অটোয়া। সেখানে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সরকার বলেছে, ‘‘সাবেক পারস্য দেশটির ফৌজের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। সেটা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।’’

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
০৯ / ২০

তবে এই লড়াইয়ে ইরান যে একেবারে একা হয়ে পড়েছে, তা ভাবার কোনও কারণ নেই। পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির দাবি, ইতিমধ্যেই মালবাহী সামরিক বিমানে বিপুল সংখ্যায় ৯কে৭২০ ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানে পাঠিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। স্বল্পপাল্লার (পড়ুন ৫০০ কিলোমিটার) এই ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে এর বহুল ব্যবহার করেছে মস্কো।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১০ / ২০

ফিন্যান্সশিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে রাশিয়ার সঙ্গে একটি গোপন সামরিক চুক্তি সারে ইরান। ৭৩.৪ কোটি ডলারের এই সমঝোতা অনুযায়ী, ৯কে৩৩৩ ভারবা ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তেহরানকে সরবরাহ করার কথা আছে মস্কোর। সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারটির ৫০০টি লঞ্চার এবং ২,৫০০টি ৯এম৩৩৬ ক্ষেপণাস্ত্র ক্রেমলিনের থেকে কিনেছে পারস্যের ফৌজ। এই অস্ত্রের সাহায্যে ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং কম উচ্চতায় ওড়া শত্রুর লড়াকু জেটগুলিকে অনায়াসে নিশানা করতে পারবে তারা।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১১ / ২০

বর্তমানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবে রাশিয়ার তৈরি এস-৩০০ এবং চিনের এইচকিউ ৯বি ব্যবহার করছে আইআরজিসি। যুদ্ধ ভয়াবহ দিকে মোড় নিলে তেহরানে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফের মতো অতিশক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠাতে পারেন পুতিন। শিয়া ফৌজের বিমানবাহিনী ইজ়রায়েল বা আমেরিকার মতো শক্তিশালী নয়। সেই ঘাটতি পূরণে ৪৮টি এসইউ-৩৫ লড়াকু জেট এবং বেশ কিছু মি-২৮ হামলাকারী কপ্টার মস্কোর কাছে চেয়েছে পারস্য উপসাগরের ওই রাষ্ট্র, খবর সূত্রের।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১২ / ২০

বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই সমস্ত যুদ্ধবিমান ও কপ্টার পাঠিয়ে ইরানি সেনার হাত শক্ত করতে পারে রাশিয়া। কারণ, গত চার বছর ধরে ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণে অত্যাধুনিক হাতিয়ার সরবরাহ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে এখনও কিভ দখল করতে পারেনি মস্কোর ফৌজ। উল্টে লড়াইয়ের গোড়ার দিকে ক্রেমলিনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। পারস্য উপসাগরের সংঘর্ষে বদলা নেওয়ার সুযোগ থাকায়, তা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না পুতিন।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৩ / ২০

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে রণতরী ধ্বংসকারী ক্রুজ় ও ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানে পাঠাতে পারে রাশিয়া। পর্দার আড়ালে থেকে ইরানকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে চিনও। কারণ, বেজিঙের জ্বালানির প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরের কোলের শিয়া মুলুকটির বড় ভূমিকা রয়েছে। সেখান থেকে ব্যাপক সস্তায় খনিজ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস কিনে থাকে ড্রাগন। এ ব্যাপারে ইরানের উপরে থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কখনওই পরোয়া করেনি মান্দারিন সরকার।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৪ / ২০

আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইজ়রায়েলকে বার্তা দিতে কড়া বিবৃতি দেয় রাশিয়া, চিন ও উত্তর কোরিয়া বা ডিপিআরকে (ডেমোক্র্যাটিক পিপল্‌স রিপাবলিক অফ কোরিয়া)। গোটা ঘটনাটিকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করেছে তারা। তেহরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক পদক্ষেপকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আচরণ বলে মনে করছে মস্কো। অবিলম্বে সংঘর্ষ থামানোর আহ্বান জানিয়েছে ক্রেমলিন।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৫ / ২০

তবে এর বিপরীত উদাহরণও রয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার অল-আসাদের সরকারের পতন হয় সিরিয়ায়। দামাস্কাসের কুর্সিতে বসেন আহমেদ আল-শারা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে তাঁর। বাশার ছিলেন রুশপন্থী। বিদ্রোহীরা তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে বুঝেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি মস্কো। আসাদ অবশ্য পেয়েছেন ক্রেমলিনের আশ্রয়। একই ছবি দেখা গিয়েছে লাতিন আমেরিকা এবং মধ্য এশিয়ার ক্ষেত্রেও।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৬ / ২০

চলতি বছরের ২ জানুয়ারি রাজধানী কারাকাসে ঢুকে সস্ত্রীক ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স। বাশারের মতোই রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ভরসা করেছিলেন তিনি। এর কয়েক দিনের মাথায় আটলান্টিক মহাসাগরে মস্কোর একটি তেলের ট্যাঙ্কার আটকে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। শত তর্জন-গর্জনেও সেটা ছাড়াতে পারেনি ক্রেমলিন। ফলে মহাশক্তি হিসাবে পূর্ব ইউরোপের দেশটির ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৭ / ২০

একসময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল আর্মেনিয়া ও আজ়ারবাইজান। ১৯৯১ সালে কমিউনিস্ট-শাসিত ওই রাষ্ট্রটির পতন হলে ১৫টি পৃথক দেশের মধ্যে তাদেরও জন্ম হয়। ওই ঘটনার কিছু দিনের মধ্যেই নাগোর্নো-কারাবাখকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় ইয়েরেভান ও বাকু। ওই সময় মস্কোর নিরাপত্তা চেয়েছিল আর্মেনিয়া। কিন্তু তাতে ক্রেমলিন সে ভাবে সাড়া না দেওয়ায় বর্তমানে অনেকটাই ওয়াশিংটনের দিকে ঝুঁকতে দেখা যাচ্ছে তাদের।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৮ / ২০

বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, রাশিয়ার পক্ষে বাশার, মাদুরো বা খামেনেইকে সাহায্য করা সম্ভব ছিল না। কারণ, গত চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধে যথেষ্ট লেজেগোবরে অবস্থায় রয়েছে মস্কো। সেখানে মেলেনি কোনও সমাধানসূত্র। এই অবস্থায় ‘বন্ধু’দের সাহায্য করতে গিয়ে নতুন কোনও ফ্রন্ট খোলার মতো ঝুঁকি নিতে চাইবেন না প্রেসিডেন্ট পুতিন। সেটা তার জন্য হবে ‘আত্মহত্যা’র শামিল।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
১৯ / ২০

খামেনেইয়ের মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি নয়াদিল্লি। জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যথেষ্ট সাবধানি বিদেশ মন্ত্রক। আপাতত পশ্চিম এশিয়ায় আটকে পড়ে ভারতীয়দের উদ্ধারে বেশি উদ্যোগী হচ্ছে কেন্দ্র। পাশাপাশি, যুদ্ধের জেরে উদ্ভূত জ্বালানিসঙ্কটের দিকে কড়া নজর রেখেছে সরকার। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, গত ২৬-২৭ ফেব্রুয়ারি ইজ়রায়েল সফর করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ঠিক তার পরেই ইরানে হামলা চালায় ইহুদিরা।

Iran vs US Israel War divides world into two sides, what are stances of India and Pakistan
২০ / ২০

পাকিস্তান অবশ্য খামেনেই হত্যাকাণ্ডে আমেরিকার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। ওই ঘটনায় করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসে আছড়ে পড়ে জনরোষ। সামলাতে গুলি চালাতে হয় স্থানীয় পুলিশকে। তবে সরাসরি তেহরানের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা ইসলামাবাদের নেই। বর্তমানে আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ব্যস্ত আছেন রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলরা। তা ছাড়া আর্থিক সঙ্কটে ভোগা পাকিস্তানের ঋণ পেতে ভরসা সেই যুক্তরাষ্ট্রই।

সব ছবি: সংগৃহীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy