Advertisement
E-Paper

অরূপ, ব্রাত্য থেকে মিনাক্ষী, অধীর! তৃণমূল, বিজেপি, বাম, কংগ্রেস— সব মিলিয়ে হারলেন কোন কোন হেভিওয়েট?

রাজ্য জুড়ে এখন গেরুয়া-ঝড়। তৃণমূল-পতন হয়েছে। বাম এবং আইএসএফ পেয়েছে একটি করে আসন। তবে সব দল মিলিয়ে কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীরা হারলেন, তা রইল এই প্রতিবেদনে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ ১২:৪৮
Full list of Heavyweight Candidates Who Lost West Bengal Assembly Elections 2026 - TMC, BJP, Congress, CPIM
০১ / ৪৬

‘অঙ্গ’ এবং ‘কলিঙ্গ’ জয় আগেই হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে বাকি ছিল ‘বঙ্গ’। তা-ও জিতে নিল বিজেপি। রাজ্য জুড়ে বয়ে গিয়েছে গেরুয়া ঝড়। তৃণমূলের পতন হয়েছে। বাম এবং আইএসএফ পেয়েছে একটি করে আসন। সব দল মিলিয়ে কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীরা হারলেন, তা রইল এই প্রতিবেদনে।

Mamata Bandyopadhyay
০২ / ৪৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন রাজ্যের বিদায়ী মুখমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বার তাঁর ভোটের লড়াই ছিল কঠিন। সেই লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছেন তিনি। একসময়ের অন্যতম সহযোগী তথা অধুনা বিজেপির দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫১০৫ ভোটে হেরে গিয়েছেন। তবে জিতবেন না, তা সম্ভবত ভাবেননি মমতা নিজেও। ঘরের মেয়ের হার হয়েছে ঘরেই।

Aroop Biswas
০৩ / ৪৬

অরূপ বিশ্বাস: তৃণমূলের ‘হেভিওয়েট’ নেতা অরূপ বিশ্বাস দাঁড়িয়েছিলেন টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে। তিনিও জয় সুনিশ্চিত করতে পারেননি। বিজেপির পাপিয়া দে অধিকারীর কাছে ৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন।

Jyotipriya Mallik
০৪ / ৪৬

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক: ৩১ হাজারের বেশি ভোটে হাবড়া থেকে হেরে গেলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু)। ওই কেন্দ্রে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল। তৃণমূল গঠনের সময় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী জ্যোতিপ্রিয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকে বঙ্গ রাজনীতির নজর ছিল তাঁর দিকে। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে নাম জড়িয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দীর্ঘ সময় জেলে কাটানোর পর থেকে ক্ষতবিক্ষত তাঁর জীবন। তাঁকে তৃণমূলের প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শেষমেশ তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছিলেন মমতা। ষষ্ঠ বার বিধানসভায় যাওয়ার লক্ষ্যে আবার হাবড়ার মাঠে নেমেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। তবে এ বার ভোট বৈতরণী পার করতে পারেননি তিনি।

Debashis Kumar
০৫ / ৪৬

দেবাশিস কুমার: রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস কুমার। বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তের কাছে প্রায় ২১ হাজার ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ তিনি। এলাকায় ‘দেবা’ নামে পরিচিত। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ওই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন দেবাশিস। জয়ী হন। কিন্তু ২০২৬-এ হিসাব মিলল না। রাসবিহারী কেন্দ্র মানেই অভিজাত, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বাঙালির বসতি। বামেরা এই কেন্দ্রে এক বার ছাড়া দাঁত ফোটাতে পারেনি। প্রথমে কংগ্রেস এবং পরে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি রাসবিহারী কেন্দ্র। তবে ২০২১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির ভোট বেড়েছিল অনেকটাই।

Bratya Basu
০৬ / ৪৬

ব্রাত্য বসু: দমদমেও তৃণমূলের নক্ষত্রপতন। ২৫২৭৩ ভোটে হেরে গেলেন ব্রাত্য বসু। ওই কেন্দ্রে জিতেছেন বিজেপির অরিজিৎ বক্সী। মনে করা হচ্ছিল, ব্রাত্যের লড়াই তুলনামূলক ভাবে সহজ। কিন্তু ফল তা বলল না।

Shashi Panja
০৭ / ৪৬

শশী পাঁজা: তৃণমূলের হয়ে এ বারও শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছিলেন বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তী। ১৪৬৩৩ ভোটে শশীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন পূর্ণিমা। নির্বাচনী যুদ্ধে টিকতে পারলেন না প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রয়াত অজিত পাঁজার পুত্রবধূ।

Chandrima Bhattacharya
০৮ / ৪৬

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে এ বারও দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। বিজেপির সৌরভ সিকদারের কাছে ২৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ২০১১ সালেই দমদম উত্তরের বিধায়ক হয়েছিলেন চন্দ্রিমা। ২০১৬ সালে ওই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্যের কাছে পরাজিত হন। ২০১৭ সালের উপনির্বাচনে কাঁথি দক্ষিণ থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের ভোটে আবার দমদম উত্তরে লড়েন এবং জেতেন। তবে জয় এল না ২০২৬-এর নির্বাচনে।

Udayan Guha
০৯ / ৪৬

উদয়ন গুহ: দিনহাটা থেকে পরাজিত তিন বারের বিধায়ক উদয়ন গুহ। কোচবিহারের দিনহাটায় এ বারও তাই তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছিল দল। কিন্তু জয় নিশ্চিত করতে পারেননি উদয়ন। ১৭৪৪৭ ভোটে উদয়নকে হারিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়।

Sujit Basu
১০ / ৪৬

সুজিত বসু: ২০২৬-এর নির্বাচনে বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের সুজিত বসুর দিকে নজর ছিল সকলেরই। তৃণমূলের ‘হেভিওয়েট’ সুজিত হেরে গিয়েছেন ৩৭ হাজারের বেশি ভোটে। বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সুজিতের হার হয়েছে বিজেপির শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছে।

Ratna Chattopadhyay
১১ / ৪৬

রত্না চট্টোপাধ্যায়: বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। এর আগে ২০২১ সালেও রত্না তৃণমূলের টিকিটে ভোটে লড়েছিলেন। বেহালা পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক তিনি। এ বারের ভোটে তাঁর কেন্দ্র বদলে দিয়েছিল দল। তবে বেহালা পশ্চিমের মানুষ তাঁর উপরে ভরসা রাখেননি। ওই কেন্দ্রে ২৪৬৯৯ ভোটে জিতেছেন বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ।

Atin Ghosh
১২ / ৪৬

অতীন ঘোষ: কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রে তৃণমূল আবার প্রার্থী করেছিল অতীন ঘোষকে। বিদায়ী বিধায়ক অতীনের মূল লড়াই ছিল বিজেপি প্রার্থী রিতেশ তিওয়ারির সঙ্গে। সেই লড়াইয়ে পরাজিত অতীন। ১৬৫১ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি।

Shreya Pande
১৩ / ৪৬

শ্রেয়া পাণ্ডে: মানিকতলায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডে। বিজেপির প্রবীণ নেতা তাপস রায়ের কাছে ১৫৬৪৪ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মানিকতলার বিধায়ক সাধন মারা যান। পরে ওই আসনের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন তাঁর স্ত্রী সুপ্তি। এ বারের নির্বাচনে শ্রেয়াকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তাঁর লড়াই ছিল বিজেপির তাপস রায়ের সঙ্গে। হেরে গিয়েছেন শ্রেয়া। বাবার জয়ের ধারা বজায় রাখতে পারেননি তিনি।

Sabyasachi Datta
১৪ / ৪৬

সব্যসাচী দত্ত: বারাসত কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত। তিনিও পরাজিত। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী করেছিল শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি জিতে গিয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার ভোটে।

Saokat Molla
১৫ / ৪৬

শওকত মোল্লা: ‘স্পর্শকাতর’ ভাঙড়ে তৃণমূলের শওকত মোল্লার লড়াই ছিল বিদায়ী বিধায়ক তথা আইএসএফ-এর নেতা নওশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে। গত বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে জিতে বিধায়ক হন নওশাদ। তাঁকে হারাতে তৃণমূলের তুরুপের তাস ছিল ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত। কিন্তু ভাঙড়ের হিসাব বদলায়নি। ৩২০৮৮ ভোটে জিতেছেন নওশাদই।

Soham Chakraborty
১৬ / ৪৬

সোহম চক্রবর্তী: তৃণমূলের হয়ে অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী দাঁড়িয়েছিলেন নদিয়ার করিমপুর আসন থেকে। অনেক উল্লেখযোগ্য প্রার্থীর মতো তিনিও হেরে গিয়েছেন। ভোটের ময়দানে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছিলেন বিজেপির সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ। সমরেন্দ্রনাথ জিতে গিয়েছেন ৯০৮২ ভোটে।

Raj Chakraborty
১৭ / ৪৬

রাজ চক্রবর্তী: ব্যারাকপুর থেকে হেরে গিয়েছেন তৃণমূলের পরিচালক প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। দ্বিতীয় বার ব্যারাকপুরের মাঠে নেমেছিলেন রাজ। তবে লক্ষ্যভেদও করতে পারেননি। ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর কাছে।

Sayantika Bandyopadhyay
১৮ / ৪৬

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: ১৬৯৫৬ ভোটে হেরে গেলেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির সজল ঘোষের কাছে হেরেছেন তিনি। ২০২৪ সালে উপনির্বাচনে জিতে বরাহনগরের বিধায়ক হয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬-এর ভোটেও তাঁকেই টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল। তাঁর সমর্থনে পদযাত্রা করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পদযাত্রা সার্থক হয়নি। সায়ন্তিকার থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন বিজেপির দুঁদে নেতা সজল।

Lovely Moitra
১৯ / ৪৬

অরুন্ধতী মৈত্র (লাভলি): দ্বিতীয় দফার ভোটে সোনারপুর দক্ষিণ ছিল অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র। সোনারপুর দক্ষিণে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন অভিনেত্রী অরুন্ধতী (লাভলি) মৈত্র। ওই কেন্দ্রে লড়াই ছিল মূলত দুই অভিনেত্রীর। তবে বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ৩৫৭৮২ ভোটে হেরে গিয়েছেন তৃণমূলের লাভলি।

Indranil Sen
২০ / ৪৬

ইন্দ্রনীল সেন: চন্দননগর থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন বিদায়ী মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। ১০ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন তৃণমূলের গায়ক প্রার্থী। বিজেপির দীপাঞ্জনকুমার গুহের কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি।

Aditi Munshi
২১ / ৪৬

অদিতি মুন্সি: রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্র থেকে ২৭৭৫৭ ভোটে হেরে গিয়েছেন তৃণমূলের গায়িকা প্রার্থী অদিতি মুন্সি। লড়াই ছিল বিজেপির তরুণজ্যোতি তিওয়ারির সঙ্গে। তরুণজ্যোতি পেশায় আইনজীবী। এ বার ভোটের ময়দানে তিনি নতুন। তবে এ বছরের বিধানসভা নির্বাচনে তরুণজ্যোতির পাশেই দাঁড়িয়েছেন রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের মানুষ। ২০ হাজারের বেশি ভোটে অদিতিকে হারিয়ে দিয়েছেন তিনি।

Malay Ghatak
২২ / ৪৬

মলয় ঘটক: মন্ত্রী মলয় ঘটক এ বার লড়েছিলেন আসানসোল উত্তর থেকে। সেই মলয় এ বার ১১৬১৫ ভোটে হেরে গিয়েছেন বিধানসভা নির্বাচনে। তাঁর লড়াই ছিল বিজেপির কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। জিতে গিয়েছেন কৃষ্ণেন্দু। উল্লেখ্য, মমতার মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী ছিলেন মলয়। কিন্তু ভোটের মুখেই তাঁর দফতর বদল করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Paresh Chandra Adhikary
২৩ / ৪৬

পরেশচন্দ্র অধিকারী: কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে পরেশচন্দ্র অধিকারী হেরে গিয়েছেন ২৯৫৮৪ ভোটে। জিতেছেন বিজেপির দধিরাম রায়। এ বারের লড়াই সহজ ছিল না পরেশচন্দ্রের জন্য। রাজ্যের এসএসসি নিয়োগ মামলায় দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তাঁর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে চাকরিও গিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে তারই রেশ পড়েছে পরেশচন্দ্রের ভোটের ফলাফলে। হেরে গিয়েছেন তিনি।

Swapna Barman
২৪ / ৪৬

স্বপ্না বর্মণ: রাজগঞ্জে তৃণমূল টিকিট দিয়েছিল সোনাজয়ী প্রাক্তন অ্যাথিলিট স্বপ্না বর্মণকে। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির দীনেশ সরকারের কাছে ২১৪৭৭ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে জলপাইগুড়ির এই রাজগঞ্জে জিতেছিল তৃণমূলই। খগেশ্বর রায় তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। তবে এ বার তাঁর জায়গায় এই কেন্দ্রে স্বপ্নাকে দাঁড় করিয়েছিল তৃণমূল।

Goutam Deb
২৫ / ৪৬

গৌতম দেব: শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব এ বার শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন। বিজেপির ‘ভরসার মুখ’ শঙ্কর ঘোষের কাছে ৭৩১৯২ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ২০২৬-এর নির্বাচনে গৌতমের বিরুদ্ধে বিজেপির তুরুপের তাস ছিল শঙ্কর। তাঁদের মধ্যে জোর টক্কর দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল, জিতেছেন শঙ্কর। বাজিমাত করতে পারেননি গৌতম।

Madhuparna Thakur
২৬ / ৪৬

মধুপর্ণা ঠাকুর: বাগদা থেকে ৩৪৬১৬ ভোটে হেরে গিয়েছেন তৃণমূলের মতুয়া-মুখ মধুপর্ণা ঠাকুর। বাগদা বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তৃণমূলের মধুপর্ণা। বিধানসভায় সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ বারের নির্বাচনেও তাঁকে বাগদার প্রার্থী করেছিল দল। লড়াইয়ে ছিলেন বিজেপির সোমা ঠাকুরের বিরুদ্ধে। তবে সেই লড়াইয়ে হেরে গিয়েছেন তিনি।

Becharam Manna
২৭ / ৪৬

বেচারাম মান্না: তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রিসভার কৃষিমন্ত্রী বেচারাম মান্না ২১৪৩৮ ভোটে হেরে গিয়েছেন সিঙ্গুর আসন থেকে। সিঙ্গুরে এ বার বিজেপি প্রার্থী করেছিল অরূপকুমার দাসকে। বেচারামের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তিনি।

Bidesh Ranjan Basu
২৮ / ৪৬

বিদেশরঞ্জন বসু: সপ্তগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বিদেশ বসুর দিকেও নজর ছিল। বিজেপির স্বরাজ ঘোষের কাছে ২৩২৮৯ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসের তরফে সৌগত ঘোষ এবং সিপিএমের তরফে অনির্বাণ সরকার দাঁড়িয়েছিলেন।

Pabitra Kar
২৯ / ৪৬

পবিত্র কর: নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল পবিত্র করকে। তবে তিনি জিতবেন না বলেই ঠাওর করেছিলেন ভোটপণ্ডিতেরা। হয়েছেও তাই। বিজেপির শুভেন্দুর কাছে ৯৬৬৫ ভোটে হেরেছেন তিনি।

Siddikulla Choudhury
৩০ / ৪৬

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী: হেরে গিয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর মতো তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতাও। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজার কাছে ১৪৭৯৮ ভোটে পরাস্ত হয়েছেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী সিদ্দিকুল্লা ছিলেন গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও পাঠাগার পরিষেবা বিষয়ক মন্ত্রী।

Manas Ranjan Bhuinya
৩১ / ৪৬

মানসরঞ্জন ভুঁইয়া: সবংয়ে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল মানসরঞ্জন ভুঁইয়া বা মানস ভুঁইয়াকে। দীর্ঘ দিন ধরে দলের ভরসার পাত্র তিনি। ২০২৬-এ ভরসা ধরে রাখতে পারলেন না তিনি। এ বারের নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী অমলকুমার পন্ডার কাছে ১১১৩৬ ভোটে হেরে গিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের বর্ষীয়ান এই নেতা।

Arpita Ghosh
৩২ / ৪৬

অর্পিতা ঘোষ: ২০২৬ সালে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছিলেন নাট্যকর্মী তথা প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষ। বিজেপির বিদ্যুৎকুমার রায়ের কাছে ৪৭৫৭৬ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি।

Humayun Kabir
৩৩ / ৪৬

হুমায়ুন কবীর: ডোমকলে সিপিএমের প্রার্থীর কাছে ১৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গেলেন তৃণমূলের উল্লেখযোগ্য প্রার্থী তথা প্রাক্তন পুলিশকর্তা হুমায়ুন কবীর। ডোমকলে হুমায়ুনের মূল লড়াই ছিল সিপিএমের মহম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গেই। জিতেছেন মোস্তাফিজুর। হেরে গিয়েছেন হুমায়ুন। হেরেছেন বিজেপি প্রার্থী নন্দদুলাল পাল এবং কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাজ় বেগমও।

Rajib Bandyopadhyay
৩৪ / ৪৬

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়: ডেবরায় তৃণমূলকে রক্ষা করতে পারলেন না রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। একসময় মমতার মন্ত্রিসভায় বনমন্ত্রী ছিলেন তিনি। কিন্তু মাঝে ফুলবদল করেছিলেন রাজীব। তবে বছর কয়েক আগে বিজেপির ‘মোহ’ কাটিয়ে আবার ফিরেছেন পুরনো ঘরে। রাজীবকে এ বারের ভোটে ডেবরায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল। তবে ডেবরায় ২৮৮০১ ভোটে হেরে গিয়েছেন রাজীব। হেরেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভাশিস ওমের কাছে।

Priyanka Tibrewal
৩৫ / ৪৬

প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল: বিজেপির হেভিওয়েটদের মধ্যে হেরেছেন প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। তাঁর এন্টালি কেন্দ্রে জিতেছেন তৃণমূল প্রার্থী সন্দীপন সাহা। গেরুয়া ঝড়েও ভোটের বৈতরণী পেরোতে পারলেন না বিজেপির প্রতিবাদী মুখ প্রিয়ঙ্কা। ৩৪ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি।

Rakesh Singh
৩৬ / ৪৬

রাকেশ সিংহ: কলকাতা বন্দরে রাজ্যের দাপুটে মন্ত্রী ফিরহাদ ‘ববি’ হাকিমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে হেরে গিয়েছেন বিজেপির রাকেশ সিংহও। তিনি হেরেছেন ৫৬০৮০ ভোটে।

Minakshi Mukhopadhyay
৩৭ / ৪৬

মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়: বাম তারকা প্রার্থীদের তালিকায় প্রথমেই আসবে মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের নাম। হুগলির উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ওই কেন্দ্রে জিতেছেন বিজেপির দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। মিনাক্ষী তৃতীয় স্থানে।

Bikash Ranjan Bhattacharya
৩৮ / ৪৬

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য: সিপিএমের তারকা প্রার্থীদের তালিকায় দ্বিতীয় নাম বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের। একদা বাম দুর্গ হিসাবে পরিচিত যাদবপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছেন তিনি। তাঁর মূল দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক দেবব্রত (মলয়) মজুমদার এবং বিজেপির শর্বরী মুখোপাধ্যায়। যাদবপুরে ২৭৭১৬ ভোটে জিতেছেন শর্বরী। বিকাশ তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।

Dipsita Dhar
৩৯ / ৪৬

দীপ্সিতা ধর: এ বারের ভোটে দমদম উত্তর কেন্দ্রে সিপিএমের টিকিটে লড়েছেন দীপ্সিতা ধর। তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর ২৪ পরগনার এই আসনে বিজেপি প্রার্থী ছিলেন সৌরভ সিকদার। জিতেছেন সৌরভই। কিন্তু, ভোটে হেরে যাওয়ায় রাজ্য বিধানসভায় আপাতত পা রাখা হচ্ছে না জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী দীপ্সিতার।

Kalatan Dasgupta
৪০ / ৪৬

কলতান দাশগুপ্ত: সিপিএমের তারকা প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত পরাজিত হয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে। এই কেন্দ্রে ২৮,৮৩৬ ভোটে জিতে প্রথম বার বিধানসভায় যাচ্ছেন আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা। অন্য দিকে তৃতীয় স্থান পেয়েছেন কলতান।

Manas Mukhopadhyay
৪১ / ৪৬

মানস মুখোপাধ্যায়: উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি পুনরুদ্ধারে নেমে ফের ব্যর্থ হয়েছেন সিপিএমের মানস মুখোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে টানা দু’বার জিতলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা মদন মিত্র। ৫,৬৪৬ ভোটে জিতেছেন তিনি। মানস নেমে গিয়েছেন তৃতীয় স্থানে। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২০,২০৩।

Arfin Begum
৪২ / ৪৬

আফরিন বেগম: বাম তারকা প্রার্থীদের তালিকায় নাম আছে আফরিন বেগমের (শিল্পী)। কলকাতার বালিগঞ্জ কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে শেষ করেছেন তিনি। এখানকার বিজয়ী প্রার্থী হলেন রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর জয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৬১,৪৭৬। আফরিন পেয়েছেন মাত্র ৭,১৮৫টি ভোট।

Saptarshi Deb
৪৩ / ৪৬

সপ্তর্ষি দেব: বাম আমলে দাপুটে নেতা তথা মন্ত্রী গৌতম দেবের পুত্র সপ্তর্ষিকে এ বারের বিধানসভা ভোটে টিকিট দিয়েছে সিপিএম। রাজারহাট নিউটাউন কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছেন তিনি। নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁর দুই মূল প্রতিপক্ষ ছিলেন তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপির পীযূষ কনোরিয়া। এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে রয়েছেন গৌতম-পুত্র। এগিয়ে রয়েছেন তাপস।

Deblina Hembram
৪৪ / ৪৬

দেবলীনা হেমব্রম: পরাজিত তারকা প্রার্থীদের তালিকায় নাম আছে বামেদের দেবলীনা হেমব্রমের। বাঁকুড়ার রানিবাঁধে তৃতীয় হয়েছেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ১৩,২০০। এই কেন্দ্রে ৫২,২৬৯ ভোটে জিতেছেন বিজেপির ক্ষুদিরাম টুডু।

Adhir Ranjan Choudhury
৪৫ / ৪৬

অধীররঞ্জন চৌধুরী: মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূল এবং বিজেপিকে বাদ দিলে এ বারের বিধানসভা ভোটের বড় আকর্ষণ ছিলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে ১৭,৫৪৮ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি। ৩০ বছর পর বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন অধীর। নবাবের জেলার এই কেন্দ্রে জিতেছেন বিজেপির সুব্রত মৈত্র। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ৯১,০৮৮।

Mousam Benajir Noor
৪৬ / ৪৬

মৌসম বেনজির নূর: মালদহের মালতিপুরের কংগ্রেস তারকা প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর হেরেছেন ৫৯,৭৪৭ ভোট। এই কেন্দ্র থেকে জিতে বিধানসভায় যাচ্ছেন তৃণমূলের আব্দুর রহিম বক্সী। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ১ লক্ষ ৪ হাজার ১২৩। মৌসম পেয়েছেন ৪৪,৩৭৬ ভোট।

সব ছবি: সংগৃহীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy