অম্বানীদের কনিষ্ঠ পুত্রের প্রাক্-বিবাহে মোদীর ‘মনপসন্দ খানা’! রয়েছে আরও নানা চমক
তিন দিনের অনুষ্ঠানে গুজরাতে উপস্থিত দেশ-বিদেশের মান্যগণ্য অতিথিদের পাতেও পড়বে ইনদওরের বিশেষ চাট, কচুরি এবং জিলিপি। তার জন্য খাস ইনদওর থেকেই রাঁধুনি আনানোর বন্দোবস্ত করেছে অম্বানী পরিবার।
গুজরাটে বসবে অম্বানীদের কনিষ্ঠ পুত্রের প্রাক্-বিবাহের আসর। প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যেই বসবে আসর। তাই অতিথি আপ্যায়নের জন্যও থাকবে প্রধানমন্ত্রীর মনের মতো খাবার দাবারের আয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যে বসতে চলেছে মুকেশ অম্বানীর কনিষ্ঠ পুত্রের বিয়ের আসর। শোনা যাচ্ছে, সেই আসরে উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নও করা হবে প্রধানমন্ত্রীরই পছন্দের খাবারদাবার দিয়েই!
ইনদওরের চাট, কচুরি, জিলিপি খেতে ভালবাসেন মোদী। মাঝেমধ্যেই তাঁর মুখে প্রশংসা শোনা যায় মধ্যপ্রদেশের রাস্তার ধারের এই সমস্ত খাবারদাবারের।
তিন দিনের অনুষ্ঠানে গুজরাতে উপস্থিত দেশ-বিদেশের মান্যগণ্য অতিথিদের পাতেও পড়বে ইনদওরের বিশেষ চাট, কচুরি এবং জিলিপি। তার জন্য খাস ইনদওর থেকেই রাঁধুনি আনানোর বন্দোবস্ত করেছে অম্বানী পরিবার।
ইনদওরের জার্ডিয়ান্স হোটেলের ২১ জন শেফকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই রান্নার। হোটেলের ডিরেক্টর প্রবীর শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিন দিনের অনুষ্ঠানে ১২ ধরনের মেনু প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
আর সেই মেনুতে থাকবে আড়াই হাজার পদ। ইনদওরের ওই হোটেলের রাঁধুনিদের বলা হয়েছে, ইনদওর থেকে খাঁটি মশলাপাতি নিয়ে অনুষ্ঠানে আসতে।
যাতে গুজরাতে গেলেও ইনদওরের খাবারের স্বাদ একই থাকে। কী কী থাকবে ওই খাবারের তালিকায়?
ইনদওরের কচুরি থেকে শুরু করে ভুট্টেকা কীস, খোপরা প্যাটিস, উপমা, ইনদওরের চিঁড়ের পোলাও, জিলিপি, নানা ধরনের চাট, কুলফি— এই সবই থাকবে মেনুতে।
অম্বানীর কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত অম্বানী এবং তাঁর বাগ্দত্তা রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ে আগামী ১২ জুলাই। তার আগে আগামী ১ মার্চ থেকে ৩ মার্চ প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠানের আসর বসবে গুজরাতের জামনগরে।
আরও পড়ুন:
ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিতি থাকার কথা ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ, গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই, মাইক্রোসফ্ট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, ওয়াল্ট ডিজ়নির সিইও বব আইগার, মর্গান স্ট্যানলির সিইও টেড পিক-সহ বহু বিদেশ সংস্থার শীর্ষকর্তারা।
একই সঙ্গে দেশের ক্রীড়াতারকা, বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও অতিথি হয়ে আসবেন ওই অনুষ্ঠানে।
মোট আমন্ত্রিতের সংখ্যা হাজারখানেক। সূত্রের খবর, তাঁদের জন্য আড়াই হাজার পদ বানাতে ডাকা হয়েছে ৬৫ জন রাঁধুনিকে।
ইনদওরের বিশেষ খাবার ছাড়াও তাঁরা অতিথিদের জন্য বানাবেন জাপানি, তাই, মেক্সিকান এবং পার্সি পদ।
কী নিয়মে সেই খাবার অতিথিদের দেওয়া হবে, তার বিশদ জানিয়েছেন শর্মাই। তাঁর কথায়, শুধু প্রাতরাশের জন্যই থাকবে ৭৫ রকমের পদ।
মধ্যাহ্নভোজে ২২৫ রকমের, নৈশাহারে ২৭৫ রকম পদ এবং মধ্যরাতে অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টে পর্যন্ত অতিথিদের জন্য থাকবে ৮৫ রকমের পদ। তিন দিনের এই মেনু এমন ভাবে সাজানো হবে, যাতে একটি পদও দ্বিতীয় বার না খেতে হয় অতিথিদের।
তবে প্রধানমন্ত্রী মোদীর পছন্দের ইনদওরের খাবারের জন্য থাকবে বিশেষ দু’টি কাউন্টার। সেখান থেকে যখন খুশি অতিথিরা ইনদওরের ভারতীয় খাবার চেখে দেখতে পারবেন।