Bangladesh Textile industry faces turbulence amid Mother of All Deals between European Union and India dgtl
Bangladesh Textile Industry
৫০টা কারখানায় লালবাতি, কাজ নেই হাজার হাজার শ্রমিকের! পদ্মাপারের কাপড়ে ‘আগুন’ ধরাবে দিল্লি-ইইউ চুক্তি?
ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির জেরে এ বার কাপড়ের বাজার খুলতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ। এর জেরে সেখানে ব্যবসা করা কঠিন হতে চলেছে বাংলাদেশের, যা ঢাকার অর্থনীতির জন্য চরম আঘাত, বলছেন বিশ্লেষকেরা।
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৩
Share:Save:
এই খবরটি সেভ করে রাখার জন্য পাশের আইকনটি ক্লিক করুন।
০১২০
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে ‘মাদার অফ অল ডিল্স’ (সমস্ত চুক্তির জননী) সেরেছে ভারত। সেই মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি বা এফটিএ-র (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট) খবর প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের মাথায় হাত! বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, ২৭ দেশের সংগঠনটির সঙ্গে নয়াদিল্লির এই সমঝোতায় বড় ধাক্কা খেতে পারে ঢাকার বস্ত্রশিল্পে। শুধু তা-ই নয়, এর জেরে ১০ লক্ষের বেশি শ্রমিকের কাজ হারানোর প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ‘পেট বাঁচাতে’ অনির্দিষ্ট কালের ধর্মঘটের হুমকি দিলেন সেখানকার মিলমালিকদের একাংশ।
০২২০
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ঢাকায় সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাদেশ টেক্সাইল মিল্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সেখানে বস্ত্রশিল্প বাঁচাতে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি রাখে তারা। এর মধ্যে অন্যতম হল অবিলম্বে বিনা শুল্কে ভারত থেকে সুতো ও কাপড়ের আমদানি বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়াও আছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের খরচে ভর্তুকি এবং ব্যাঙ্কের সুদের হার কমানোর আর্জি। দাবি মানা না হলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মিলমালিকদের সংগঠন।
০৩২০
বিটিএমএ-র সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের কথায়, ‘‘জাতীয় সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে দেশের বস্ত্রশিল্প। আমাদের বাজার দখল করে ফেলেছে সস্তা দরের ভারতীয় সুতো ও কাপড়। ফলে গুদামে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে ১২ হাজার ৫০০ কোটি বাংলাদেশি টাকা মূল্যের ঘরোয়া মিলের পোশাক তৈরির কাঁচামাল।’’ এর জেরে শিল্পপতিদের যে বিপুল লোকসান হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য। বিষয়টিতে অবিলম্বে ইউনূসের অন্তর্বর্তিকালীন সরকার হস্তক্ষেপ করুক, চাইছে মিলমালিকদের এই সংগঠন।
০৪২০
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, গত দেড় বছরে বাংলাদেশে বন্ধ হয়েছে ৫০টির বেশি সুতো ও কাপড় তৈরির মিল। ফলে কাজ হারিয়েছেন কয়েক হাজার শ্রমিক। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৭০ কোটি কিলোগ্রাম সুতো আমদানি করে ঢাকা। এর বাজারমূল্য ছিল প্রায় ২০০ কোটি ডলার। ওই সুতোর ৭৮ শতাংশই ভারত থেকে পূর্বের প্রতিবেশী দেশটির পোশাকনির্মাতারা কেনেন বলে জানা গিয়েছে। হঠাৎ কেন সেই লেনদেন বন্ধ করতে চাইছেন বাংলাদেশি মিলমালিকেরা? নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ।
০৫২০
বস্ত্রশিল্পকে ঢাকার অর্থনীতির শিরদাঁড়া বলা যেতে পারে। এর তিনটি অংশ রয়েছে। সেগুলি হল, সুতো তৈরি, সেই সুতোকে ব্যবহার করে কাপড় বোনা এবং সবশেষে সংশ্লিষ্ট কাপড়কে পোশাকে বদলে ফেলা। শেষের কাজটির জন্য বাংলাদেশের দুনিয়া জোড়া খ্যাতি রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে ইউরোপের সেরা ব্র্যান্ডগুলির জন্য সর্বাধিক বরাত এত দিন ভারতের পূর্বের প্রতিবেশী দেশটির পোশাকনির্মাতারাই পাচ্ছিলেন। কিন্তু, নয়াদিল্লি-ইইউ ‘মাদার অফ অল ডিল্সে’ তাতে ছেদ পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
০৬২০
ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে আবার ভারতের সুতি বস্ত্রের মারাত্মক চাহিদা রয়েছে। গুণগত মানের কারণেই সেখানকার বাসিন্দারা এ দেশের সুতির কাপড়ের তৈরি পোশাক পরতে খুব ভালবাসেন। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে রেশম পথে (সিল্ক রুট) শুরু হয় বাণিজ্য। ওই সময় থেকেই আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরের পারের দেশগুলিতে নয়াদিল্লি সুতির কাপড় রফতানি করত, যা ২১ শতকেও অব্যাহত রয়েছে। সেই কারণেই এত দিন ভারতীয় সুতো ও কাপড় বিপুল পরিমাণে আমদানি করছিলেন বাংলাদেশের পোশাকনির্মাতারা।
০৭২০
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে নয়াদিল্লির সুতো ও কাপড় দিয়ে রেডিমেড পোশাক তৈরি করে দিব্যি ইউরোপ এবং আমেরিকার বাজারে বিক্রি করছিল ঢাকা। ফলে বিশ্বের কাপড় ব্যবসার ১০ শতাংশ কব্জা করে ফেলে বাংলাদেশ। পাশাপাশি, বস্ত্রশিল্পের নিরিখে বিশ্বে দু’নম্বর স্থান পেতে তাদের তেমন সমস্যা হয়নি। তখন প্রথম স্থানে থাকা চিনের সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছিলেন পদ্মাপারের পোশাক রফতানিকারীরা। বর্তমানে ওই তালিকায় চার নম্বরে আছে ভারতের নাম।
০৮২০
বিশেষজ্ঞদের দাবি, হাসিনা সরকারের আমলে মূলত দু’টি কারণে ঢাকার বস্ত্র রফতানি আকাশ ছুঁয়েছিল। প্রথমত, ওই সময় ভারত থেকে সস্তায় সুতো ও কাপড় কিনতে পারছিলেন সেখানকার পোশাকনির্মাতারা। দ্বিতীয়ত, একগুচ্ছ রেডিমেড ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিশেষ চুক্তি ছিল তাঁদের। ফলে পোশাক তৈরি হয়ে গেলেই ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে পাঠিয়ে দিচ্ছিল ঢাকা। নয়াদিল্লি-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তিতে এ বার বদলাতে চলেছে সেই অঙ্ক। কারণ সংশ্লিষ্ট সমঝোতা অনুযায়ী, বিনা শুল্কে ইউরোপের ২৭টি দেশে কাপড় বিক্রির সুযোগ পেতে চলেছেন এ দেশের পোশাক রফতানিকারীরা।
০৯২০
বিশেষজ্ঞদের দাবি, ইউরোপ ও আমেরিকার বস্ত্রবাজার বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় থাকায় এত দিন পোশাক তৈরির দিকে সে ভাবে নজর দেয়নি ভারত। মূলত সুতো ও কাপড় নির্মাণকেই পাখির চোখ করেছিল নয়াদিল্লি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বস্ত্রবাজার নেহাত ছোট নয়। মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি অনুযায়ী, আগামী দিনে সেখানকার ২৭টি রাষ্ট্রে ২,৬৩৫ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক বিক্রি করতে পারবেন এ দেশের বস্ত্র রফতানিকারীরা। ফলে ব্র্যান্ডেড পোশাক তৈরির দিকে যে এ বার নয়াদিল্লি নজর দেবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
১০২০
বিশ্লেষকদের বড় অংশই মনে করেন, ইউরোপের বাজারে ভারতীয় সুতিবস্ত্র ঢুকে পড়লে সেখান থেকে পাততাড়ি গোটাতে হবে বাংলাদেশকে। এর জেরে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ঢাকার বৈদেশিক মুদ্রাভান্ডার। পাশাপাশি, অর্থনীতি ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে পূর্বের প্রতিবেশীর। কারণ, বাংলাদেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) প্রায় ৮০ শতাংশ বস্ত্র রফতানির সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।
১১২০
২০২৪ সালে বাংলাদেশের মোট রফতানি বাণিজ্যের অঙ্ক ছিল ৫,৫০০ কোটি ডলার। তার মধ্যে ৩,৮৪৮ কোটি ডলারই ছিল কাপড় ও রেডিমেড পোশাক। ওই বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে ১,৯৩৭ কোটি ডলারের কাপড় রফতানি করতে পেরেছিল ঢাকা। এ ছাড়া ৭২০ কোটি ডলারের পোশাক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ৪৩৩ কোটি ডলারের পোশাক ব্রিটেনে পাঠায় তারা। ফলে ওই বছর পূর্বের প্রতিবেশী দেশটির বিদেশি মুদ্রাভান্ডারের ৮৪ শতাংশই এসেছিল বস্ত্র রফতানি থেকে।
১২২০
২০২৪ সালের ৫ অগস্ট গণ আন্দোলনের জেরে পতন হয় হাসিনা সরকারের। ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দেশের হাল ধরেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ইউনূস। তিনি কুর্সিতে বসার পর অভ্যন্তরীণ অশান্তি কমা তো দূরে থাক, উল্টে তা বেড়েছে বলা যেতে পারে। এ-হেন অরাজক পরিস্থিতিতে ঢাকার থেকে ধীরে ধীরে মুখ ফেরাতে থাকেন বিদেশি লগ্নিকারীরা।
১৩২০
গত বছর অবশ্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দূরে সরে যাওয়ার লোকসান সে ভাবে বুঝতে পারেনি ঢাকা। ২০২৬ সালের গোড়াতেই বাংলাদেশের রফতানিতে লোকসানের অঙ্ক দাঁড়ায় ৪০ কোটি ডলার। পূর্বের প্রতিবেশী দেশটিতে রেডিমেড পোশাক তৈরির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন প্রায় দেড় থেকে দু’লক্ষ মহিলা। বস্ত্রশিল্পের পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তাঁদের যে রোজগার বন্ধ হবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ফলে মিলমালিকদের ধর্মঘটের হুমকিতে পাহাড়প্রমাণ চাপের মুখে পড়েছে ইউনূসের অন্তর্বর্তিকালীন সরকার, বলছেন বিশ্লেষকেরা।
১৪২০
গত বছর চিনসফর করেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ইউনূস। সেখানে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায় তাঁকে। তিনি ঢাকায় ফেরার পর ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ট্রান্সশিপমেন্টের সুবিধা বাতিল করে নয়াদিল্লি। ফলে ঢাকার পক্ষে নেপাল ও ভুটানের মতো হিমালয়ের কোলের স্থলবেষ্টিত দেশগুলির সঙ্গে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। একধাক্কায় তাদের রফতানি খরচ বেড়ে যায় অনেকটাই।
১৫২০
হাসিনার আমলে ঢাকাকে এই ট্রান্সশিপমেন্টের সুবিধা দিয়েছিল নয়াদিল্লি। ফলে পশ্চিমবঙ্গ বা পূর্ব ভারতের কোনও স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য নেপাল বা ভুটানের মতো স্থলবেষ্টিত দেশগুলিতে বিক্রির জন্য নিয়ে যেতে পারতেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। সেই সুবিধা বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে মুম্বই দিয়ে রফতানি সামগ্রী নিয়ে যেতে হচ্ছে তাঁদের। ফলে পরিবহণ খরচ বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত যে ইউনূস প্রশাসনের বস্ত্রশিল্পের লোকসান কয়েক গুণ বৃদ্ধি করেছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
১৬২০
২০২৫ সালের এপ্রিলে নতুন পারস্পরিক শুল্ক নীতি চালু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের পণ্যে চাপে ৩৫ শতাংশ শুল্ক। ওই সময় ভারতীয় সামগ্রীতে শুল্কের অঙ্ক ছিল ২৫ শতাংশ। ফলে ওয়াশিংটনের বাজারে সস্তায় পোশাক ও সুতিবস্ত্র বিক্রি করার সুযোগ পেয়ে যায় নয়াদিল্লি। ট্রাম্পের ওই সিদ্ধান্ত ঢাকার বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতিকে চওড়া করেছে। সেখানকার বাজারে কাপড় রফতানি পূর্বের প্রতিবেশীটির জন্য এখন আর লাভজনক নয়, বলছেন বিশ্লেষকেরা।
১৭২০
শিল্প উৎপাদনের জন্য যে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন, তার জন্যও ভারতের উপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ। ঢাকার কাপড়ের মিলগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে এ দেশের ধনকুবের শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থা। গত বছর ওই বিদ্যুৎ সরবরাহ ৬০ শতাংশ কমিয়ে দেন গুজরাটের উদ্যোগপতি। কারণ ঢাকার বকেয়া বিলের অঙ্ক ৮৫ কোটিতে পৌঁছে গিয়েছিল। বিদ্যুতের অভাব সেখানকার বস্ত্রশিল্পকে রাতারাতি পঙ্গু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিদ্যুতের চুক্তির ব্যাপারে নতুন করে পর্যালোচনা চালাচ্ছে ইউনূস সরকার।
১৮২০
গত বছর বস্ত্র রফতানি বাড়াতে বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় পাকিস্তান। মধ্য এশিয়ার দেশগুলিতে কাপড় বিক্রি করতে বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয় ইসলামাবাদ। তবে সেখানকার বাজার ধরা ঢাকার পক্ষে একেবারেই সহজ নয়। কারণ ওই এলাকার দেশগুলিতে বিপুল পরিমাণে রেডিমেড পোশাক বিক্রি করে থাকে চিন। বেজিঙের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সে ভাবে বাড়াতে পারেনি ইউনূস প্রশাসন।
১৯২০
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সেই কারণেই ভারত বিরোধিতার কথা বলে নয়াদিল্লির সুতো এবং কাপড় ঢোকা বন্ধ করতে চাইছেন বাংলাদেশের মিলমালিকেরা। ইউরোপের বাজারে প্রতিযোগিতায় নামার আগে প্রতিবেশীর আর্থিক লোকসান বাড়াতে চাইছেন তাঁরা। ইইউয়ের মেগা ডিলে অনায়াসেই তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন এ দেশের রফতানি ব্যবসায়ীরা। গত বছরের নভেম্বরে কাপড়ের রফতানি ৯.৪ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
২০২০
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই তারিখেই একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট। এই পরিস্থিতিতে ভারত বিরোধিতা নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার সহজ রাস্তা হতে পারে। ফলে মিলমালিকদের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারির নেপথ্যে ঢাকার ঘরোয়া রাজনীতির হিসাবনিকাশ লুকিয়ে আছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।