এক দিকে রুশ আক্রমণের আতঙ্ক। অন্য দিকে গ্রিনল্যান্ড কব্জা করতে চেয়ে পারদ চড়াচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ-হেন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ ফৌজকে নিয়ে বোমা ফাটালেন সেখানকার ‘চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ’ (সিডিএস) এয়ার চিফ মার্শাল রিচার্ড জন নাইটন। জোড়া বিশ্বযুদ্ধ জেতা পরমাণু শক্তিধর ইংরেজরা বর্তমানে কোনও পূর্ণাঙ্গ লড়াইয়ের জন্য তৈরি নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর ওই মন্তব্যের পর ইউরোপ তথা দুনিয়া জুড়ে পড়ে গিয়েছে শোরগোল।
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনড় মনোভাব দেখানোয় হঠাৎ করেই ইউরোপের রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ডেনমার্কের মালিকানাধীনে থাকা পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপটির নিরাপত্তায় এগিয়ে এসেছে ফ্রান্স ও জার্মানি। সুর চড়িয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারও। এ-হেন পরিস্থিতিতে ইংরেজ সিডিএসের ফৌজি শক্তি নিয়ে সতর্কবার্তায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের কপালের ভাঁজ যে চওড়া হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। তবে কি এ বছর প্রতিরক্ষা খরচ বাড়াবে লন্ডন? আটলান্টিকের দ্বীপরাষ্ট্রে উঠেছে সেই প্রশ্নও।