• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিনোদন

সারা জীবন এক জনের সঙ্গে কাটাতে পারবেন না, বহু সম্পর্কের পরেও সিঙ্গল অক্ষয় খন্না

শেয়ার করুন
১৫ 1
তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে বার বার। তার পরেও প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছতে পারেননি। তবে কেরিয়ারের ঘাত প্রতিঘাতের তুলনায় তিনি অনেক বেশি বার মুখোমুখি হয়েছেন যে প্রশ্নের, তা হল, তিনি কেন অবিবাহিত? তিনি অক্ষয় খন্না।
১৫ 2
এ প্রশ্নের উত্তরও নিজের অভিনয়ের মতোই সাবলীল ভাবে দিয়েছেন বিনোদপুত্র। জানিয়েছেন, তিনি সারা জীবন একই জনের সঙ্গে কাটিয়ে দিতে পারবেন না। তাঁর কাছে ‘জীবনসঙ্গী’-র ধারণাটা সম্পূর্ণ অন্য রকম।
১৫ 3
আমির খানের মতো অক্ষয়ও নিজের অভিনয় নিয়ে সাঙ্ঘাতিক খুঁতখুঁতে। কেরিয়ারে ওঠাপড়া দেখেছেন বহু বার। কিন্তু তার পরেও যে কোনও ছবি করতে রাজি হননি। তবে যখনই কোনও ছবি করেছেন, তাঁর অভিনয় প্রভাব ফেলেছে দর্শকমনে।
১৫ 4
অক্ষয়ের প্রথম ছবি ‘হিমালয়পুত্র’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৭ সালে। প্রথম ছবিতেই নজর কাড়েন নবাগত অক্ষয়। তবে প্রথম ছবির সাফল্যকে ছাপিয়ে যায় দ্বিতীয় ছবি ‘বর্ডার’। সেখানে লেফ্টেন্যান্ট ধর্মবীর সিংহ ভানের চরিত্রে অক্ষয়ের অভিনয় ছিল ছবির সাফল্যের অন্যতম তুরুপের তাস।
১৫ 5
শুধুমাত্র নিজের বাবার পরিচয়কে অবলম্বন করে সাফল্যের সিঁড়িতে পা রাখতে চাননি অক্ষয়। বরং, তাঁর মূলধন ছিল অভিনয় প্রতিভাই। অক্ষয়ের ফিল্মোগ্রাফিতে উল্লেখযোগ্য অন্যান্য ছবি হল ‘ডোলি সাজা কে রাখনা’, ‘কুদরত’, ‘তাল’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’, ‘হাঙ্গামা’, ‘এলওসি কার্গিল’, ‘হালচাল’, ‘গাঁধী মাই ফাদার’, ‘রেস’, ‘লাক বাই চান্স’, ‘মম’, ‘আক্রোশ’ এবং ‘ইত্তেফাক’।
১৫ 6
ভাল অভিনয় করা সত্ত্বেও কোনও দিন বলিউডের ইঁদুরদৌড়ে সামিল হননি অক্ষয়। এক নম্বর নায়ক হওয়ার কোনও স্বপ্নের পিছনেও দৌড়ে যাননি। সে সব নিয়ে তাঁর মাথাব্যথাও নেই। তিনি নিজের জীবনের একান্ত নিভৃত কোণেই বিভোর।
১৫ 7
এক বার অক্ষয় সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি বিয়ে করতে চান না। কারণ তিনি মনে করেন, সমাজের প্রচলিত নিয়ম মেনে তিনি বিয়ের জন্য আদর্শ নন। বিয়ে নামের প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঘোরতর আপত্তি তাঁর।
১৫ 8
নিজের জীবন কারও সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান না তিনি। কারও সঙ্গে সুখ দুঃখ ভাগ করে নিলে অন্য দিকে নিজের জীবনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণও হারাতে হয়। মনে করেন অক্ষয়। তিনি সেটা চান না। তিনি জীবন চালাতে চান তাঁর নিজের শর্তেই।
১৫ 9
অবিবাহিত তারকা ইন্ডাস্ট্রিতে আরও আছেন। তুষার কপূর এবং কর্ণ জোহর যেমন বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনেক দিনই। কিন্তু তাঁরা সন্তানের বাবা হয়েছেন। সিঙ্গল পেরেন্ট হিসেবে বড় করছেন তাদের। কিন্তু সে পথে হাঁটতেও নারাজ অক্ষয়।
১০১৫ 10
কেন? এখানেও সেই জীবন ভাগ করে নেওয়ার প্রশ্ন। কারণ সন্তান এলে জীবনের মুখ্য শর্ত হয়ে দাঁড়ায় সেই শিশুই। ফলে বিসর্জন দিতে হয় জীবনের অনেক শখ। সে পথে হাঁটতে রাজি নন অক্ষয়।
১১১৫ 11
কিন্তু তাঁর জীবনে যে প্রেম আসেনি, তা নয়। কেরিয়ারের প্রথমে ঐশ্বর্যা রাই এবং তার পরে রিয়া সেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল।
১২১৫ 12
তার পর অক্ষয়ের জীবনে এসেছিলেন তারা শর্মা। তাঁকে নিয়ে অক্ষয় সিরিয়াস ছিলেন। কিন্তু সে সম্পর্কও বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। যদিও এই সম্পর্কের কথা কোনও দিন স্বীকার করেননি অক্ষয়। তিনি নিজেও বহু তরুণীর হার্টথ্রব ছিলেন। করিনা কপূর এক বার জানিয়েছিলেন, কৈশোরে তিনি অক্ষয় খন্নার জন্য পাগল ছিলেন।
১৩১৫ 13
কিন্তু অক্ষয় কোনও সম্পর্কে বাঁধা পড়তে রাজি নন। নিজেই জানিয়েছেন, তিনি ‘কমিটমেন্ট-ফোবিক’। কারও সঙ্গে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে ভয় পান। বরং, একা থাকতেই তাঁর ভাল লাগে। নিজের সঙ্গে নিজের মতো করে কাটানো মুহূর্তই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
১৪১৫ 14
তাঁর কাছে কোনও সম্পর্ক তত ক্ষণই উপভোগ্য, যত ক্ষণ সেই সান্নিধ্য দু’জনেরই ভাল লাগছে। অক্ষয় মনে করেন, একসঙ্গে সম্পর্কে থাকার মতো বিচ্ছেদও সুন্দর হওয়া উচিত। বিয়ের মতো সমাজে প্রচলিত কাদা ছোড়াছুড়ির ডিভোর্স-প্রথাও তাঁর অপছন্দ।
১৫১৫ 15
অভিনেতা মনে করেন, তাঁর এই আপাত অসামাজিক ভাবমূর্তি নিয়ে তিনি প্রচলিত রীতিনীতির মাঝে বেমানান। কিন্তু তিনি নিজেকে নিয়ে খুশি। অন্য নায়কের মতো নিজের লুক নিয়েও ভাবনাচিন্তা বা পরীক্ষা নিরীক্ষায় নারাজ অক্ষয়। ‘মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর’ হয়ে নিজের মতো জীবনকে উপভোগ করতে চান এই তারকা।

Advertisement

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
বাছাই খবর
আরও পড়ুন