India Squad for the 2016 T20 World Cup Under MS Dhoni’s Captaincy dgtl
2016 T20 World Cup India Team
নেতৃত্বে ধোনি, ছিলেন রো-কো! কেমন ছিল দেশের মাটিতে ১০ বছর আগে শেষ টি২০ বিশ্বকাপ খেলা ভারতীয় দল?
আর কয়েক দিন পর থেকেই শুরু হবে টি২০ বিশ্বকাপ। এ বারের বিশ্বকাপের আসর বসছে ভারত এবং শ্রীলঙ্কায়। ১০ বছর আগে শেষ বার এ দেশে বসেছিল টি২০ বিশ্বকাপের আসর।
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:০২
Share:Save:
এই খবরটি সেভ করে রাখার জন্য পাশের আইকনটি ক্লিক করুন।
০১২১
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপের আসর। চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। এ বারের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। ট্রফির লড়াইয়ে নামছে মোটি ২০টি দল।
০২২১
সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত দেশের মাটিতে নামছে আবার কাপ জেতার আশায়। গত বার বিশ্বকাপ জেতা দল এ বারও কাপ জেতার সেরা দাবিদার।
০৩২১
ভারতের মাটিতে শেষ বার টি২০ বিশ্বকাপের আসর বসেছিল ২০১৬ সালে। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেই দল অবশ্য আশা জাগিয়েও অভিযান শেষ করে সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের সঙ্গে হেরে।
০৪২১
কারা ছিলেন ধোনির সেই দলে? কেমন পারফর্ম করেছিল সেই দল? সেই দলের কোন দুই সদস্য এ বারেও রয়েছেন বিশ্বকাপের দলে? দেখে নেওয়া যাক।
০৫২১
রোহিত শর্মা: ১০ বছর আগের বিশ্বকাপে সে ভাবে কথা বলেনি রোহিত শর্মার ব্যাট। সেমি ফাইনালে ৩১ বলে ৪৩ রান করা ছাড়া বলার মতো স্কোর ছিল না ডানহাতি ওপেনারের ব্যাটে।
০৬২১
শিখর ধওয়ন: বিশ্বকাপে রোহিতের সঙ্গে চারটি ম্যাচে ওপেন করেছিলেন বাঁহাতি শিখর। ফর্মে না থাকায় তাঁকে ছাড়াই সেমি ফাইনালে নামে ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২২ বলে ২৩ রান ছিল সে বারের বিশ্বকাপে তাঁর সেরা স্কোর।
০৭২১
বিরাট কোহলি: ভারতের একমাত্র ব্যাটার যিনি গোটা বিশ্বকাপে ফর্মে ছিলেন তিনি বিরাট কোহলি। পাকিস্তান আর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হন বিরাট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে শেষ চারের ম্যাচে অপরাজিত ৮৯ রান করলেও ম্যাচ হারতে হয় ভারতকে।
০৮২১
মণীশ পাণ্ডে: ধোনির দলের মিডল অর্ডারে ছিলেন মণীশ পাণ্ডে। তবে গোটা টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে নামতে দেখা যায়নি তাঁকে। প্রথম একাদশেও ছিলেন মাত্র একটি ম্যাচে।
০৯২১
অজিঙ্ক রহানে: মণীশের মতো রাহানেও সুযোগ পান মাত্র একটি ম্যাচে। শিখর ধওয়নের জায়গায় সেমি ফাইনালে ওপেন করতে নেমে ৩৫ বলে ৪০ রান করেছিলেন ডানহাতি মুম্বইকর।
১০২১
সুরেশ রায়না: ১০ বছর আগের দলের মিডল অর্ডারের ভরসা ছিলেন সুরেশ রায়না। তবে ব্যাটার রায়নার চেয়ে বোলার রায়নার ফর্ম ছিল ভাল। প্রায় প্রতি ম্যাচেই উইকেট পেয়েছিলেন রায়না।
১১২১
মহেন্দ্র সিংহ ধোনি: সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তবে ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি ক্যাপ্টেন কুলও। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩০ রানের ইনিংস ছাড়া বলার মতো স্কোর আসেনি তাঁর ব্যাট থেকে।
১২২১
যুবরাজ সিংহ: ব্যাট হোক বা বল, গোটা টুর্নামেন্টেই ব্যর্থ হয়েছিলেন যুবরাজ। টানা ব্যর্থতার জন্য সেমি ফাইনালের প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েন বাঁহাতি অলরাউন্ডার।
১৩২১
রবীন্দ্র জাডেজা: ব্যাট হাতে একেবারে দাগ কাটতে না পারলেও বল হাতে কিছুটা মুখরক্ষা করেন জাডেজা। তবে সেমি ফাইনালে ভারতের হারের নেপথ্যে ছিলেন বোলার জাডেজাও। তাঁর ৪ ওভারে ৪৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেন রাসেল-সিমন্সরা।
১৪২১
হার্দিক পাণ্ড্য: ১০ বছর আগের দলের যে দু’জন সদস্য এ বারেও ১৫ জনের দলে রয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম হার্দিক। তবে ২০১৬ বিশ্বকাপে তেমন কিছু করতে পারেননি ব্যাটার হার্দিক। সেমি ফাইনাল বাদে অবশ্য বল হাতে কিছুটা মুখরক্ষা করেছিলেন ডানহাতি অলরাউন্ডার।
১৫২১
রবিচন্দ্রন অশ্বিন: টুর্নামেন্টে সব ম্যাচ খেললেও প্রথম তিন ম্যাচে বল হাতে যতটা ভয়ঙ্কর ছিলেন, পরে আর ততটা কর্তৃত্ব দেখাতে পারেননি অশ্বিন। ব্যাট হাতেও বলার মতো পারফরম্যান্স ছিল না তাঁর।
১৬২১
পবন নেগি: গোটা টুর্নামেন্টে একটিও ম্যাচ খেলেননি পবন নেগি। কেরিয়ারে জাতীয় দলের হয়ে একটিমাত্র ম্যাচ খেলেছেন নেগি। উইকেট নিয়েছেন একটি।
১৭২১
হরভজন সিংহ: দুই অফস্পিনারের লড়াইয়ে বিশ্বকাপে একটিও ম্যাচ খেলা হয়নি হরভজন সিংহের। অশ্বিন থাকায় গোটা টুর্নামেন্টে ব্রাত্য থেকে গিয়েছিলেন ভাজ্জি।
১৮২১
জসপ্রিত বুমরাহ: ১০ বছর আগের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সদস্য যিনি এ বারেও বিশ্বকাপের দলে রয়েছেন। তবে গত বার নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচ বাদ দিলে একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি ডানহাতি পেসার।
১৯২১
মহম্মদ শামি: প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি শামিও। নেহরা এবং বুমরাহ থাকায় গোটা বিশ্বকাপে মাঠের বাইরেই কাটাতে হয়েছিল বাংলার পেসারকে।
২০২১
আশিষ নেহরা: বিশ্বকাপের পাঁচ ম্যাচের প্রত্যেকটিতেই একটি করে উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি পেসার। নতুন বলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাঁকে ভরসা করেছিলেন ধোনি।
২১২১
সে বার ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয় নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচের মাধ্যমে। মাত্র ৭৯ রানে গুটিয়ে গিয়ে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে ধোনির ভারত। পরের তিন ম্যাচে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমি ফাইনালে ওঠে ভারত। তবে সেমি ফাইনালে সিমন্স-রাসেলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে হার মানতে হয় ভারতকে।