উন্মত্ত জনতাকে শিক্ষা দিতে কঠোর দমননীতি। অগ্নিগর্ভ ইরানে মন্ত্রের মতো কাজ করেছে সেই ‘ওষুধ’। ফলে মাত্র তিন সপ্তাহেই বিক্ষোভকারীদের একরকম ‘ঠান্ডা ঘরে’ ঢুকিয়ে দিলেন তেহরানের শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। সূত্রের খবর, জনরোষ থামাতে হিজ়বুল্লা এবং শিয়া সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মাঠে নামান তিনি। আন্দোলন বন্ধ করানোর নামে সাবেক পারস্য দেশের মাটি রক্তে ভিজিয়ে দিতে হাত কাঁপেনি তাঁদের, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে একাধিক মানবাধিকার সংগঠন।
পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে গণবিক্ষোভ তীব্র হতেই একাধিক ইরানি নিরাপত্তাবাহিনীকে ‘দেখামাত্র গুলি করার’ নির্দেশ দেন খামেনেই। কিন্তু, তাদেরই একাংশ এই কাজে অস্বীকৃত হলে প্রমাদ গোনেন তেহরানের ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা। এ ব্যাপারে জোর করলে পরিস্থিতি যে হিতে বিপরীত হতে পারে, তা বুঝতে দেরি হয়নি তাঁর। ফলে কিছুটা বাধ্য হয়েই আরবিভাষী শিয়া গোষ্ঠীগুলিকে তলব করেন খামেনেই। কঠোর দমননীতিতে দ্রুত জনরোষ নিয়ন্ত্রণে আনতে বলা হয় তাদের।