Advertisement
১৫ জুন ২০২৪
Locket Chatterjee

সিনেমার লকেট বনাম রাজনীতির লকেট, অভিনেত্রী না কি নেত্রী, কোন ইনিংসে এগিয়ে পদ্ম-প্রার্থী!

টলিউড অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় রাজনীতিতে এসেছিলেন তৃণমূলে যোগ দিয়ে। খুব বেশি দিন অবশ্য তিনি ঘাসফুলে থাকেননি। যান পদ্মফুলে। তাঁকে অনেকে ‘বঙ্গ বিজেপির লক্ষ্মী’ বলে ডাকেন।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৪ ১১:১৭
Share: Save:
০১ ১৭
চুল বাঁধা। শাড়ির আঁচল সেফটি পিনের শাসন মেনে চলছে। কপালে সিঁদুরের বড় টিপ, চোখে চশমা। চৈত্র মাসের গরমে চাঁদিফাটা রোদে ভোটের প্রচারে এমন ভাবেই দেখা যাচ্ছে টলিউডের অভিনেত্রী তথা হুগলি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। স্বভাব চিরাচরিত লকেটসুলভ। যেন যে কোনও মুহূর্তে শাড়ির আঁচল কোমরে বেঁধে যুদ্ধে নামতে তৈরি।

চুল বাঁধা। শাড়ির আঁচল সেফটি পিনের শাসন মেনে চলছে। কপালে সিঁদুরের বড় টিপ, চোখে চশমা। চৈত্র মাসের গরমে চাঁদিফাটা রোদে ভোটের প্রচারে এমন ভাবেই দেখা যাচ্ছে টলিউডের অভিনেত্রী তথা হুগলি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। স্বভাব চিরাচরিত লকেটসুলভ। যেন যে কোনও মুহূর্তে শাড়ির আঁচল কোমরে বেঁধে যুদ্ধে নামতে তৈরি।

০২ ১৭
বড় পর্দা থেকে সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে। ‘যুদ্ধংদেহি’ আচরণের জন্য রাজনীতিক হিসাবে তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে প্রতিবাদী পরিচয়। কখনও ত্রিশূল হাতে মিছিলে পা মিলিয়েছেন। কখনও বা রাস্তায় ধর্নায় বসে পড়েছেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অভিনেত্রী মুখ লকেট পুরোদস্তুর রাজনীতিক।

বড় পর্দা থেকে সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে। ‘যুদ্ধংদেহি’ আচরণের জন্য রাজনীতিক হিসাবে তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে প্রতিবাদী পরিচয়। কখনও ত্রিশূল হাতে মিছিলে পা মিলিয়েছেন। কখনও বা রাস্তায় ধর্নায় বসে পড়েছেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অভিনেত্রী মুখ লকেট পুরোদস্তুর রাজনীতিক।

০৩ ১৭
‘মুক্ত আকাশ’-এর খোঁজেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন লকেট। অথচ তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি অন্য রাজনৈতিক শিবিরে। তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন লকেট। ২০১৫ সাল। তৃণমূলের গলা থেকে ‘লকেট’ ছিনিয়ে নিয়েছিল বিজেপি! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। বিজেপিতে যোগ দিয়েই গলায় প্রতিবাদের সুর চড়িয়েছিলেন তিনি।

‘মুক্ত আকাশ’-এর খোঁজেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন লকেট। অথচ তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি অন্য রাজনৈতিক শিবিরে। তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন লকেট। ২০১৫ সাল। তৃণমূলের গলা থেকে ‘লকেট’ ছিনিয়ে নিয়েছিল বিজেপি! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। বিজেপিতে যোগ দিয়েই গলায় প্রতিবাদের সুর চড়িয়েছিলেন তিনি।

০৪ ১৭
লকেটের দাবি, তৃণমূলে থেকে নাকি ‘দমবন্ধ’ লাগছিল তাঁর। ‘দমবন্ধ’ পরিবেশ থেকে বেরিয়ে ‘মুক্ত আকাশ’-এ ডানা মেলেছিলেন তিনি। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অভিনেত্রী বলেছিলেন, “মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূলে এসেছিলাম। কিন্তু কাজ করতে পারছিলাম না। দমবন্ধ লাগছিল। বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দলে প্রতিবাদ করেছি। লাভ হয়নি। তাই দল ছাড়তে বাধ্য হলাম।” সারদার ছায়ায় দলে যে অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল তারও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে লকেট বলেছিলেন, “তৃণমূলে কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। শুধুমাত্র কাজ করার জন্যই এসেছিলাম। দুর্নীতির ভাগীদার হব কেন?” ‘দমবন্ধ’ অভিনেত্রী বিজেপিকে ‘মুক্ত আকাশ’-এর সঙ্গেও তুলনা করে বলেছিলেন, “দলের মধ্যে থেকে তো প্রতিবাদ করতে পারলাম না! মনে হল, বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করাটাই সহজ।” তার পর থেকেই লকেটের কন্ঠস্বর হয়ে উঠল ‘প্রতিবাদী’।

লকেটের দাবি, তৃণমূলে থেকে নাকি ‘দমবন্ধ’ লাগছিল তাঁর। ‘দমবন্ধ’ পরিবেশ থেকে বেরিয়ে ‘মুক্ত আকাশ’-এ ডানা মেলেছিলেন তিনি। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অভিনেত্রী বলেছিলেন, “মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূলে এসেছিলাম। কিন্তু কাজ করতে পারছিলাম না। দমবন্ধ লাগছিল। বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দলে প্রতিবাদ করেছি। লাভ হয়নি। তাই দল ছাড়তে বাধ্য হলাম।” সারদার ছায়ায় দলে যে অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল তারও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে লকেট বলেছিলেন, “তৃণমূলে কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। শুধুমাত্র কাজ করার জন্যই এসেছিলাম। দুর্নীতির ভাগীদার হব কেন?” ‘দমবন্ধ’ অভিনেত্রী বিজেপিকে ‘মুক্ত আকাশ’-এর সঙ্গেও তুলনা করে বলেছিলেন, “দলের মধ্যে থেকে তো প্রতিবাদ করতে পারলাম না! মনে হল, বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করাটাই সহজ।” তার পর থেকেই লকেটের কন্ঠস্বর হয়ে উঠল ‘প্রতিবাদী’।

০৫ ১৭
২০০৯ সালে সিপিএমের সাংসদ রূপচাঁদ পালকে হারিয়ে রত্না দে নাগ হুগলিতে প্রথম বার সাংসদ হয়েছিলেন। তৃণমূল সাংসদ রত্নাকে হারিয়ে হুগলির নয়া সাংসদ হয়েছিলেন লকেট। ২০১৭ সালে মহিলা মোর্চার সভানেত্রী পদে বিজেপি নেতৃত্ব পছন্দ করেছিলেন লকেটকে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে সরিয়ে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভাপতি করা হয় লকেটকে। তার পর সেই দায়িত্ব সামলান অগ্নিমিত্রা পাল। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়ার প্রার্থী হয়েছিলেন লকেট। কিন্তু ১৪ হাজার ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী অসিত মজুমদারের কাছে হেরে যান তিনি। ২০২২ সালে সংসদের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদে রদবদল হয়। খাদ্য, গ্রাহক বিষয়ক ও গণবণ্টন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে চেয়ারপার্সন করা হয় লকেটকে। ২০২২ সালে উত্তরাখণ্ড বিধানসভা ভোটে বিজেপি নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে। বিজেপির রাজনৈতিক মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরাখণ্ড— এই দুই রাজ্যের মধ্যে সংযোগস্থাপন করেছিলেন লকেট। সেই সময় উত্তরাখণ্ডে বিজেপির সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল লকেটকে।

২০০৯ সালে সিপিএমের সাংসদ রূপচাঁদ পালকে হারিয়ে রত্না দে নাগ হুগলিতে প্রথম বার সাংসদ হয়েছিলেন। তৃণমূল সাংসদ রত্নাকে হারিয়ে হুগলির নয়া সাংসদ হয়েছিলেন লকেট। ২০১৭ সালে মহিলা মোর্চার সভানেত্রী পদে বিজেপি নেতৃত্ব পছন্দ করেছিলেন লকেটকে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে সরিয়ে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভাপতি করা হয় লকেটকে। তার পর সেই দায়িত্ব সামলান অগ্নিমিত্রা পাল। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়ার প্রার্থী হয়েছিলেন লকেট। কিন্তু ১৪ হাজার ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী অসিত মজুমদারের কাছে হেরে যান তিনি। ২০২২ সালে সংসদের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদে রদবদল হয়। খাদ্য, গ্রাহক বিষয়ক ও গণবণ্টন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে চেয়ারপার্সন করা হয় লকেটকে। ২০২২ সালে উত্তরাখণ্ড বিধানসভা ভোটে বিজেপি নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে। বিজেপির রাজনৈতিক মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরাখণ্ড— এই দুই রাজ্যের মধ্যে সংযোগস্থাপন করেছিলেন লকেট। সেই সময় উত্তরাখণ্ডে বিজেপির সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল লকেটকে।

০৬ ১৭
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর আসনে তৃণমূলের কাছে পরাজিত হন। পরের বছরই বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী করা হয় তাঁকে। ২০১৯ সালে হুগলি কেন্দ্র থেকে জিতে লোকসভায় যাওয়া লকেটের গুরুত্ব বাড়তে থাকে দলেও। তার পর লকেটকে রাজ্যের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক করা হয়। নীলবাড়ি দখলের লড়াইয়ে কৃষকের মন পেতে বিজেপির তরফে বিশেষ অভিযানে সামনে রাখা হয় লকেটকে। ২০২১ সালে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা বাংলা সফরে এসে ‘কৃষক সুরক্ষা অভিযান’-এর সূচনা করেছিলেন। রাজ্য বিজেপির ওই কর্মসূচির ‘মুখ’ করা হয় লকেটকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সুসম্পর্ক লকেটের। মোদীর নিবাসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখিও বেঁধেছিলেন বাংলার বিজেপি নেত্রী। ২০২০ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন লকেট। ‘হোম আইসোলেশন’-এ ছিলেন তিনি। সেরে উঠে আবার রাজনীতির কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর আসনে তৃণমূলের কাছে পরাজিত হন। পরের বছরই বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী করা হয় তাঁকে। ২০১৯ সালে হুগলি কেন্দ্র থেকে জিতে লোকসভায় যাওয়া লকেটের গুরুত্ব বাড়তে থাকে দলেও। তার পর লকেটকে রাজ্যের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক করা হয়। নীলবাড়ি দখলের লড়াইয়ে কৃষকের মন পেতে বিজেপির তরফে বিশেষ অভিযানে সামনে রাখা হয় লকেটকে। ২০২১ সালে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা বাংলা সফরে এসে ‘কৃষক সুরক্ষা অভিযান’-এর সূচনা করেছিলেন। রাজ্য বিজেপির ওই কর্মসূচির ‘মুখ’ করা হয় লকেটকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সুসম্পর্ক লকেটের। মোদীর নিবাসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখিও বেঁধেছিলেন বাংলার বিজেপি নেত্রী। ২০২০ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন লকেট। ‘হোম আইসোলেশন’-এ ছিলেন তিনি। সেরে উঠে আবার রাজনীতির কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

০৭ ১৭
প্রচারের ক্ষেত্রে অভিনব পন্থার আশ্রয় নিতে পছন্দ করেন লকেট। কখনও গরুর গাড়ি, কখনও নৌকা, কখনও বা সাইকেল চালিয়েও প্রচার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। লোকাল ট্রেনে উঠে পড়তেও বাদ রাখেননি তিনি।

প্রচারের ক্ষেত্রে অভিনব পন্থার আশ্রয় নিতে পছন্দ করেন লকেট। কখনও গরুর গাড়ি, কখনও নৌকা, কখনও বা সাইকেল চালিয়েও প্রচার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। লোকাল ট্রেনে উঠে পড়তেও বাদ রাখেননি তিনি।

০৮ ১৭
লকেটের জন্ম ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যোগমায়াদেবী কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক হন তিনি। রাজনীতির ময়দানে যে ব্যাট ধরবেন, তা ছাত্রীজীবনে জানতেন না দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের পুরোহিত বংশের কন্যা লকেট।।

লকেটের জন্ম ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যোগমায়াদেবী কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক হন তিনি। রাজনীতির ময়দানে যে ব্যাট ধরবেন, তা ছাত্রীজীবনে জানতেন না দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের পুরোহিত বংশের কন্যা লকেট।।

০৯ ১৭
ছাত্রীজীবনে নাচ এবং অভিনয় নিয়ে আগ্রহী ছিলেন লকেট। মেয়ের আগ্রহ দেখে মা ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন নাচের স্কুলে। তার পর নাচ থেকে অভিনয়জগতে পদার্পণ লকেটের।

ছাত্রীজীবনে নাচ এবং অভিনয় নিয়ে আগ্রহী ছিলেন লকেট। মেয়ের আগ্রহ দেখে মা ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন নাচের স্কুলে। তার পর নাচ থেকে অভিনয়জগতে পদার্পণ লকেটের।

১০ ১৭
লকেট অভিনয়ের প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন ছোট পর্দায়। ‘দুর্গেশনন্দিনী’, ‘বেহুলা’, ‘ভালবাসা থেকে যায়’ এবং ‘মা মনসা’র মতো একাধিক বাংলা ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে।

লকেট অভিনয়ের প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন ছোট পর্দায়। ‘দুর্গেশনন্দিনী’, ‘বেহুলা’, ‘ভালবাসা থেকে যায়’ এবং ‘মা মনসা’র মতো একাধিক বাংলা ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে।

১১ ১৭
বড় পর্দারও জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন লকেট। ‘মায়ের আঁচল’, ‘পরিবার’, ‘অগ্নি’, ‘ত্যাগ’, ‘ক্রান্তি’, ‘অভিমন্যু’, ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘গোঁসাইবাগানের ভূত’, ‘লে হালুয়া লে’, ‘অভিশপ্ত নাইটি’ এবং ‘খোকাবাবু’র মতো বহু বাংলা ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার পর অভিনেত্রী লকেটের জীবনে রাজনীতির অধ্যায় শুরু হয়।

বড় পর্দারও জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন লকেট। ‘মায়ের আঁচল’, ‘পরিবার’, ‘অগ্নি’, ‘ত্যাগ’, ‘ক্রান্তি’, ‘অভিমন্যু’, ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘গোঁসাইবাগানের ভূত’, ‘লে হালুয়া লে’, ‘অভিশপ্ত নাইটি’ এবং ‘খোকাবাবু’র মতো বহু বাংলা ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। তার পর অভিনেত্রী লকেটের জীবনে রাজনীতির অধ্যায় শুরু হয়।

১২ ১৭
টলিউড অভিনেত্রী লকেট রাজনীতিতে এসেছিলেন অধুনা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের মারফত তৃণমূলে যোগ দিয়ে। খুব বেশি দিন অবশ্য তিনি ঘাসফুলে থাকেননি। যান পদ্মফুলে। সংগঠন সামলাতে সামলাতে সাংসদ। তাঁকে অনেকে বলে থাকেন ‘বঙ্গ বিজেপির লক্ষ্মী’।

টলিউড অভিনেত্রী লকেট রাজনীতিতে এসেছিলেন অধুনা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের মারফত তৃণমূলে যোগ দিয়ে। খুব বেশি দিন অবশ্য তিনি ঘাসফুলে থাকেননি। যান পদ্মফুলে। সংগঠন সামলাতে সামলাতে সাংসদ। তাঁকে অনেকে বলে থাকেন ‘বঙ্গ বিজেপির লক্ষ্মী’।

১৩ ১৭
‘লক্ষ্মী’ লকেট বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বিধানসভায় নির্বাচনে টিকিট পান। প্রথমে মহিলা মোর্চার রাজ্য সভাপতি এবং পরে রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে হুগলি লোকসভায় জিতে সাংসদ হয়েছিলেন বিজেপির লকেট। পদ্মের ভাঁড়ারে লোকসভার আসনসংখ্যা অপ্রত্যাশিত ভাবে বাড়িয়ে ফেলেছিলেন লকেট।

‘লক্ষ্মী’ লকেট বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বিধানসভায় নির্বাচনে টিকিট পান। প্রথমে মহিলা মোর্চার রাজ্য সভাপতি এবং পরে রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে হুগলি লোকসভায় জিতে সাংসদ হয়েছিলেন বিজেপির লকেট। পদ্মের ভাঁড়ারে লোকসভার আসনসংখ্যা অপ্রত্যাশিত ভাবে বাড়িয়ে ফেলেছিলেন লকেট।

১৪ ১৭
লোকসভা ভোটে লকেটের বিরুদ্ধে রাজনীতির মঞ্চে নেমেছেন তাঁরই টলিউডের সহকর্মী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুগলি কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন ‘দিদি নম্বর ১’। তৃণমূল প্রার্থী রচনার সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে লকেটের। তবে ভোটের ময়দানে দুই তারকা প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী। লকেটের প্রায় বছর নয়েক আগে ছবির জগতে পা দেন রচনা। তবে অভিনয় জীবনে রচনা অনেকটা প্রবীণ হলেও রাজনীতিতে এগিয়ে রয়েছেন লকেট। লোকসভা এবং বিধানসভা মিলিয়ে তিন-তিনটি ভোটে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

লোকসভা ভোটে লকেটের বিরুদ্ধে রাজনীতির মঞ্চে নেমেছেন তাঁরই টলিউডের সহকর্মী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুগলি কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন ‘দিদি নম্বর ১’। তৃণমূল প্রার্থী রচনার সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে লকেটের। তবে ভোটের ময়দানে দুই তারকা প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী। লকেটের প্রায় বছর নয়েক আগে ছবির জগতে পা দেন রচনা। তবে অভিনয় জীবনে রচনা অনেকটা প্রবীণ হলেও রাজনীতিতে এগিয়ে রয়েছেন লকেট। লোকসভা এবং বিধানসভা মিলিয়ে তিন-তিনটি ভোটে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

১৫ ১৭
প্রায় দীর্ঘ ১৭ বছরের বন্ধুত্ব রয়েছে লকেট এবং রচনার। ‘কর্তব্য’ ছবিতে প্রথম বার একসঙ্গে কাজ করেছিলেন দু’জনে। তার পরে একের পর এক সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন রচনা এবং লকেট। ‘মায়ের আঁচল’, ‘পরিবার’, ‘অগ্নি’, ‘ত্যাগ’— দু’বছরের মধ্যে পাঁচটি সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন দু’জনে।

প্রায় দীর্ঘ ১৭ বছরের বন্ধুত্ব রয়েছে লকেট এবং রচনার। ‘কর্তব্য’ ছবিতে প্রথম বার একসঙ্গে কাজ করেছিলেন দু’জনে। তার পরে একের পর এক সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন রচনা এবং লকেট। ‘মায়ের আঁচল’, ‘পরিবার’, ‘অগ্নি’, ‘ত্যাগ’— দু’বছরের মধ্যে পাঁচটি সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন দু’জনে।

১৬ ১৭
‘জন্মদাতা’, ‘চাওয়া পাওয়া’র মতো ছবিতেও কাজ করেছেন রচনা এবং লকেট। কখনও তাঁরা জায়ের চরিত্রে, কখনও বান্ধবীর চরিত্রে। তবে মিলের থেকে দুই চরিত্রের মধ্যে অমিলই যেন বেশি দেখা গিয়েছিল পর্দায়। বরাবরই ছবির নায়িকা রচনা এবং খানিকটা হলেও ‘দুষ্টু’ চরিত্রে লকেট। ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হঠাৎ একদিন’ ছবিতে শেষ কাজ করতে দেখা যায় দু’জনকে।

‘জন্মদাতা’, ‘চাওয়া পাওয়া’র মতো ছবিতেও কাজ করেছেন রচনা এবং লকেট। কখনও তাঁরা জায়ের চরিত্রে, কখনও বান্ধবীর চরিত্রে। তবে মিলের থেকে দুই চরিত্রের মধ্যে অমিলই যেন বেশি দেখা গিয়েছিল পর্দায়। বরাবরই ছবির নায়িকা রচনা এবং খানিকটা হলেও ‘দুষ্টু’ চরিত্রে লকেট। ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হঠাৎ একদিন’ ছবিতে শেষ কাজ করতে দেখা যায় দু’জনকে।

১৭ ১৭
২০১৭-১৮ সাল থেকেই অভিনেত্রীর খোলস ছেড়ে মাঠঘাটের সক্রিয় রাজনীতিতে ঢুকে পড়েছিলেন লকেট। তার আগে ২০১১ সালে তৃণমূলে এবং ২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দিলেও অভিনয় চালিয়ে গিয়েছেন লকেট। ২০১৪ সালে ‘গোগোলের কীর্তি’ ছবিতে গোগোলের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন লকেট। এক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ‘গোয়েন্দা গোগোল’ ছবিতে একই চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল রচনাকে। লকেটের চেয়ে বিনোদন জগতে ‘সিনিয়র’ এবং রাজনীতিতে ‘জুনিয়র’ রচনা। ভোটের যুদ্ধে মুখোমুখি দুই অভিনেত্রী। তৃণমূলের ‘দিদি নম্বর ১’কে কি ভোটের অঙ্কে ছাপিয়ে যাবেন বিজেপির ‘প্রতিবাদী’ মুখ? উত্তর ভবিষ্যতের গর্ভে।

২০১৭-১৮ সাল থেকেই অভিনেত্রীর খোলস ছেড়ে মাঠঘাটের সক্রিয় রাজনীতিতে ঢুকে পড়েছিলেন লকেট। তার আগে ২০১১ সালে তৃণমূলে এবং ২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দিলেও অভিনয় চালিয়ে গিয়েছেন লকেট। ২০১৪ সালে ‘গোগোলের কীর্তি’ ছবিতে গোগোলের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন লকেট। এক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ‘গোয়েন্দা গোগোল’ ছবিতে একই চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল রচনাকে। লকেটের চেয়ে বিনোদন জগতে ‘সিনিয়র’ এবং রাজনীতিতে ‘জুনিয়র’ রচনা। ভোটের যুদ্ধে মুখোমুখি দুই অভিনেত্রী। তৃণমূলের ‘দিদি নম্বর ১’কে কি ভোটের অঙ্কে ছাপিয়ে যাবেন বিজেপির ‘প্রতিবাদী’ মুখ? উত্তর ভবিষ্যতের গর্ভে।

সকল ছবি আনন্দবাজার আর্কাইভ থেকে নেওয়া।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE