ওজন বেশি হলে সকালের জলখাবারে কী খাবেন তা নিয়ে চিন্তা থাকেই। দুধ-ওট্স বা ডালিয়ার খিচুরি খেতে বড্ড একঘেয়ে লাগে। স্বাস্থ্যকর অথচ সুস্বাদু জলখাবার খাওয়ার ইচ্ছা হলে ভরসা রাখতে পারেন চিলার উপর। প্রাতরাশে হোক বা ছোটদের টিফিনে, রকমারি চিলা হতেই পারে স্বাস্থ্যকর বিকল্প।
মেথি চিলা: বেসনের সঙ্গে মেথিশাক কুচিয়ে মিশিয়ে দিন। তার পর সেই মিশ্রণে হলুদগুঁড়ো, নুন, কাঁচালঙ্কাকুচি, ধনেপাতাকুচি আর জল দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নিন। ফ্রায়িং প্যানে ঘি গরম করে গোল গোল আকারে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মেথি চিলা।
বেসনের চিলা: বেসনের মধ্যে বাঁধাকপিকুচি, পেঁয়াজকুচি, লঙ্কাকুচি, ক্যাপসিকামকুচি, নুন, ধনেপাতাকুচি আর জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নিয়ে অল্প তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে বেসনের চিলা।
মুগডালের চিলা: মুগডাল বেটে তাতে স্বাদ মতো নুন, চিনি, লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করুন মিশ্রণ। ফ্রায়িং প্যানে সামান্য তেল বা ঘি দিয়ে মুগ ডালের মিশ্রণটি অল্প দিয়ে ছড়িয়ে দু’পাশ ভেজে তুলে নিন। চাইলে শশা, টম্যাটো, পেঁয়াজ, ধনেপাতা কুচি করে কেটে পনিরের সঙ্গে তাওয়ায় নেড়ে ভিতরে পুর হিসাবে দিয়ে দিতে পারেন চিলার ভিতর।
ওট্স চিলা: ওট্স গুঁড়ো করে নিয়ে তার সঙ্গে পেঁয়াজকুচি, কাঁচালঙ্কাকুচি, ধনেপাতাকুচি, নুন, ডিম আর পরিমাণ মতো জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এ বার ফ্রায়িং প্যানে সামান্য তেল দিয়ে চিলার আকারে ভেজে নিন। টম্যাটো সস্ বা ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।
সুজির চিলা: প্রথমে সুজির সঙ্গে দই মিশিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ বানিয়ে মিনিট ১৫ রেখে দিন। এ বার মিশ্রণের মধ্যে টম্যাটোকুচি, ধনেপাতাকুচি, পেঁয়াজকুচি, লঙ্কাকুচি, ক্যাপসিকামকুচি,নুন, চিনি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। অল্প তেলে গোল গোল আকারে ভেজে নিলেই তৈরি সুজির চিলা।