Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

অ্যাপের আড়ালে নজরদারি, প্লে স্টোর থেকে সরল সাতটি অ্যাপ

এর আগেও ট্রু-কলারসহ বহু অ্যাপে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। দেখতে সাদামাটা অ্যাপ হলেও তাতেই লুকিয়ে রয়েছে বিপদ।

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ১৮ জুলাই ২০১৯ ১৫:৫২
Save
Something isn't right! Please refresh.
অ্যাপের আড়ালেই লুকিয়ে বিপদ। প্রতীকী ছবি।

অ্যাপের আড়ালেই লুকিয়ে বিপদ। প্রতীকী ছবি।

Popup Close

ভার্চুয়াল জগতে আদতে কেউই যে সুরক্ষিত নয়, নানা অ্যাপে ইউজারদের তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনা যেন সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এর আগেও ট্রু-কলারসহ বহু অ্যাপে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। দেখতে সাদামাটা অ্যাপ হলেও তাতেই লুকিয়ে রয়েছে বিপদ। সম্প্রতি, গুগল এমন সাতটি অ্যাপকে গুগল প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে দিয়েছে। অ্যাপগুলি মূলত শিশু সুরক্ষা কিংবা চুরি যাওয়া ফোন সন্ধানের জন্যে ব্যবহার হওয়ার কথা বললেও আদতে তা ব্যবহৃত হত কর্মচারী কিংবা সঙ্গীর উপর নজরদারি চালানোর ক্ষেত্রে। নজরদারি চালানোর মাধ্যম হিসাবে এই অ্যাপগুলি নিশানা করত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান, কনট্যাক্ট লিস্ট এমনকি এসএমএস ও কল হিস্ট্রির উপরে।

মোবাইল সুরক্ষা তথা অ্যান্টি-ভাইরাস কোম্পানি অ্যাভাস্ট জানিয়েছে, প্রতিটি অ্যাপের পিছনে রয়েছেন একজন রাশিয়ান ডেভেলপার। এ ছাড়াও এই অ্যান্টি-ভাইরাস অ্যাপগুলিকে “বিপদজনক” হিসাবে চিহ্নিত করার পরেই এই সাতটি অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে দেয় গুগল। প্লে স্টোর থেকে অ্যাপগুলি সরালেও বিপদ কাটছে না নেটিজেনদের। এর মধ্যেই এই অ্যাপগুলি এক লক্ষ ৩০ হাজার বার ইন্সটল করে ফেলেছেন গোটা দুনিয়ার বহু ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। স্পাই ট্র্যাকার এবং এসএমএস ট্র্যাকার এই দু’টি অ্যাপই ডাউনলোড হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার বার।

আরও পড়ুন: ‘বুড়ো হতে’ হুড়োহুড়ি, অ্যাপে কি লুকিয়ে বিপদও

Advertisement

অ্যান্টি-ভাইরাস সংস্থা অ্যাভাস্টের এক আধিকারিক সাংবাদিকদের জানান, “ব্যক্তি গোপনীয়তার ক্ষেত্রে এই অ্যাপগুলি অনৈতিক এবং সমস্যাপ্রবণ তাই প্লে স্টোরের মত এক বহুল ব্যবহৃত সাইটে এই অ্যাপগুলি রাখা অনুচিত।’’ অভিযোগ পাওয়া মাত্রই নড়েচড়ে বসেন গুগল কর্তৃপক্ষ। মোট সাতটি অ্যাপ চিহ্নিত করে সরিয়ে দেয় এই মার্কিন সংস্থা।

অ্যাপগুলি কাজ করার ধরন অনেকটা এইরকম যার উপর নজরদারি চালাতে হবে সংশ্লিষ্ট সেই ব্যক্তির ফোনে এই অ্যাপটি ইন্সটল করতে পারলেই কেল্লাফতে। অ্যাপগুলির কোনও আইকন না থাকায় ব্যবহারকারী ঘুণাক্ষরেও টের পেতেন না কিন্তু ওই ব্যক্তির জিমেইলের পাসওয়ার্ড থেকে নানা ব্যক্তিগত তথ্য খুব সহজেই হাতিয়ে নেওয়া যেত। অ্যাপগুলি সরলেও ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউজারদের আরও সচেতন হয়ে উঠতে হবে, এমনটাই দাবি বিভিন্ন ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement