সিএবি নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগেই তৈরি হল নতুন জটিলতা। হঠাৎই সংশয় তৈরি হয়েছে কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারের ভোটদান নিয়ে। 

প্রাক্তনদের তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থায় কর্মরত। যেমন অরুণ লাল বাংলার রঞ্জি ট্রফি দলের কোচ। উৎপল চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্পিন উপদেষ্টার। দেবাং গাঁধী, সৈয়দ সাবা করিম ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত। 

দেবাং ভারতীয় বোর্ডে কর্মরত না হলেও তিনি ভারতীয় দলের নির্বাচক কমিটির সদস্য। সাবা করিম ভারতীয় বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশনস জেনারেল ম্যানেজার। বাংলার ক্রিকেট সংস্থার নির্বাচনে তাঁরা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, তা হয়তো ঠিক করবেন নির্বাচনী অফিসার সুশান্ত রঞ্জন উপাধ্যায়। যে হেতু স্বার্থ-সংঘাত নিয়ে বর্তমানে খুব কড়াকড়ি। তাই রাজ্য সংস্থার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তা খতিয়ে দেখা হতে পারে। 

এ দিকে সত্তরোর্ধ্ব সদস্যেরা আদৌ ভোটাধিকার পাবেন কি না, তা নিয়েও ছিল প্রশ্ন। শোনা যাচ্ছিল, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন না। কোনও ক্লাবের প্রতিনিধিত্বও করতে পারবেন না। কিন্তু বুধবার সিএবি-র নির্বাচনী অফিসার জানান, সত্তরোর্ধ্ব সদস্যেরা ভোট দিতে পারবেন কিন্তু কোনও পদে থাকতে পারবেন না। এখন দেখার, ২৮ সেপ্টেম্বর সিএবি নির্বাচনে তাঁরা আদৌ ভোট দিতে পারেন কি না।