অভিষেক টেস্টেই ছুঁয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়কে। যে রাহুল দ্রাবিড়ের হাত ধরেই পেশাদার ক্রিকেটে উঠে আসা। তিনিই যে হনুমা বিহারীর আসল মেন্টর তা প্রমাণ করে দিলেন স্বয়ং এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। অভিষেক টেস্টে হাফ সেঞ্চুরি এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। ঠিক যে ভাবে এসেছিল সৌরভ ও রাহুলের ব্যাট থেকে। ভারতীয় ক্রিকেটের লিজেন্ডকে ছুয়েছেন তিনি। কিন্তু ভারতীয় সিনিয়র দলের জার্সিতে ব্যাট হাতে নামার আগে রীতিমতো ভয়ে ছিলেন তিনি।

আর সেই ভয় কে কাটিয়েছিলেন জানেন?

স্বয়ং রাহুল দ্রাবিড়। সুদূর ইংল্যান্ডে বসে রাহুলকেই ফোন করেছিলেন হনুমা। তারপরটা তো ইতিহাসে ঢুকে পড়া। হনুমা বলেন, ‘‘অভিষেকের আগের দিনই আমি রাহুল স্যারকে ফোন করেছিলাম। মিনিট দু’য়েক কথা বলেছিল আমার সঙ্গে। তার পরই আমার নার্ভগুলো হালকা হতে শুরু করে।’’ এর সঙ্গে হনুমা জুড়ে দেন, ‘‘ক্রিকেটে তিনি লিজেন্ড। আর ব্যাটিং নিয়ে ওঁর উপদেশ আমাকে সব সম সাহায্য করেছে।’’

কী বলেছিলেন রাহুল দ্রাবিড় হনুমাকে?

হনুমা বলেন, ‘‘আমাকে বলেছিল, ‘তোমার একটা স্কিল তৈরি, মানসিকতাও তৈরি। এ বার শুধু মাঠে নেমে খেলাটাকে উপভোগ কর।’ আমার সাফল্যের পিছনে কৃতিত্ব তারই। ইন্ডিয়া ‘এ’ দলের হয়ে আমার চলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওর উপদেশ আমার উন্নতিতে কাজে লেগেছে।’’

যখন ভারতীয় ব্যাটিং রীতিমতো চাপে তখনই রবীন্দ্র জাডেজার সঙ্গে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন হনুমা বিহারী। ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। জাডেজার সঙ্গে ৭৭ রানের পার্টনারশিপও। যদিও ভারত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে অল-রাউন্ডার হার্দিক পাণ্ড্যকে বসিয়ে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছিল। তা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

রাহুল দ্রাবিড়ের পাশাপাশি বিহারী অধিনায়ক বিরাট কোহালিকেও কৃতিত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘উল্টোদিকে বিরাট থাকায় আমার কাজটা অনেকটা সহজ হয়ে গিয়েছিল। ওর উপদেশ আমাকে সাহায্য করেছে। ও আমার স্বাভাবিক খেলাটা খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।’’

(আইসিসি বিশ্বকাপ হোক বা আইপিএল, টেস্ট ক্রিকেট, ওয়ান ডে কিংবা টি-টোয়েন্টি। ক্রিকেট খেলার সব আপডেট আমাদের খেলাবিভাগে।)