মোহালিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জেতার জন্য ভারতের দরকার ছিল ১৫০ রান। এক ওভার বাকি থাকতে দাপটে সাত উইকেটে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেল টিম ইন্ডিয়া (১৫১-৩)। জয়ের নায়ক যথারীতি অধিনায়ক বিরাট কোহালি। এটাই ঘরের মাঠে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি ধর্মশালায় ভেস্তে গিয়েছিল। বুধবার মোহালিতে জিতে সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ভারত। রবিবার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ। 

কোহালি এদিন ৫২ বলে ৭২ রানে ম্যাচ জিতিয়ে ফিরলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছয়। ৪০ বলে পঞ্চাশে পৌঁছনোর পর গতি বাড়ান তিনি। এই ইনিংসে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সর্বাধিক রানের শিখরেও উঠলেন তিনি। টপকে গেলেন রোহিত শর্মাকে। বিরাট ছাড়া রান পেলেন ওপেনার শিখর ধবন (৪০)। তাঁকে ফেরাল লং অনে ডেভিড মিলারের অবিশ্বাস্য ক্যাচ। তবে চার নম্বরে নেমে হতাশ করলেন ঋষভ পন্থ (৪)। ওপেনিংয়ে রোহিত করলেন ১২। পাঁচে নেমে ১৬ রানে অপরাজিত থাকলেন শ্রেয়াস আয়ার।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ১৪৯ রান। সর্বাধিক ৫২ করেন অধিনায়ক কুইন্টন ডি’ কক। বাভুমা করেন ৪৯ রান। ভারতের সফলতম বোলার দীপক চাহার (২-২২)। 

আরও পড়ুন: বাংলাকে এশিয়াডের সোনা দিয়েও লাভ হল না! হতাশায় ভেঙে পড়েছেন সালকিয়ার শিবনাথ

আরও পড়ুন: কুৎসিততম শতরান! কার ইনিংস দেখে মনে হল জন্টি রোডসের?​

শুরু থেকে আগ্রাসনের রাস্তায় থাকলেও মাঝ পর্বে আটকে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়া অধিনায়ক ৩৫ বলে পঞ্চাশ করে দলকে টানছিলেন। কিন্তু নভদীপ সাইনির বলে অসাধারণ ক্যাচে ডি’ কককে ফেরালেন কোহালি। তাঁর ইনিংসে ছিল আট বাউন্ডারি। ৪৩ বলে বাভুমার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছয়। তাঁকে ফেরান দীপক চাহার। তিনি ছাড়া বাকি উইকেটগুলো নেন রবীন্দ্র জাদেজা (১-৩১), হার্দিক পান্ড্য (১-৩১) ও নভদীপ সাইনি (১-৩৪)। ওয়াশিংটন সুন্দর (০-১৯) ও ক্রুণাল পান্ড্য (০-৭) উইকেট পাননি। 

ধর্মশালায় প্রকৃতি বাদ সাধলেও মোহালিতে বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি  নির্দিষ্ট সময়েই শুরু হয়েছিল। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক। ভারত এদিন বিশেষজ্ঞ পেসার হিসেবে নভদীপ সাইনি ও দীপক চাহারকে প্রথম এগারোয় রেখেছিল। তিন স্পিনার হিসেবে খেললেন ক্রুণাল পান্ড্য, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর। ভারতের প্রথম এগারোর বাইরে থাকলেন লোকেশ রাহুল, মণীশ পাণ্ডে, রাহুল চাহার ও খলিল আহমেদ। পরের বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেদিকে তাকিয়ে নতুনদের দেখে নিতে চাইছে টিম ইন্ডিয়া।