মোক্ষম সময়ে জ্বলে উঠলেন নাইট অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। তবুও শেষরক্ষা হল না। টানা ছ’ ম্যাচ হেরে আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ার মুখে নাইটরা। 

রাজস্থান-ম্যাচের বল গড়ানোর আগে ক্রমাগত ব্যর্থতার জন্য় প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন কার্তিক। তার উপরে ব্যাটে রান ছিল না। কেন তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও উঠেছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কার্তিক সব জবাব দিয়ে দিলেন।  ৯৭ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেললেন ইডেনে। ম্যাচের সেরা কার্তিকের জন্যই নাইটরা করল ৬ উইকেটে ১৭৫। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালস চার বল বাকি থাকতে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে গেল। 

রাজস্থান-ম্যাচের আগে কার্তিকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। জনশ্রুতি বলছে তিনি মুম্বইয়ে ছিলেন। ম্যাচের আগের দিন দলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি। বৃহস্পতিবার ইডেনে কার্তিক নেতার মতোই ইনিংস খেললেন। শুরু থেকে যেভাবে উইকেট হারাতে শুরু করে কেকেআর, তাতে খেলা দেখতে বসা নাইট ভক্তদের হৃদকম্প ধরে যায়। দিনের তৃতীয় বলেই ফেরেন লিন।

বরুণ অ্যারনের গতিতে ঠকে যান তিনি। আর এক ওপেনার শুবমান গিলকে ফেরান অ্যারনই। নীতীশ রাণা ক্যাচ প্র্যাকটিস দিয়ে ফিরলেন। সুনীল নারাইন ক্রিকেটের অ আ ক খ ভুলে রান আউট হলেন। এক প্রান্ত থেকে একের পর এক উইকেট যাচ্ছে। আর কার্তিক একা একদিক ধরে থাকলেন। রাসেল এদিন ব্যর্থ। দু’ বার জীবন ফিরে পেয়েও রাসেল তার সুযোগ নিতে ব্যর্থ। 

আরও পড়ুন: জমজমাট ওপেনিং

আরও পড়ুন: নিলামে চেন্নাই আমাকে আর কিনবে না তাহলে… কেন বললেন ধোনি? 

কার্তিক একা টেনে নিয়ে গেলেন দলকে। তিনি ছিলেন বলেই ভদ্রস্থ রান করতে পারে কেকেআর। বল করতে নেমে নাইটরা একটা সময়ে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছিল। সুনীল নারাইন ও পীযূষ চাওলার বোলিংয়ে শ্বাসরুদ্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল রাজস্থানের। কিন্তু পরাগের ৪৭ ও শেষের দিকে আর্চারের ১২ বলে ২৭ রানের জন্য ইডেনে শেষ হাসি তোলা ছিল রাজস্থানের জন্য।  

সংক্ষিপ্ত স্কোর: 

কলকাতা নাইট রাইডার্স   ১৭৫-৬ (২০ ওভার)

রাজস্থান ১৭৭/৭ (১৯.২ ওভার)। 

৩ উইকেটে জয়ী রাজস্থান 

ম্যাচের সেরা বরুণ অ্যারন