নাম না করে মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে বিঁধলেন যুবরাজ সিংহের বাবা যোগরাজ। দিন কয়েক আগেই মুম্বইয়ের এক হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করে যুবি জানিয়ে দেন, তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। নীরব ছিলেন যোগরাজ।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে এক সাক্ষাৎকারে যুবির বাবা দাবি করেন “অনেক বড় বড় ক্রিকেটাররা খেলতে খেলতে অবসর নেওয়ার সুযোগ পাননি। গৌতম গম্ভীর থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণ—এরকম অনেক নাম নিতে পারি যাঁরা খেলার মধ্যে থাকাকালীন অবস্থায় অবসর নিতে পারেননি। এই ধরনের ঘটনার পিছনে রয়েছে একজন।’’

যোগরাজের এমন মন্তব্যের পরে প্রশ্ন উঠেছে, নাম না করে তিনি কি ধোনির কথাই বলছেন? যুবির বাবা আরও বলেন, ‘‘আমি কারোর নাম নেব না। গত ১৫ বছর ধরে ও নোংরা রাজনীতি করে চলেছে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের জীবন কঠিন করে দিয়েছে।’’

আরও পড়ুন: পারদ চড়ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের, ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছলেন পন্থ

আরও পড়ুন:  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে ভারতের ৬-০, কেমন ছিল সেই ম্যাচগুলো? কারা ছিলেন হিরো?

২০১৫ সালের বিশ্বকাপে যুবি দলে সুযোগ পাননি। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক ধোনি তাঁর ছেলেকে ধ্বংস করেছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন যোগরাজ। নিন্দুকেরা বলে থাকেন, ধোনির সাফল্যে ঈর্ষান্বিত যুবির বাবা। সেই কারণে সুযোগ পেলেই ধোনিকে আক্রমণ করে থাকেন। যোগরাজের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যের পরেই ক্রিকেটমহলের জল্পনা, ধোনির কারণেই আরও আগে যুবরাজ অবসর নিতে পারেননি। পাননি যথাযোগ্য সম্মান। যোগরাজ মনে করছেন, নোংরা রাজনীতির শিকার হয়েছেন তাঁর ছেলে।

ভরা বিশ্বকাপের মধ্যে পরিষ্কার করে সব কথা বলতে চাননি যোগরাজ। কারণ রবিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সেই ম্যাচের আগে বিস্ফোরণ ঘটানোর পক্ষপাতী নন যোগরাজ। তিনি বোমা ফাটালে পাকিস্তান-ম্যাচ থেকে নজর ঘুরে যেতে পারে ভারতীয় ক্রিকেটারদের। আসল সময়ের অপেক্ষায় যোগরাজ। বিশ্বকাপ শেষের পরেই তিনি মুখ খুলবেন বলে জানিয়েছেন। ভারতীয় দলের অনেক অজানা কথা ফাঁস করে দেবেন যুবির বাবা। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপের পরে ধোনির দিকে ধেয়ে আসতে পারে একের পর এক বাউন্সার। ধোনি কীভাবে তা সামলান, সেটাই দেখার।