পিয়ারলেস — ১  ইস্টবেঙ্গল — ০

( ক্রোমা পেনাল্টি)

লিগের লড়াই থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। সোমবার ঘরের মাঠে পিয়ারলেসের কাছে হার মানল আলেয়ান্দ্রো মেনেন্দেজের ছেলেরা। পেনাল্টি থেকে গোল করেন আনসুমানা ক্রোমা। লিগের প্রথম ম্যাচে ক্রোমার দাপটেই হেরে গিয়েছিল মোহনবাগান। এ বার ইস্টবেঙ্গলকেও মাটি ধরালেন ক্রোমা।

প্রতি ম্যাচেই মেনেন্দেজ প্রথম একাদশে বদল আনেন। এ দিন হাইমে স্যান্টোস কোলাডো ও বিদ্যাসাগর সিংহকে প্রথম একাদশেই রাখেননি স্পেনীয় কোচ। ৫৮ মিনিটের মাথায় রোনাল্ডো অলিভিয়েরাকে বসিয়ে বিদ্যাসাগরকে মাঠে নামান  মেনেন্দেজ। ৬২ মিনিটে লাল-হলুদ স্ট্রাইকার মার্কোসকে বসিয়ে কোলাডোকে মাঠে আনেন। 

পিয়ারলেসের অভিজ্ঞ কোচ জহর দাস মাঠে আনেন লক্ষ্মীকান্ত মান্ডিকে। তিনি মাঠে নামতেই পেনাল্টি পায় পিয়ারলেস। পঙ্কজকে বক্সের ভিতরে ঠেলে ফেলে দেন ইস্টবেঙ্গলের কমলপ্রীত সিংহ। রেফারি পেনাল্টি দেন পিয়ারলেসকে।

আরও পড়ুন: ভারত নয়, এশিয়া কাপে কলকাতার ঋষভ ফুল ফোটাচ্ছেন আমিরশাহির হয়ে

আরও পড়ুন: প্রায় পাঁচ ঘণ্টার ম্যারাথন লড়াই, ১৯তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতলেন রাফায়েল নাদাল

রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলাররা। ৬৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ক্রোমা। লাল-হলুদ গোলকিপার রালতেকে উলটো দিকে ফেলে ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়িয়ে দেন বহু যুদ্ধের সৈনিক ক্রোমা। মোহনবাগানের প্রাক্তন ফুটবলার ক্রোমার পায় বল পড়লেই কেঁপে উঠছিল ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠ। লাল-হলুদ রক্ষণের পরীক্ষা নেন তিনি। প্রথমার্ধের শেষে কোনও দলই গোল করতে পারেনি।

খেলার ৩৫ মিনিটে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত তৈরি হয়। লালরিনডিকার ফ্রি কিক থেকে হেড করেন মার্কোস। স্পেনীয় স্ট্রাইকারের দুর্ভাগ্য। বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সোমবার পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে জিতলেই লিগ শীর্ষে উঠে আসতে পারত লাল-হলুদ। এ দিন পিয়ারলেস জেতায় ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়ে পৌঁছে গেল শীর্ষে। মোহনবাগান নেমে গেল দু’ নম্বরে।