শক্তিশালী কর্নাটককে হারিয়ে বিজয় হজারে ট্রফির ফাইনালে উঠল বিদর্ভ। বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের মাঠে বিদর্ভের জয়ের নায়ক দর্শন নালকান্ডে ও আমন মোখাডে। বল হাতে ৫ উইকেট নেন দর্শন। রান তাড়া করতে নেমে শতরান করেন আমন। সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ২৮০ রান করে কর্নাটক। ২২ বল বাকি থাকতে সেই রান তাড়া করে জিতে যায় বিদর্ভ। সৌরাষ্ট্র বনাম পঞ্জাব ম্যাচের জয়ী দলের বিরুদ্ধে খেলবে তারা।
সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কর্নাটকের। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৯ রানে আউট হন। দেবদত্ত পড়িক্কল করেন ৪ রান। তৃতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন করুণ নায়ার ও ধ্রুব প্রভাকর। নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান করুণ। ৭৬ রান করেন তিনি। ধ্রুব করেন ২৮ রান। উইকেটরক্ষক কৃষ্ণণ শ্রীজিথ করেন ৫৪ রান। শেষ দিকে শ্রেয়স গোপাল ৩৬ ও অভিনব মনোহর ২৬ রান করেন।
বল হাতে কর্নাটককে চাপে রাখেন দর্শন। শুরুতে যশ ঠাকুরের পর মাঝের ওভারে একের পর উইকেট তোলেন দর্শন। তাঁর দাপটে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি কর্নাটক। ৪৯.৪ ওভারে ২৮০ রানে অল আউট হয়ে যায় তারা।
আরও পড়ুন:
রান তাড়া করতে নেমে বিদর্ভের শুরুটাও ভাল হয়নি। ওপেনার অথর্ব তাইরে ৬ রানে আউট হন। যদিও অপর ওপেনার আমনকে শুরু থেকে ভাল দেখাচ্ছিল। ধ্রুব শোরের সঙ্গে ৯৮ রানের জুটি বাঁধেন তিনি। রান তোলার গতি কম থাকলেও উইকেট পড়েনি বিদর্ভের। ধ্রুব ৪৭ রান করে আউট হওয়ার পর রাজকুমার সমর্থের সঙ্গে জুটি বাঁধেন আমন। সেই জুটিই দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যায়।
১২২ বলে ১৩৮ রান করে আউট হন আমন। ১২টি চার ও দু’টি ছক্কা মারেন তিনি। বিজয়কুমার বৈশাখ, শ্রেয়স গোপালদের বোলিং আক্রমণ তাঁকে সমস্যায় ফেলতে পারেনি। তিনি যখন আউট হন তত ক্ষণে বিদর্ভ জয়ের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। বাকি কাজ সারেন সমর্থ। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৬৯ বলে ৭৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। কর্নাটককে ৬ উইকেটে হারায় বিদর্ভ।