সামনেই তাঁদের ‘ফাইনাল ইয়ারের’ পরীক্ষা। পরীক্ষার সূচিও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, সেই সংক্রান্ত নির্দেশাবলি (এসওপি) পেয়েছেন তাঁরা। কিন্তু সেই নিয়ে ‘আপত্তি’ তুললেন এমবিবিএস পড়ুয়াদের একাংশ। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তাঁদের আবেদন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি থাকুক। কিন্তু সেই কড়াকড়ি যেন পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপের কারণ হয়ে না-দাঁড়ায়, সে দিকে নজর দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। কেন এই আবেদন, তার সপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন আবেনকারীরা।
আবেদনকারীরা ২০২১ সালের ব্যাচ। চলতি বছরের তাঁরা এমবিবিএসের শেষ বছরের পরীক্ষা দেবেন। চিঠিতে তাঁদের আবেদন, পরীক্ষাকেন্দ্রের এসওপি পড়ুয়াদের কাছে মানসিক চাপ তৈরি করছে। এসওপি অর্থাৎ পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, তার বিবরণ। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের আগে পরীক্ষার্থীদের চেক করা। কিংবা সিসিটিভি-র সাহায্যে নজরদারি। আবার পরীক্ষকদের কড়াকড়ি। সেই সব বিষয় নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি পাঠালেন ডাক্তারি পড়ুয়াদের একাংশ।
আবেদনকারীদের বক্তব্য, পরের বছর যাঁরা পরীক্ষা দেবেন অর্থাৎ ২০২২ সালের ব্যাচ তুলনামূলক বেশি সময় পাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট সিলেবাস শেষ করার জন্য। প্রস্তুতির জন্য বেশি দিন পাবেন। তুলনায় তাঁদের অনেকটাই কম সময়ে প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। এমনকি পরীক্ষাসূচিও দেরিতে দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়ারা পরীক্ষার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হওয়ার জন্যও কম সময় পেয়েছেন!
আরও পড়ুন:
চিঠিতে কল্যাণীর মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া-মৃত্যুর বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, ওই পড়ুয়ার মৃত্যু তাঁদের মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত করেছে। আবেদনকারীরা চান, পরীক্ষাকেন্দ্রে যে নজরদারি থাকে, তা থাকুক। তবে সেই কড়াকড়ি যেন পরীক্ষাকেন্দ্রে পড়ুয়াদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার না-করে। সেই দিকে খেয়াল রাখার আবেদন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়কে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।