পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) না খেলার সিদ্ধান্ত নিলেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটারেরা। নিলামের জন্য নাম নথিভুক্ত করানো আফগান খেলোয়াড়েরা সরে দাড়িয়েছেন। মহম্মদ নবি, ফজ়লহক ফারুকিরা নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন পিএসএলের নিলাম থেকে।
বিপাকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিএসএলের আকর্ষণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে ধাক্কা খেলেন মহসিন নকভিরা। নিলামের আগে নাম তুলে নিলেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটারেরা। নবি, ফারুকি ছাড়াও পিএসএলের নিলামে নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন মুজিব উর রহমান, সিদ্দিকুল্লা অটল, ওয়াকার সামালখেলির মতো প্রথম সারির আফগান ক্রিকেটারেরা।
এর আগে রহমানুল্লাহ গুরবাজ়ও নিজেকে পিএসএল থেকে সরিয়ে নেন। তাঁকে সরাসরি চুক্তিবদ্ধ করেছিল পেশোয়ার জ়ালমি। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে সই করানোয় সমালোচনার মুখে পড়েন পেশোয়ার কর্তৃপক্ষ। সে কারণে রহমানুল্লাহ নিজেকে সরিয়ে নেন পিএসএল থেকে। ওই ঘটনার পর আফগানিস্তানের অন্য ক্রিকেটারেরাও পিএসএল না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পিএসএলের সিইও সলমন নাসির বলেছেন, ‘‘পেশোয়ার কর্তৃপক্ষ রহমানুল্লাহকে সই করানোর বিতর্ক তৈরি হয়। পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের উত্তেজনার প্রভাব পড়ে। বিতর্কের জন্য রহমানুল্লাহ পিএসএল না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘটনার পর বিতর্ক এড়াতে আফগানিস্তানের বাকি ক্রিকেটারেরাও নাম প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন।’’
আরও পড়ুন:
পিএসএলে রহমানুল্লাহের ঘটনার সঙ্গে আইপিএলের মুস্তাফিজুর রহমান বিতর্কের কিছুটা মিল রয়েছে। আইপিএলের গত নিলামে বাংলাদেশের জোরে বোলারকে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কিনেছিল কেকেআর। পরে বাংলাদেশের জোরে বোলারকে নিয়ে আপত্তি জানান বিজেপি-সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা। প্রতিবাদে মুখ খোলেন কয়েক জন ধর্মীয় নেতাও। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ইস্যুকে সামনে এনে আইপিএলে মুস্তাফিজুরের খেলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। বিতর্ক বাড়তে থাকায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে কেকেআর কর্তৃপক্ষ দল থেকে বাদ দেন মুস্তাফিজুরকে।