Advertisement
E-Paper

ঘুমপাড়ানি সাজঘর! আবার এক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ঘুমিয়ে পড়লেন, নতুন লাবুশেন কে?

ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঝে সাজঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন লাবুশেন। সেই ওভালের সাজঘরেই ঘুমিয়ে পড়লেন অস্ট্রেলিয়ার আর এক ক্রিকেটার। এ বার অ্যাশেজ সিরিজ়ে।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৩ ১১:৪০
picture of Marnus Labuschagne

মার্নাশ লাবুশেন। ছবি: টুইটার।

খেলার মাঝে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন এক ক্রিকেটার। স্থান সেই একই। লন্ডনের ‘দ্য ওভাল’-এর সাজঘর। এ বার মার্নাস লাবুশেন নন। খেলা চলাকালীন ঘুমিয়ে পড়লেন অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক। যা নিয়ে রসিকতা করেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট সংস্থাও।

ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট বিশ্বকাপ ফাইনালে ওভালের সাজঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন লাবুশেন। তা নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছিল। যদিও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার দাবি করেছিলেন, তিনি চোখ দু’টিকে একটু বিশ্রাম দিচ্ছিলেন। সারা ক্ষণ খেলা দেখা সম্ভব নয় বলেও জানিয়ছিলেন। এ বার ঘুমিয়ে পড়লেন স্টিভ স্মিথ। সেই একই স্টেডিয়ামের সাজঘরে। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ় সিরিজ়ের পঞ্চম টেস্টের প্রথম দিনেই ঘটল এই ঘটনা। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শুরু হওয়ার পর এক সময় দেখা যায় মাথায় তোয়ালে চাপা দিয়ে সাজঘরে বসে বসে ঘুমোচ্ছেন স্মিথ। যা নিয়ে এ বারও মজা করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকে।

রসিকতার সুযোগ হাতছাড়া করেনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও। একসঙ্গে টেস্ট বিশ্বকাপ ফাইনালে লাবুশেনের এবং বৃহস্পতিবার স্মিথের ঘুমিয়ে থাকার ছবি সমাজমাধ্যমে ক্রিকেটপ্রেমীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে তারা। সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘‘ওভালের সাজঘরে অবশ্যই কিছু একটা আছে।’’ সাজঘরে ঘুমিয়ে পড়া নিয়ে স্মিথের প্রতিক্রিয়া অবশ্য জানা যায়নি। যদিও অ্যাশেজ সিরিজ়ের গুরুত্বপূর্ণ টেস্টের মাঝে স্মিথের ঘুম দেখে অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া যখন প্রথম দিনেই সুবিধাজনক জায়গায়। এই রকম পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারেরা আগ্রাসী মেজাজে থাকবেন, এমনই প্রত্যাশা করেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিশেষ করে অ্যাশেজের মতো চড়া মেজাজের সিরিজ়ে।

অ্যাশেজ সিরিজ়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক ইতিহাস। যা কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক। খানিকটা শোকেরও। ১৮৮২ সালে ওভালে আয়োজিত টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে প্রথম হেরেছিল ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার ফ্রেড স্পফোর্থের অনবদ্য বোলিংয়ের কাছে হারতে হয়েছিল ইংরেজদের। চতুর্থ ইনিংসে ৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিততে পারেনি তারা। স্পফোর্থ ৪৪ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ০-১ ব্যবধানে সিরিজ় হেরে গিয়েছিল। পরের দিন ইংল্যান্ডের সংবাদপত্র ‘দ্য স্পোর্টিং টাইমস্‌’ তাদের প্রতিবেদনে ক্রিকেট দলের তীব্র সমালোচনা করেছিল। লেখা হয়েছিল, ইংরেজ ক্রিকেটকে চিরস্মরণীয় করে রাখল ওভালের ২৯ অগস্ট, ১৮৮২ তারিখটি। গভীর দুঃখের সাথে বন্ধুরা তা মেনে নিয়েছে। ইংরেজ ক্রিকেটকে ভস্মীভূত করা হয়েছে এবং ছাইগুলো অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া হয়েছে। এর পরের বছর সিরিজ় পুণরুদ্ধার করতে অস্ট্রেলিয়ায় যায় ইংল্যান্ড। সংবাদমাধ্যমের ব্যঙ্গ মনে রেখে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক আইভো ব্লাই বলেছিলেন, তাঁরা অ্যাশেজ পুণরুদ্ধার করতে অস্ট্রেলিয়ায় এসেছেন।

সে সময় কয়েকজন অস্ট্রেলীয় মহিলা ব্লাইকে আগের সিরিজ়ে পরাজয় নিয়ে পাল্টা ব্যঙ্গ করে ছাই ভর্তি একটি পাত্র দিয়েছিলেন। যাতে ছিল উইকেটের উপরে থাকা বেলের ছাই। তার পর থেকে দু’দেশের টেস্ট সিরিজ় ‘অ্যাশেজ’ বলে পরিচিত হয়। ব্লাই অবশ্য ছাইয়ের সেই আধারটি ব্যক্তিগত উপহার হিসাবে নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন। বিজয়ী দলকে ট্রফি হিসাবে তা দেওয়া হত না তখন। ব্লাইয়ের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী লর্ডসে এমসিসি জাদুঘরে সেই পাত্রটি দান করে দিয়েছিলেন।

Ashes 2023 Australia Oval Test Steve Smith Marnus Labuschagne
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy